সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

আছে গবাদি পশু পালনের বিশাল মাঠ, নেই বেচাকেনার হাট

নূরুল আলম কামাল, নেত্রকোনা: নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলা একটি হাওয়ার বেষ্টিত এলাকা। এ অঞ্চলে রয়েছে খাল বিল নদী নালা ও ছোট বড় অসংখ্য হাওর। চাষাবাদের জমিসহ বিশাল বিশাল পতিত মাঠ রয়েছে। এসব মাঠে প্রাকৃতিক ঘাস খেয়ে স্থানীয় কৃষকদের গরু, মহিষসহ গৃহপালিত পশু বেড়ে ওঠে। ওই পশু হাওরাঞ্চল সহ দেশের আমিষের চাহিদা পূরণে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। তবে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৩ মে ২০২৫, ২০:৫৩

নূরুল আলম কামাল, নেত্রকোনা:

নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলা একটি হাওয়ার বেষ্টিত এলাকা। এ অঞ্চলে রয়েছে খাল বিল নদী নালা ও ছোট বড় অসংখ্য হাওর। চাষাবাদের জমিসহ বিশাল বিশাল পতিত মাঠ রয়েছে। এসব মাঠে প্রাকৃতিক ঘাস খেয়ে স্থানীয় কৃষকদের গরু, মহিষসহ গৃহপালিত পশু বেড়ে ওঠে। ওই পশু হাওরাঞ্চল সহ দেশের আমিষের চাহিদা পূরণে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে।

তবে এসব গবাদি পশু বিক্রির জন্য নেই কোন হাট। ঝুঁকি নিয়ে অন্য উপজেলা ও জেলাতে গবাদি পশু বিক্রির জন্য যেতে হয়। উপজেলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি এলাকায় পশু বিক্রির হাট স্থাপন। 

খালিয়াজুরী কৃষি ও প্রাণী সম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, ২৯ হাজার ৭৬৪ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এ উপজেলায় ৬৮ টি গ্রামের ৫৪ ওয়ার্ডের ২০ হাজার ১৯৩ টি পরিবারের মধ্যে প্রায় লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। এর মধ্যে ২৮ হাজার ৫৯৬ হেক্টর জমির মধ্যে ২০ হাজার ২৯৩ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষাবাদ করা হয়।

আর অবশিষ্ট ৮ হাজার ৩০৩ হেক্টর জমির প্রায় অর্ধেক রবিশস্য চাষাবাদ করা হয়। অনাবাদী প্রায় ৪ হাজার হেক্টর পতিত জমিতে গরু, মহিষ সহ গবাদি পশু লালন পালন করা হয়। 

উপজেলার যে সব হাওরে গবাদি পশু ঘাসের জন্য উপযোগী। মেন্দিপুর ইউনিয়নের নাওটানা ও চাতলপাড়, পূর্ব জগন্নাথপুর, চাকুয়া ইউনিয়নের চাকুয়া, হারাকান্দি, বল্লী ও শালদিগা, খালিয়াজুরী সদর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর, খালিয়াজুরী, গচিকাই, গাজীপুর ইউনিয়নের গাজীপুর, পাচহাট, নগর ইউনিয়নের নগর, বাঘাটিয়া ও কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর পূর্বা, মুসলিমপুর, কল্যাণপুর ও কুতুবপুর হাওর উল্লেখ যোগ্য।

এসব হাওর গুলোতে পৌষ মাস থেকে বৈশাখ ও জৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত রাখালরা দলবদ্ধভাবে গরু, মহিষ ও অন্যান্য গবাদি পশু লালন পালন করে থাকে। সকাল আটটা থেকে রাখালরা গরু নিয়ে মাঠে চলে যায়। সারাদিন ঘাস খাওয়ানোর পর সন্ধ্যার দিকে বাড়ি ফিরে আসে। এভাবেই চলতে থাকে নিয়মিত রাখালদের গবাদি পশু পালন কাজ। 

খালিয়াজুরী উপজেলায় প্রায় ১০ হাজার কৃষক পরিবারের মধ্যে প্রত্যেক পরিবারেই গরু, মহিষ সহ অন্যান্য গবাদি পশু লালন পালন করা হয়। উপজেলায় ৫২ হাজার ২৯৫ গরু, সাড়ে ৩ হাজার ছাগল, ৪ হাজার ২২৫ ভেড়া, ৩৮৫ মহিষ, ২ লাখ ৯৫ হাজার হাঁস, ২ লাখ ২০ হাজার ৫৮৪ মুরগি রয়েছে। 

রাখাল সুলাইমান ও মামুন মিয়া বলেন, আমরা গরু পালন করি। কেনাবেচার কোন হাট না থাকায় জেলার বিভিন্ন হাট বাজারে ও সুনামগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে গবাদি পশু কেনাবেচা করতে হয়। এতে করে খুবই কষ্ট হয়। সরকার আমাদের এলাকায় একটা পশুর হাট করে দিলে ভাল হয়।

উপজেলার মেন্দিপুর ইউনিয়নের মোঃ রিপন মিয়া, সবুজ মিয়া, চাকোয়া ইউনিয়নের আবুল কাশেম, খালিয়াজুরী সদর ইউনিয়নের মোহাম্মদ রাসেল মিয়া, গাজীপুর ইউনিয়নের মাসুদ মিয়া, মামুন মিয়া, নগর ইউনিয়নের হারাধন দাস ও কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের আব্দুল জব্বার মিয়া বলেন, আমরা প্রত্যেক কৃষকেই জমি চাষাবাদ, মাছ ও গবাদি পশু লালন পালন করে পরিবারের বছরের খরচ মিটানো হয়।

গবাদি পশু কেনাবেচার কোন হাট নেই। উপজেলার বাহিরে মোহনগঞ্জ উপজেলার আদর্শ নগর, মদন উপজেলার দেওয়ান বাজার, কেন্দুয়া উপজেলার চিরাং সহ অন্যান্য বাজার থেকে গরু বেচাকেনা করতে হয়। এটা এলাকার কৃষকদের জন্য খুবই কষ্টকর।

খালিয়াজুরী উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ও গাজীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রব স্বাধীন, সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান কেষ্ট ও জামায়াতে ইসলামীর আমির মোঃ ইসমাইল হোসেন জানায়, উপজেলা গবাদি পশু বেচাকেনার হাট খুবই জরুরী। বিক্রির হাট থাকলে কৃষকগণ এলাকায় গরু কেনাবেচা করতে পারবে।

এতে সরকার হাট ইজারার মাধ্যমে রাজস্ব পাবে। এ জন্য তারা ইউএনওর মাধ্যমে গরু বেচাকেনার হাটের অনুমতির জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হয়েছে। এলাকা বিবেচনায় গবাদি পশু বিক্রির হাট অনুমোদন দেয়া দরকার। 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, উপজেলা গরু বিক্রির হাট জরুরী প্রয়োজন। গরু কেনাবেচার হাট থাকলে কৃষকের কষ্ট লাগব হবে। 

খালিয়াজুরী উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. ভাস্কর তালুকদার জনান, উপজেলায় প্রায় প্রত্যেক কৃষক পরিবারই গবাদি পশু লালন পালন করেন। এগুলো বিক্রির জন্য কোন হাট নেই। উপজেলার সমতল এলাকায় হাট স্থাপন করলে কৃষকদের ভোগান্তি লাগব হতো। 

উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ উজ্জল হোসেন বলেন, উপজেলার জনগণের পক্ষ থেকে গরু বিক্রির হাটের জন্য সাংবাদিক মোঃ আবুল কালাম আজাদ আবেদন করেছেন। আবেদনটি ডিসি স্যারের কাছে পাঠিয়েছি। 

নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাস বলেন, গবাদি পশু বিক্রির জন্য হাট স্থাপনে একটি আবেদন পেয়েছি। তবে হাটের জন্য স্থানীয়দের জমি দান করতে হয়। হাট স্থাপনের জন্য কেহ যদি জায়গা জমি দিতে পারে সেক্ষেত্রে বাজার স্থাপন করা সম্ভব হবে।

এছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে কুরবানীর জন্য অস্থায়ী কিছু হাটের ব্যবস্থা করার জন্য। প্রতিবেদন পাওয়ার পরেই হাটগুলো ইজারার ব্যবস্থা করা হবে। 

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।