রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

‌‘বাংলাদেশকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত শুল্কমুক্ত সুবিধা দিবে চীন’

চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ডিং শুয়েশিয়াং বৃহস্পতিবার চীনের বেইজিংয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে জানিয়েছেন, এলডিসি গ্রাজুয়েশনের পর বাংলাদেশকে বিদ্যমান শুল্ক ও কোটামুক্ত রপ্তানি সুবিধা আরও দুই বছর বহাল থাকবে। অর্থাৎ, চীনের বাজারে বাংলাদেশের শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা ২০২৮ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। বৈঠকে চীনা কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে। রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য […]

‌‘বাংলাদেশকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত শুল্কমুক্ত সুবিধা দিবে চীন’

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ মার্চ ২০২৫, ২৩:৫০

চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ডিং শুয়েশিয়াং বৃহস্পতিবার চীনের বেইজিংয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে জানিয়েছেন, এলডিসি গ্রাজুয়েশনের পর বাংলাদেশকে বিদ্যমান শুল্ক ও কোটামুক্ত রপ্তানি সুবিধা আরও দুই বছর বহাল থাকবে। অর্থাৎ, চীনের বাজারে বাংলাদেশের শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা ২০২৮ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

বৈঠকে চীনা কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে। রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে আলোচনার পর চীনের সঙ্গে বাণিজ্য সহযোগিতা বৃদ্ধির এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

২০২৬ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের এলডিসি গ্রাজুয়েশন হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্র তিন বছর পর্যন্ত শুল্কমুক্ত সুবিধা অব্যাহত রাখবে। তবে কানাডা এই সুবিধা দেওয়ার অঙ্গীকার করলেও এখনও তাদের আইন-কানুনে পরিবর্তন আনেনি। জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের কাছ থেকেও একই সুবিধা চাওয়া হলেও এখনো কোনো প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়নি।

২০২২ সালে চীন তার বাজারে বাংলাদেশকে ৯৯ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিলেও বাংলাদেশ সেই সুযোগ যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারেনি। বরং, দেশটিতে রপ্তানি আরও কমেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যানুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ চীনে ৬৭৭ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৬৮৩ মিলিয়ন ডলার।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশ্লেষক ও র‌্যাপিড এর চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম এ রাজ্জাক মন্তব্য করেছেন, “সক্ষমতা না থাকায় এলডিসি হিসেবে চীনের দেওয়া শুল্কমুক্ত সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ। এ কারণে চীন হয়তো দুই বছর সুবিধা বাড়িয়ে দিচ্ছে। তবে, চীনা বিনিয়োগসহ রপ্তানিখাতে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা গেলে এ সুবিধাও খুব বেশি কাজে লাগাতে পারবে না বাংলাদেশ।”

তিনি আরও বলেন, “চীন বিশ্বের বৃহত্তম ট্রেডিং ইকোনমি। এই বাজারে দীর্ঘসময় শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়া বাংলাদেশের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এ সুবিধা পেতে বাংলাদেশকে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ নিতে হবে। বিশেষ করে ডব্লিউটিও’র নীতি অনুযায়ী উন্নত দেশের সঙ্গে এফটিএ করতে হলে ৯৯% পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিতে হয়। তবে চীন যেহেতু এখনও উন্নয়নশীল দেশ, তাই ১০% পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা না দিলেও বাংলাদেশ ২০২৮ সালের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে শতভাগ পণ্যে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা আদায় করে নিতে পারে।”

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগের পরিমাণ ক্রমেই কমছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে চীনের বিনিয়োগ ছিল ১.১৫ বিলিয়ন ডলার। ২০০০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত দেশটির মোট বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে ১.২৫ বিলিয়ন ডলার।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের আমলে চীনা পণ্যের ওপর বাড়তি শুল্কারোপের কারণে চীনা কোম্পানিগুলো অন্যান্য দেশে স্থানান্তরিত হচ্ছে। এই অবস্থায় বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ আকৃষ্ট করাই ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এই সফরের অন্যতম লক্ষ্য।

এ বিষয়ে ড. এম এ রাজ্জাক বলেন, “চীনের বেসরকারি বিনিয়োগ পাওয়ার জন্য চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চাইনিজ ইকোনমিক জোন স্থাপনে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। চীনের বিনিয়োগকারীরা সুপার ইফিসিয়েন্ট। তাই প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নিশ্চিত করা গেলে তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত হবে।”

চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ডিং শুয়েশিয়াং জানান, চীনা সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আরও বেশি স্কলারশিপ প্রদান করবে। বর্তমানে হাজার হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে। চীনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

এছাড়া, বাংলাদেশ শিগগিরই চীনে আম রপ্তানি শুরু করবে। বেইজিং কাঁঠাল, পেয়ারা এবং অন্যান্য জলজ পণ্যও আমদানি করতে আগ্রহী। যা দুই দেশের বাণিজ্য ভারসাম্যের বিশাল ব্যবধান কমাতে সহায়ক হবে।

চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ঢাকার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের জন্য চারটি সমুদ্রগামী জাহাজ ক্রয়ের ক্ষেত্রে চীনের অর্থায়নের আশ্বাস দেন।

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের প্রচেষ্টায় চীন বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে নিয়ে সংলাপের উদ্যোগ নেবে বলেও জানান তিনি।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস চীনের নেতৃত্বের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “বৃহস্পতিবারের এই বৈঠক ক্রমবর্ধমান বাংলাদেশ-চীন অংশীদারিত্বের আরেকটি মাইলফলক চিহ্নিত করল। আসুন, আমরা একসঙ্গে কাজ করার সংকল্প গ্রহণ করি যাতে আমাদের দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয় এবং বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক অংশীদারিত্বের একটি নতুন যুগের সূচনা হয়।”

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন, জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান, প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান এবং বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।