মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত হিসেবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
এ অবস্থায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, “সূর্য উঠলে দেখতে পাবেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হয়েছে।”
সোমবার (১২ মে) সকালে বিদেশি একটি সংস্থার প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। সিইসি বলেন, “সরকার গেজেট প্রকাশ করলেই নির্বাচন কমিশন নিবন্ধন বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। এখন পর্যন্ত কোনো গেজেট ইসিতে আসেনি, তাই আমরা কোনো পদক্ষেপ নিইনি।”
তিনি আরও বলেন, “পত্রিকার সংবাদের ভিত্তিতে নয়, আমরা সরকারি গেজেট অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেব।”
এর আগে শনিবার রাত ১১টায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠকে আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, “আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সংশোধনী অনুমোদনের ফলে এখন থেকে কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের বিচার ও শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগ ও তার নেতাদের বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত দলের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে। দেশের সার্বভৌমত্ব, আন্দোলনকারী জনগণের নিরাপত্তা এবং সাক্ষীদের সুরক্ষার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকার শিগগিরই এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করবে।