শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

ড. ইউনূসের ৩৬০ ডিগ্রি কূটনীতি, বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের বিশ্বসংযোগ

চব্বিশে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর কুটনৈতিক সুনামকে কাজে লাগিয়ে এ দেশের মসৃণ এ পরিবর্তনের গতিশীলতাকে সামলে যাচ্ছেন নিপুণভাবে। তিনি তাঁর ভারসাম্যপূর্ণ ও বহুমুখী কূটনীতি দিয়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতিতে উন্মোচন করেছেন এক নতুন দিগন্ত । বিশ্লেষকরা একে বলছেন […]

ড. ইউনূসের ৩৬০ ডিগ্রি কূটনীতি, বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের বিশ্বসংযোগ

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ মে ২০২৫, ২১:১৪

চব্বিশে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর কুটনৈতিক সুনামকে কাজে লাগিয়ে এ দেশের মসৃণ এ পরিবর্তনের গতিশীলতাকে সামলে যাচ্ছেন নিপুণভাবে।

তিনি তাঁর ভারসাম্যপূর্ণ ও বহুমুখী কূটনীতি দিয়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতিতে উন্মোচন করেছেন এক নতুন দিগন্ত ।

বিশ্লেষকরা একে বলছেন ‘৩৬০ ডিগ্রি কূটনীতি’, যেখানে পূর্ব-পশ্চিম, উত্তর-দক্ষিণ, সবদিকেই ছড়িয়েছে তাঁর কুটনৈতিক উদ্যোগ।

আগের ভারতকেন্দ্রিক বৈদেশিক নীতির ধারা থেকে সরে এসে ইউনূস প্রশাসন আস্থা ও নিরপেক্ষতাকে ভিত্তি করে গড়ে তুলছে নতুন এক কুটনৈতিক বাস্তবতা।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের ধারণা ছিল, শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনামলের পর নতুন কোনো প্রশাসনের জন্য বৈদেশিক নীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা হবে চ্যালেঞ্জিং। কারণ, তাঁর সময়কালের কুটনৈতিক কাঠামো ছিল প্রবলভাবে ভারত নির্ভর।

কিন্তু নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী অধ্যাপক ইউনূস সেই আশঙ্কা পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়ে তাঁর বৈশ্বিক খ্যাতি ও কুটনৈতিক দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে মসৃণ পরিবর্তনশীলতাকে সামলিয়ে পররাষ্ট্রনীতিকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করে তুলেছেন।

গত ২০২৪ সালের আগস্টে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ড. ইউনূস দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক উদ্যোগের মাধ্যমে উচ্চপর্যায়ের কুটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছেন। এর লক্ষ্য ছিল, দেশের অভ্যন্তরীণ সংবেদনশীল রূপান্তর এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল আঞ্চলিক ভূরাজনীতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক অঙ্গনে নতুন করে দৃঢ় অবস্থানে দাঁড় করানো।

বৃহত্তর এই কুটনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে কাল বুধবার সকালে চারদিনের জাপান সফরে যাচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে তিনি টোকিওতে অনুষ্ঠেয় ৩০তম নিক্কেই ফোরামে অংশ নেবেন এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।

অধ্যাপক ইউনূসের চীন সফরে যাওয়ার আগেই জাপান সফরসূচি ঠিক করা হয়েছিল। এমনটি করা হয়েছে, যাতে বোঝানো যায়, বিশ্ব রাজনীতিতে দ্বন্দ্ব বেড়ে গেলেও তাঁর সরকার সব দেশের সঙ্গে ভারসাম্য রেখে কূটনীতি করতে চায়।

দ্রুত পরিবর্তনশীল এবং কৌশলগতভাবে পুনর্বিন্যস্ত বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায়, ড. ইউনূসের পররাষ্ট্রনীতি সুস্পষ্ট বার্তা দেয় যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গঠনমূলক এবং স্বাধীন ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে চায়।

বাইডেন থেকে শি জিনপিং, শি থেকে মোদি, আঞ্চলিক রাজধানী থেকে আন্তর্জাতিক ফোরাম সব দিকেই ইউনূসের কূটনীতির হাত প্রসারিত হয়েছে। ‘৩৬০ ডিগ্রি কূটনীতি’ বলতে বোঝানো হয় একটি পূর্ণাঙ্গ, সামগ্রিক ও সুষম পররাষ্ট্রনীতি, যেখানে প্রতিটি দিক বিবেচনায় রাখা হয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বহুমুখী কূটনীতি বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্কের কৌশলগত পুনর্বিন্যাসকে নির্দেশ করে। এর মাধ্যমে ঐতিহ্যগত মিত্রদের পাশাপাশি নতুন জোটও গড়ে তোলা হচ্ছে। যার লক্ষ্য হলো রাজনৈতিক রূপান্তরের সময়ে জাতীয় স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং আন্তর্জাতিক বিশ্বে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করা।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।