রবিবার, ১০ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ক্রিকেট

২২ মিনিট কার্যত বন্ধ ছিলো তামিমের হার্ট, বর্তমান অবস্থা স্থিতিশীল

বাংলাদেশের ক্রিকেটের অন্যতম সফল ব্যাটার ও সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল রীতিমতো মৃত্যুর কাছ থেকে ফিরে এসেছেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার হার্ট কয়েকবার সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে চিকিৎসকদের আপ্রাণ প্রচেষ্টায় আবারো সচল হয় হৃদযন্ত্র। এখনো পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত বলা যাচ্ছে না, তবে এটাকে অবিশ্বাস্য কামব্যাকই বললেন দেবব্রত মুখোপাধ্যায়! তিনি তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে জানান, তামিমকে বাঁচাতে ২২ […]

২২ মিনিট কার্যত বন্ধ ছিলো তামিমের হার্ট, বর্তমান অবস্থা স্থিতিশীল

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৪ মার্চ ২০২৫, ১৬:১০

বাংলাদেশের ক্রিকেটের অন্যতম সফল ব্যাটার ও সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল রীতিমতো মৃত্যুর কাছ থেকে ফিরে এসেছেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার হার্ট কয়েকবার সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

তবে চিকিৎসকদের আপ্রাণ প্রচেষ্টায় আবারো সচল হয় হৃদযন্ত্র। এখনো পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত বলা যাচ্ছে না, তবে এটাকে অবিশ্বাস্য কামব্যাকই বললেন দেবব্রত মুখোপাধ্যায়!

তিনি তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে জানান, তামিমকে বাঁচাতে ২২ মিনিট ধরে সিপিআর (কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন) দেওয়া হয়েছে এবং তিনবার ডিসি শক (ডিফিব্রিলেশন) প্রয়োগ করা হয়। এই সময় তার হার্ট কার্যত বন্ধ ছিল। গুগলে একবার সার্চ করলেই বোঝা যাবে, এ ধরনের অবস্থা থেকে ফিরে আসা কতটা বিরল ঘটনা।

তামিমকে প্রথমে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়া হলেও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানান্তর করা হয়। এনজিওগ্রামের মাধ্যমে তার হার্টে ব্লক ধরা পড়ে এবং জরুরি ভিত্তিতে স্টেন্ট (রিং) বসানো হয়।

বর্তমানে তিনি নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন, এবং চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থার উপর গভীর নজর রাখছেন।

এখনও পুরোপুরি আশ্বস্ত হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি, তবে তামিমের লড়াই এবং চিকিৎসকদের প্রচেষ্টায় তার ফেরার সম্ভাবনা উজ্জ্বল। ক্রিকেটবিশ্ব তার সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছে—ফিরে আসুন, তামিম!

খেলা

“ভাই, ক্রিকেটের অনেক বড় ক্ষতি করে দিলেন”- ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ‘দুই’ হস্তক্ষেপে মুখ খুললেন বুলবুল

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)। মূলত চলতি বছরের জানুয়ারিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বিসিসিআই বাদ দিলে দুই দেশেরে সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। এর প্রতিবাদে শেষ পর্যন্ত আর বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বাংলাদেশ দল। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনর্গঠনের লক্ষ্যে সম্প্রতি বিসিসিআইকে এক চিঠি দেয় বিসিবি। […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২১:০৮

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)। মূলত চলতি বছরের জানুয়ারিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বিসিসিআই বাদ দিলে দুই দেশেরে সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। এর প্রতিবাদে শেষ পর্যন্ত আর বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বাংলাদেশ দল।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনর্গঠনের লক্ষ্যে সম্প্রতি বিসিসিআইকে এক চিঠি দেয় বিসিবি। ধারণা করা হয়েছিল দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সম্পর্ক উন্নয়নে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে এবার জানা গেলো বিসিবির পক্ষ থেকে চিঠিটি পাঠিয়েছেন বর্তমান সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

দেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সদ্য সাবেক বিসিবি প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘তাকে (যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হককে) একটা কথা বলবো, আপনি ভাই ক্রিকেটের অনেক বড় ক্ষতি করে দিলেন।

ওনার দুটি হস্তক্ষেপের কথা বলতে পারি, প্রথম দিনই উনি সরাসরি প্রধান নির্বাহীকে ফোন করলেন সাংবাদিকদের ভেতরে ঢুকতে দিতে। আরেকটা হলো, কয়েক দিন আগে দেখেছেন বিসিবি একটা চিঠি দিয়েছে বিসিসিআইকে। এটা উনি সিইওর সঙ্গে বসে করেছেন, আমি শুধু কপিতে ছিলাম।

এই যে সিস্টেমটাকে নষ্ট করে ফেলছে, এর দায় কে নেবে। আমি তো চলে যাবো, হয়তো আর কোনো দিনও আসবো না। কিন্তু আপনারা তো এখানে থাকবেন, আপনাদের এই ক্রিকেটটাকে তো বাঁচাতে হবে।’

সম্প্রতি ভেঙে দেওয়া হয় আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে প্রধান করে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। তবে এখনও নিজেকে বিসিবির বৈধ সভাপতি দাবি করেছেন বুলবুল।

তিনি বলেন, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে আমিই এখনো বিসিবি সভাপতি। যারা বোর্ড ভেঙেছে, তারা তা করতে পারে না, এখতিয়ারে নেই।’

খেলা

তামিমের নেতৃত্বাধীন কমিটি ‘অবৈধ’, আইসিসির হস্তক্ষেপ চাইলেন বুলবুল

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) তদন্ত প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন ও আইনসম্মত নয় বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। একই সঙ্গে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত অ্যাডহক কমিটিকে ‘অসাংবিধানিক’ উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দৃষ্টি আকর্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এনএসসি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এক বিবৃতিতে নিজের […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২১

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) তদন্ত প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন ও আইনসম্মত নয় বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। একই সঙ্গে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত অ্যাডহক কমিটিকে ‘অসাংবিধানিক’ উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দৃষ্টি আকর্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এনএসসি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এক বিবৃতিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন বুলবুল। তার দাবি, ৫ এপ্রিল প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদনটি আইনগতভাবে টেকসই নয় এবং এতে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনকে বৈধ ও স্বচ্ছ বলেই উল্লেখ করেছেন তিনি। বুলবুল জানান, ওই নির্বাচনের জন্য ৬ সেপ্টেম্বর একটি তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়।

এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন। কমিশনের অন্য সদস্য ছিলেন অতিরিক্ত আইজিপি ও সিআইডি প্রধান সিবগাত উল্লাহ এবং এনএসসির নির্বাহী পরিচালক।
নির্বাচনকে ঘিরে ১৫টি ক্লাব ও তামিম ইকবালের কাউন্সিলরশিপ নিয়ে ওঠা আপত্তিগুলোও আগেই নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানান বুলবুল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বর আধা-বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসব বিরোধের সমাধান করা হয়।

এনএসসির এই তদন্তকে এখতিয়ারবহির্ভূত আখ্যা দিয়ে বুলবুল বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নীতিমালা অনুযায়ী বোর্ড পরিচালনায় সরকারি হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে পরিচালিত এই তদন্তকে তিনি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও মন্তব্য করেন।

অ্যাডহক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তকে ‘সাংবিধানিক অভ্যুত্থান’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি স্পষ্ট করেন, এই কমিটির কোনো বৈধতা নেই এবং তারা এটিকে স্বীকৃতি দিচ্ছেন না।

বিবৃতির শেষাংশে বুলবুল সতর্ক করে বলেন, এমন হস্তক্ষেপ অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের ক্রিকেট আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেতিবাচক প্রভাবের মুখে পড়তে পারে। এতে বিনিয়োগকারী ও বৈশ্বিক অংশীদারদের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি তরুণ ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

হাইকোর্টের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত নিজেকেই বিসিবির একমাত্র বৈধ সভাপতি হিসেবে দাবি করে আইসিসির জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বুলবুল।

‘২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর নিরপেক্ষ তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের বৈধতা কোনো সরকারি সংস্থা পরবর্তীতে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে না। হাইকোর্ট অন্য কোনো রায় না দেওয়া পর্যন্ত আমিই বিসিবির একমাত্র বৈধ সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে আছি।’

খেলা

‘আমিই বিসিবির বৈধ সভাপতি’: বুলবুল

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বিদায়ি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন অ্যাডহক কমিটিকে অবৈধ দাবি করে আইসিসির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সেই সঙ্গে তিনি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন। তার মতে, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ত্রুটিপূর্ণ, মনগড়া ও আইনি ভিত্তিহীন। নিজেকে বিসিবির বৈধ সভাপতি হিসাবে দাবি করেন আমিনুল। তিনি বলেন, ‘আমিই […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৭

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বিদায়ি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন অ্যাডহক কমিটিকে অবৈধ দাবি করে আইসিসির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সেই সঙ্গে তিনি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন।

তার মতে, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ত্রুটিপূর্ণ, মনগড়া ও আইনি ভিত্তিহীন। নিজেকে বিসিবির বৈধ সভাপতি হিসাবে দাবি করেন আমিনুল। তিনি বলেন, ‘আমিই বিসিবির বৈধ সভাপতি।’

তার মতে, রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষী কিছু সাবেক খেলোয়াড় বোর্ডকে অস্থিতিশীল করতে এই নির্বাচন ফিক্সিংয়ের গল্প সাজাচ্ছেন।

বিবৃতিতে তিনি জানান, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসাবে বিসিবির অভ্যন্তরীণ নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করার আইনি অধিকার এনএসসির নেই। এটি আইসিসির গঠনতন্ত্রের সরাসরি লঙ্ঘন।