মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

৬ মাস ধরে নারীকে ঘরে আটকে ধর্ষণ, নোবেলের বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগ এবং গ্রেফতার

বিতর্কিত গায়ক মাঈনুল আহসান নোবেল এবার এক তরুণীকে অপহরণ, ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে গেছেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, অভিযোগ রয়েছে তিনি ওই তরুণীকে ছয় মাস ধরে আটকে রেখেছিলেন এবং একাধিকবার শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়েছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, এক তরুণীকে সিঁড়ি দিয়ে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন […]

নিউজ ডেস্ক

২০ মে ২০২৫, ১৭:০৭

বিতর্কিত গায়ক মাঈনুল আহসান নোবেল এবার এক তরুণীকে অপহরণ, ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে গেছেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, অভিযোগ রয়েছে তিনি ওই তরুণীকে ছয় মাস ধরে আটকে রেখেছিলেন এবং একাধিকবার শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়েছেন।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, এক তরুণীকে সিঁড়ি দিয়ে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন একজন ব্যক্তি, যিনি পরবর্তীতে নোবেল হিসেবে শনাক্ত হন। এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরপরই বিষয়টি জনসচেতনতায় আসে এবং পরিবার জাতীয় জরুরি সেবায় (৯৯৯) কল করে।

পুলিশ জানায়, সোমবার (২০ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ভুক্তভোগী তরুণীকে রাজধানীর ডেমরা থানার স্টাফ কোয়ার্টার এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। এরপর রাত ২টার দিকে অভিযুক্ত নোবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে সামাজিক মাধ্যমে নোবেলের সঙ্গে ওই তরুণীর পরিচয় হয়। ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর মোহাম্মদপুরে দেখা করার কথা বলে নোবেল তরুণীকে ডেমরার একটি বাসায় নিয়ে যান, যেখানে তাকে জোরপূর্বক আটকে রাখা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, তরুণীর মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলা হয় এবং তাকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় শারীরিক নির্যাতন করা হয়। এমনকি ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ আছে।

ঘটনার বিষয়ে ডেমরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মুরাদ হোসেন বলেন,

“নোবেল দাবি করেছেন, ওই তরুণী তার স্ত্রী এবং মৌখিকভাবে বিয়ে করেছেন। কিন্তু তিনি কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।”

পরিদর্শক আরও জানান, ভুক্তভোগী তরুণীর জবানবন্দি ও ভিডিও প্রমাণের ভিত্তিতে মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।

এই ঘটনায় রাষ্ট্রপক্ষে জামিনের বিরোধিতা করেন ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক, আর নোবেলের পক্ষে জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবী জসিম উদ্দিন। বিচারক জিয়া উদ্দিন আহমেদ উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

উল্লেখ্য, নোবেল এর আগেও একাধিকবার বিতর্কে জড়িয়েছেন। ২০২৩ সালে অগ্রিম টাকা নিয়ে গানে না যাওয়া, স্ত্রীর ওপর নির্যাতন, মাদকাসক্তি এবং মঞ্চে অসংলগ্ন আচরণে খবরের শিরোনাম হয়েছেন। এমনকি ওই বছরের ২৬ এপ্রিল কুড়িগ্রামে এক অনুষ্ঠানে দর্শক ক্ষুব্ধ হয়ে তার দিকে জুতা ও পানির বোতল নিক্ষেপ করলে পুরো অনুষ্ঠান পণ্ড হয়ে যায়।

ভারতের জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘সা রে গা মা পা’-এর মাধ্যমে আলোচনায় আসা এই শিল্পী সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন কনসার্ট ও টিভি অনুষ্ঠানে নিয়মিত অংশ নিচ্ছিলেন এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। তবে নতুন করে এ ঘটনায় নোবেলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগের তদন্ত শুরু হওয়ায় আবারও বিতর্কের কেন্দ্রে চলে এসেছেন তিনি।

এই ঘটনায় সমাজ, সংস্কৃতি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব নিয়েও জনমনে প্রশ্ন উঠছে। একজন পাবলিক ফিগার হিসেবে তার দায়বদ্ধতা, নৈতিকতা এবং বিচারব্যবস্থার প্রতি সম্মান কতটা ছিল—তা এখন বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রমাণিত হবে।

বিনোদন

‘মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!’: দীপ্তি চৌধুরী

নতুন জীবনের সূচনাতেই স্বামীকে উদ্দেশ করে আবেগময় একটি বার্তা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী। বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, “মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!” দীপ্তির এই বাক্যটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি বিখ্যাত সংলাপ থেকে অনুপ্রাণিত। মূল সংলাপে ‘ডাক্তার […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:০৫

নতুন জীবনের সূচনাতেই স্বামীকে উদ্দেশ করে আবেগময় একটি বার্তা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী। বিয়ের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, “মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!”

দীপ্তির এই বাক্যটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি বিখ্যাত সংলাপ থেকে অনুপ্রাণিত। মূল সংলাপে ‘ডাক্তার সাহেব’ শব্দটি থাকলেও নিজের বাস্তব জীবনের অনুভূতির সঙ্গে মিল রেখে তিনি ব্যবহার করেছেন ‘মাস্টার সাহেব’ সম্বোধন।

শুক্রবার রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্তোরাঁয় পারিবারিক আয়োজনে দীপ্তি চৌধুরীর আক্দ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁর স্বামী মুশতাক ইবনে আইয়ুব পেশায় শিক্ষক ও গবেষক। তিনি যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন এবং বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

আক্দের পর প্রকাশিত ছবিগুলোতে নবদম্পতিকে আনন্দঘন মুহূর্তে দেখা যায়। তবে ছবির চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে দীপ্তির আবেগঘন ক্যাপশন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহকর্মীরা নবদম্পতির জন্য শুভকামনা জানিয়ে মন্তব্য করছেন। নতুন জীবনের জন্য তাঁদের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন সবাই।

বিনোদন

‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে: দীপ্তি চৌধুরী

বিয়ে করেছেন দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। দীপ্তির স্বামী নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে ধুমধাম আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন […]

নিউজ ডেস্ক

০৫ জুন ২০২৬, ১৮:৪১

বিয়ে করেছেন দেশের টেলিভিশন অঙ্গনের আলোচিত উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরের একটি রেস্টুরেন্টে দুই পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

দীপ্তির স্বামী নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।

খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজকে আমাদের আকদ সম্পন্ন হয়েছে। পরবর্তীতে বড় পরিসরে ধুমধাম আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে, যেখানে সবাইকে আমন্ত্রণ জানাব। আমাদের নতুন জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করছি।’

দীপ্তির স্বামী বিশ্বখ্যাত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনকোলজি (ক্যান্সার বিজ্ঞান) বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

উল্লেখ্য, দীপ্তি চৌধুরী টেলিভিশন টকশো ‘টু দ্য পয়েন্ট’ এবং ‘স্ট্রেইট কাট’সহ একাধিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ আলোচিত।

বিনোদন

স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য অভিনেতা আতাউর রহমান আর নেই

বাংলা নাট্যাঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য অভিনেতা, নাট্যকার এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান ৮৪ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। সোমবার (১১ মে) দিবাগত রাত ১২টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার প্রয়াণে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বরেণ্য এই […]

নিউজ ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ০৭:১৮

বাংলা নাট্যাঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য অভিনেতা, নাট্যকার এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান ৮৪ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।

সোমবার (১১ মে) দিবাগত রাত ১২টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার প্রয়াণে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বরেণ্য এই নাট্যজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন অভিনেতা রওনক হাসান এবং অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু।

অভিনেতা রওনক হাসান গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, ‘না ফেরার দেশে চলে গেলেন স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, মঞ্চের প্রেরণাদায়ী সারথি আতাউর রহমান। আমরা তার আত্মার শান্তি কামনা করি।’

আতাউর রহমান বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। সোমবার বিকেলে তার গুরুতর অসুস্থতার খবর আসে এবং শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।

তার মেয়ে শর্মিষ্ঠা রহমান সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘আব্বার অবস্থা আসলে খুব একটা ভালো না। তার শরীরের একাধিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে পড়েছে—চিকিৎসক তেমনটাই জানিয়েছেন। সবার কাছে আমার আব্বার সুস্থতার জন্য দোয়া চাই।’

শর্মিষ্ঠা রহমান আরও জানান, গত শুক্রবার বাসায় পড়ে যাওয়ার পর আতাউর রহমানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। প্রথমে তাকে গুলশানের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলেও, সেখানে আইসিইউ সুবিধা না থাকায় পরে ধানমন্ডির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ভর্তির পরপরই তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। ওইদিনই কিছুটা শারীরিক উন্নতি হওয়ায় লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়। কিন্তু রোববার (১০ মে) আবার অবস্থার অবনতি হলে তাকে পুনরায় লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। এর দুই দিন পরই তার চিরবিদায়ের খবর আসে।

১৯৪১ সালের ১৮ জুন নোয়াখালীতে জন্মগ্রহণ করা আতাউর রহমান বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক বহুমাত্রিক পরিচয়ের অধিকারী ছিলেন। তিনি একাধারে নাট্যজন, অভিনেতা, মঞ্চনির্দেশক এবং লেখক হিসেবে সুপরিচিত।

বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ-পরবর্তী মঞ্চনাট্য আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। দেশের সংস্কৃতি ও নাট্যাঙ্গনে তার বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একুশে পদক এবং স্বাধীনতা পদকের মতো সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা লাভ করেন। তার মৃত্যু বাংলা নাটকের ইতিহাসে এক অপূরণীয় ক্ষতি।