মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

ভেঙে পড়েছে আইনশৃংখলা, গাজায় অকল্পনীয় দৃশ্য

অকল্পনীয় দৃশ্য গাজায়। মানুষ খাদ্যের জন্য পাগলপ্রায়। ছিটেফোঁটা যা ত্রাণ সেখানে যাচ্ছে, তা পেতে তাদেরকে আরেক যুদ্ধ করতে হচ্ছে। এর ফলে ভয়াবহ এক বিশৃংখল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ভেঙে পড়েছে নিরাপত্তা। গাজার উত্তরাঞ্চলে মূল শহরে লুটপাট চলছে। খাদ্যের জন্য মানুষের এমন লড়াইয়ের মধ্যেও সেখানে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইল। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। হামাস পরিচালিত স্বরাষ্ট্র […]

ভেঙে পড়েছে আইনশৃংখলা, গাজায় অকল্পনীয় দৃশ্য

ভেঙে পড়েছে আইনশৃংখলা, গাজায় অকল্পনীয় দৃশ্য

নিউজ ডেস্ক

৩০ মে ২০২৫, ১০:১৫

অকল্পনীয় দৃশ্য গাজায়। মানুষ খাদ্যের জন্য পাগলপ্রায়। ছিটেফোঁটা যা ত্রাণ সেখানে যাচ্ছে, তা পেতে তাদেরকে আরেক যুদ্ধ করতে হচ্ছে। এর ফলে ভয়াবহ এক বিশৃংখল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ভেঙে পড়েছে নিরাপত্তা। গাজার উত্তরাঞ্চলে মূল শহরে লুটপাট চলছে। খাদ্যের জন্য মানুষের এমন লড়াইয়ের মধ্যেও সেখানে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইল। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। হামাস পরিচালিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, বৃহস্পতিবার আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রণ এবং লুটপাট বন্ধে মোতায়েন করা হয়েছিল পুলিশ কর্মকর্তাদের। তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। এতে কমপক্ষে ৭ পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এ বিষয়ে ইসরাইলি সেনাবাহিনী কোনো মন্তব্য করেনি। তবে তারা বলেছে, বৃহস্পতিবার গাজাজুড়ে তারা ‘কয়েক ডজন সন্ত্রাসী আস্তানা’ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

ওদিকে স্থানীয় চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা ও উদ্ধারকর্মীরা বলেছেন বৃহস্পতিবার গাজাজুড়ে হামলায় কমপক্ষে ৪৪ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে শুধু বুরেইজ শরণার্থী শিবিরেই মারা গেছেন ২৩ জন। এর একদিন আগে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি জানায়, বুভুক্ষু মানুষ দিয়ের আল বালাহতে তাদের একটি গুদামে জোর করে ঢুকে পড়েন। তারা লুটেপুটে নিয়ে যান সেখানে জমা করা ত্রাণ সামগ্রী। এ সময় গুলিতে কমপক্ষে দু’জন নিহত হয়েছেন। তবে কে তাদেরকে গুলি করেছে তা পরিষ্কার নয়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ)-এর একটি নতুন ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে হাজার হাজার মানুষ হামলে পড়ার পর তাদের ওপর গুলি চালানো হয়। এতে কমপক্ষে ৫০ জনকে গুলি করা হয়। তাতে কতজন নিহত ও আহত হয়েছেন তা স্পষ্ট নয়। মঙ্গলবারের ওই ঘটনা সম্পর্কে ইসরাইলি সেনাবাহিনী বলেছে, তারা সতর্কতামূলকভাবে ফাঁকা গুলি ছুড়েছে।

ওদিকে বৃহস্পতিবার গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা পুলিশকে আল সারায়া সংযোগস্থলে একটি মার্কেটের কাছে সশস্ত্র অবস্থায় দেখা গেছে। সেখানে অল্প কিছু দোকানে খাদ্য ও শাকসবজি বিক্রি করে। ওদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভয়াবহ কিছু ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। তাতে দেখা যায় ছিন্নভিন্ন দেহ, রক্ত এবং তাদের ব্যবহৃত জিনিসপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, ইসরাইলের হামলায় এমন ঘটনা ঘটেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরাইলি দখলদাররা বেশ কিছু পুলিশ কর্মকর্তাকে টার্গেট করে বিমান থেকে হামলা চালায়। এ সময় ওই পুলিশ কর্মকর্তারা লুটপাট বন্ধে দায়িত্ব পালন করছিলেন। হামলায় তাদের বেশ কয়েকজন শহীদ হয়েছেন। সঙ্গে বেসামরিক লোকজনও আছেন। এ বিষয়ে ইসরাইলি সেনাবাহিনী সরাসরি কোনো উত্তর দেয়নি।

গত বছর থেকে গাজায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করে ইসরাইল। তখন থেকেই গাজায় ক্রমশ আইনশৃংখলার অবনতি ঘটতে থাকে। জানুয়ারিতে এক হামলায় ওই অঞ্চলের পুলিশ প্রধান ও তার ডেপুটি নিহত হন। ইসরাইলের এমন আচরণে বৃহস্পতিবার গাজার সব জায়গা আইন শৃংখলা ভেঙে পড়ে। মানুষ খাদ্যের জন্য পাগলের মতো আচরণ করতে থাকেন। রাফার কাছে জিএইচএফের ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে গিয়েছিলেন এমন একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেছেন, ভোর থেকেই সেখানে ত্রাণের আশায় জমায়েত হন হাজার হাজার মানুষ। তারা ত্রাণ পাওয়ার জন্য ওই কেন্দ্রের গেট দিয়ে প্রবেশ করার চেষ্টা করেন। এতে গেট ভেঙে যায়। স্থানীয় সময় সকাল আটটায় ইসরাইলি সেনারা ড্রোন ব্যবহার করে এসব মানুষকে সতর্ক করে। ঠিক ১০ মিনিটে সব ঠিক হয়ে আসে। কিন্তু আবারও মানুষের ঢল নামে গেটে। তারা ভিতরে প্রবেশ করে ত্রাণভর্তি বাক্স, আটার বস্তা নিয়ে যেতে থাকে।

জিএইচএফের ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা ফুটেজে দেখা গেছে বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই হাজার হাজার ফিলিস্তিনি ছুটে যাচ্ছেন সেখানে। কেউ ঘোড়ায় চালিত গাড়ি নিয়ে ছুটেছেন। কেউ বাইসাইকেলে। তাদেরকে আটা, ময়দা, ত্রাণ নিয়ে ছুটে যেতে দেখা যায়। কেউ বা মাথায় নিয়ে ছুটছিলেন।

অন্যান্য খবর

জুলাই যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষায় সরকার প্রস্তুত: আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ জন্য প্রয়োজনীয় যেকোনো ধরনের আইনি সুরক্ষা দিতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধির ৩০০ ধারায় দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রোকেয়া বেগম অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীরা আইনি […]

জুলাই যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষায় সরকার প্রস্তুত: আইনমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

২৩ জুন ২০২৬, ২১:০১

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ জন্য প্রয়োজনীয় যেকোনো ধরনের আইনি সুরক্ষা দিতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধির ৩০০ ধারায় দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রোকেয়া বেগম অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীরা আইনি সুরক্ষা পেলেও রাজনৈতিক সুরক্ষা পুরোপুরি নিশ্চিত হয়নি। তার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন আইনমন্ত্রী।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বর্তমান সরকার জুলাই আন্দোলন এবং এর অংশগ্রহণকারীদের আইনি কাঠামোর আওতায় এনে সুরক্ষা নিশ্চিত করেছে। তার মতে, এই আইনি সুরক্ষা রাজনৈতিক সুরক্ষারও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

তিনি আরও বলেন, জুলাই চেতনায় বিশ্বাসী সরকার টেকসই সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আইনগত ব্যবস্থাকেই সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করে।

আইনমন্ত্রী জানান, জুলাই যোদ্ধাদের জন্য অতিরিক্ত কোনো সুরক্ষা বা ব্যবস্থা প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে সংসদ সদস্যদের প্রস্তাব সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

অন্যান্য খবর

‘তারেক রহমান বিদেশনীতিতে নাহিদ ইসলামের পথ অনুসরণ করছেন’ : এনসিপি নেত্রী মনিরা শাররমিন

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ার পথে রওনা হয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার (২১ জুন) দুপুর পৌনে ৩টায় তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশের একটি বিশেষ ফ্লাইট ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দর ত্যাগ করে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী তার এ সফরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের ‘বিদেশনীতি’ অনুসরণ করছেন বলে মনে করেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ‘জাতীয় নারীশক্তি’-র […]

নিউজ ডেস্ক

২১ জুন ২০২৬, ১৮:৫৪

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ার পথে রওনা হয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার (২১ জুন) দুপুর পৌনে ৩টায় তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশের একটি বিশেষ ফ্লাইট ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দর ত্যাগ করে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী তার এ সফরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের ‘বিদেশনীতি’ অনুসরণ করছেন বলে মনে করেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ‘জাতীয় নারীশক্তি’-র কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি এমন দাবি করেন।

মনিরা শারমিন লিখেছেন, ‘নাহিদ ইসলাম যেন সবকিছুতেই এ জাতির কাণ্ডারি হয়ে উঠছেন। প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়া দ্বিতীয় সফর চীনে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিদেশনীতিতে নাহিদ ইসলামের পথ অনুসরণ করছেন, মালয়েশিয়া হয়ে চীনে যাচ্ছেন।’

তবে নাহিদ ইসলামের ‘বিদেশনীতির’ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি পোস্টে।

‘তারেক রহমান বিদেশনীতিতে নাহিদ ইসলামের পথ অনুসরণ করছেন’

অন্যান্য খবর

পাঁচ অভিযোগ থেকে খালাস পেলেন হাসানুল হক ইনু

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে তিনটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আটটি অভিযোগের মধ্যে পাঁচটিতে তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন […]

পাঁচ অভিযোগ থেকে খালাস পেলেন হাসানুল হক ইনু

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১৭:২১

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে তিনটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আটটি অভিযোগের মধ্যে পাঁচটিতে তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

রায়ে বলা হয়, তিন নম্বর অভিযোগে ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৬ ও ৭ নম্বর অভিযোগে এক লাখ টাকা করে মোট দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং পৃথকভাবে ১০ বছর করে সাজা দেওয়া হলেও সব দণ্ড একসঙ্গে কার্যকর হওয়ায় তাকে মোট ১০ বছর কারাভোগ করতে হবে। অন্যদিকে ১, ২, ৪, ৫ ও ৮ নম্বর অভিযোগে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য, বিভিন্ন নথি ও আলামত উপস্থাপন করে। দীর্ঘ তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে ট্রাইব্যুনাল এই রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় হাসানুল হক ইনু আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) রায়ের কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার করে।