রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে দুটি চিঠি দেবে বাংলাদেশ

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার প্রেক্ষিতে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে চলেছে বাংলাদেশ সরকার। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে দুটি পৃথক চিঠি পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। আজ রোববার সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টার কার্যালয়ে আয়োজিত এক পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। […]

আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে দুটি চিঠি দেবে বাংলাদেশ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ এপ্রিল ২০২৫, ২৩:১২

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার প্রেক্ষিতে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে চলেছে বাংলাদেশ সরকার। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে দুটি পৃথক চিঠি পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

আজ রোববার সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টার কার্যালয়ে আয়োজিত এক পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। প্রেস সচিব বলেন, একটি চিঠি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বরাবর পাঠানো হবে। অপর চিঠিটি বাণিজ্য উপদেষ্টার পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি কার্যালয় (ইউএসটিআর) বরাবর প্রেরণ করা হবে।

প্রেস সচিব জানান, চিঠির বিষয়বস্তু নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে। বৈঠকে অংশগ্রহণকারী সংশ্লিষ্ট সবাই তাঁদের মতামত দিয়েছেন। তিনি বলেন, “চিঠিতে যাই থাকুক না কেন, তা হবে ব্যবসাবান্ধব। এতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ এবং দুই দেশের পারস্পরিক বাণিজ্যিক লাভ নিশ্চিত করা হবে।”

সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। এতে অংশ নেন চারজন উপদেষ্টা, চারজন ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ (রোহিঙ্গা সংকট ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়াবলি), ১০ জন সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বিডা’র নির্বাহী চেয়ারম্যানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। বৈঠক শেষে উপদেষ্টারা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

শফিকুল আলম বলেন, “পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।”

যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক আরোপের বিষয়ে সরকারের চারটি কর্মপরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন অর্থ উপদেষ্টা। তিনি বলেন,
১. যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত করতে হবে।
২. বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে প্রতিযোগিতামূলক বাজারে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করতে হবে।
৩. যুক্তরাষ্ট্র থেকে পণ্য ছাড়াও বিভিন্ন সেবা আমদানির ওপর জোর দিতে হবে।
৪. দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে অশুল্ক বাধা দূর করতে হবে, যা আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক উভয় পর্যায়েই বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান জানান, শনিবার তিনি যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। রাষ্ট্রদূত ইউএসটিআর-এর সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন এবং সেখান থেকে পাওয়া প্রতিক্রিয়ায় বোঝা যাচ্ছে, উভয় দেশের অবস্থান কাছাকাছি রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই করণীয় চূড়ান্ত হবে।

পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, “বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাককে রক্ষায় সরকার সচেষ্ট। এই খাতে শ্রমিকের মজুরি বর্তমানে সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে, যা আর কমানো সম্ভব নয়। উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

ব্যবসায়ী প্রতিনিধি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্ক আরোপের পর অন্তর্বর্তী সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তা ব্যবসায়ী মহলে স্বস্তি এনে দিয়েছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, সরকারের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পদক্ষেপ না নিলে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়বে।”

তিনি আরও বলেন, “তৈরি পোশাক খাতের বাইরে বাংলাদেশের সামনে আরও অনেক নতুন সুযোগ রয়েছে, যেগুলো চিহ্নিত করে কাজে লাগাতে হবে।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।