রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

‘বাংলাদেশ স্বাধীন করে জামাতকে মাফ করছি বলেই তো আপনারা বেঁচে আছেন’

জামায়াতকে একহাত নিয়ে তীব্র ভাষায় সমালোচনা করলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমান। কিশোরগঞ্জের ইটনায় আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও পথসভায় তিনি বলেন, “যারা একলা নির্বাচন করলে ৩টা সিট পাবে না, তারা এখন ৩০০ সিটের দখলদারি দেখাচ্ছে। প্রশাসন দখল করে বসে আছে। ডিসি, ইউএনও তাদের কথায় উঠে-বসে। অথচ মাঠে দুই পারসেন্ট লোকও নাই। পায়ের ওপর পা তুলে […]

‘বাংলাদেশ স্বাধীন করে জামাতকে মাফ করছি বলেই তো আপনারা বেঁচে আছেন’

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ এপ্রিল ২০২৫, ২৩:২৫

জামায়াতকে একহাত নিয়ে তীব্র ভাষায় সমালোচনা করলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমান। কিশোরগঞ্জের ইটনায় আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী ও পথসভায় তিনি বলেন, “যারা একলা নির্বাচন করলে ৩টা সিট পাবে না, তারা এখন ৩০০ সিটের দখলদারি দেখাচ্ছে। প্রশাসন দখল করে বসে আছে। ডিসি, ইউএনও তাদের কথায় উঠে-বসে। অথচ মাঠে দুই পারসেন্ট লোকও নাই। পায়ের ওপর পা তুলে কথা বলে—এই দম্ভ কোথা থেকে আসে?”

মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) রাত ৯টায় ইটনা সদরের পুরান বাজারে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফজলুর রহমান সরাসরি প্রশ্ন তোলেন, “আপনারা যদি সত্যিকারের বাপের বেটা হন, তাহলে ভোটে আসুন। ইলেকশনে দেখা যাবে দেশের মানুষ কাকে সমর্থন করে, কে ক্ষমতায় যাওয়ার যোগ্যতা রাখে। মুখে মুখে বেটাগিরি না করে মাঠে প্রমাণ দিন।”

জামায়াতের প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, “আপনাদের আমিরকে আমি জিজ্ঞেস করব—আমি কি মিথ্যা বলেছি? তাহলে আপনারা আমার নামে গালিগালাজ করেন কেন? আমাকে ‘ফজু পাগলা’ বলেন কেন? ঠিক আছে, আপনারা পাল্লা নেন, আমরা ধানের শীষ নেব। জনতাকে সিদ্ধান্ত নিতে দিন। যার পক্ষে তারা রায় দেবে, সে-ই দেশ চালাবে।”

ফজলুর রহমান আরও বলেন, “আপনার ভাইয়ের সন্তানের জ্বালায় বাঁচা দায়, তার ওপর এখন সৎ ভাইয়ের সন্তানরাও এসে হাজির। কারা? যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের দালালি করেছে, রাজাকার-আলবদর ছিল। তারা এখন জুতা মারে আমার পোস্টারে। মারুক—কপালেও মারুক। আমি গর্ব করে বলি, বাংলাদেশ স্বাধীন করে তাদের মাফ করেছি বলেই তো আজ বেঁচে আছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে ফজলুর রহমান বলেন, “কলাগাছ কখনও বটগাছের চেয়ে বড় হয় না। অনির্বাচিত সরকার কখনও নির্বাচিত সরকারের চেয়ে বড় হতে পারে না। তারা আজ গণতন্ত্রকে গলা টিপে ধরেছে। আগে বলেছিল ডিসেম্বর মাসে নির্বাচন হবে। এখন বলছে জুনে হবে। এরপর বলবে—জুনে তো আওয়ামী লীগের জন্মদিন, ফ্যাসিস্টদের জন্মমাস, সুতরাং ভোট হবে না। আবার আগস্ট-সেপ্টেম্বর আসলে বলবে—এটা তো আন্দোলনের মাস, বিপ্লবের সময়। আবার পেছাবে। এভাবেই কূটকৌশল করে নির্বাচন পিছিয়ে দিতে চাইছে। কারণ তারা জানে, ভোট হলে বিএনপি ৮০ ভাগ ভোট পাবে।”

সভাপতিত্ব করেন ইটনা সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এম এ ছালেক। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ইটনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম কামাল হোসেন, ফজলুর রহমানের স্ত্রী ও জেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম, ইটনা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান ঠাকুর, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. মনির উদ্দিন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলমসহ বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

রাজনৈতিক মাঠে বিএনপির শক্ত অবস্থান ও জামায়াতের দোলাচল নিয়ে ফজলুর রহমানের এই বক্তব্য স্পষ্ট করে দেয়—এই দেশে গণতন্ত্রের পক্ষে কথা বললেই গালিগালাজ, অপবাদ আর ষড়যন্ত্র শুরু হয়। কিন্তু ভয় পাওয়ার কোনো জায়গা নেই—কারণ জনগণের রায়েই নির্ধারিত হবে কে দেশ চালাবে, আর কে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৪

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৪

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৪