বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

ছাত্র রাজনীতি বন্ধের সিদ্ধান্ততে প্রতিবাদ জানিয়েছে ডিআইইউর ছাত্র সংগঠনগুলো

ডিআইইউ প্রতিনিধি:  সম্প্রতি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) ছাত্ররাজনীতি বন্ধের ঘোষণার পর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংগঠনগুলো৷  তারা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়টির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সভাপতি শামীম হায়দার পাটোয়ারী ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ লালন পালন করেছেন৷ ছাত্রলীগকে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়েছেন৷ বিনিময় ছাত্রলীগ তার হয়ে কাজ করেছেন৷ তারা ছাত্র রাজনীতির নামে ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার করেছেন যার ফলে সাধারণ […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০২ মার্চ ২০২৫, ২২:৫৩

ডিআইইউ প্রতিনিধি: 

সম্প্রতি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) ছাত্ররাজনীতি বন্ধের ঘোষণার পর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংগঠনগুলো৷ 

তারা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়টির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সভাপতি শামীম হায়দার পাটোয়ারী ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ লালন পালন করেছেন৷ ছাত্রলীগকে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়েছেন৷ বিনিময় ছাত্রলীগ তার হয়ে কাজ করেছেন৷ তারা ছাত্র রাজনীতির নামে ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার করেছেন যার ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের কোন অধিকারের বিষয়ে কথা বলতে সাহস পায় নাই৷ 

রোববার (২ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন ছাত্র নেতারা৷ এর আগে গত শুক্রবার (২৮শে ফেব্রুয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়টির রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতির নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কোড অব কন্ডাক্ট, ভর্তির নীতিমালা ও শর্তানুযায়ী ক্যাম্পাসে রাজনীতি নিষিদ্ধ। এমতাবস্থায়, ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাস সীমানায় শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক কার্যক্রম না করার জন্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে বিশেষভাবে বলা যাচ্ছে।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সকল শিক্ষার্থীকে নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। 

এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ডিআইইউ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাকিবুল হাসান চাঁদ বলেন, শামীম হায়দার পাটোয়ারী ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ লালন পালন করেছেন৷ ছাত্রলীগকে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়েছেন বিনিময় ছাত্রলীগ তার হয়ে কাজ করেছেন৷ তারা ছাত্র রাজনীতির নামে ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার করেছেন যার ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের কোন অধিকারের বিষয়ে কথা বলতে সাহস পায় নাই৷ তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার হরণসহ অনেক অনিয়ম করেছেন৷ তার পালিত ছাত্রলীগের ভয়ে শিক্ষার্থীরা কোন কথা বলে নাই।  

রাকিবুল বলেন, আপনারা দেখবেন ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি কার্যক্রম না করার নির্দেশ দেওয়ার দুই দিন আগে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার বাস্তবায়নে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দরা।  

তিনি আরও বলেন, মূলত ছাত্রদল সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে কথা বলতে শুরু করেছে এই ভয়ে উনি ক্যাম্পাসের ছাত্র রাজনৈতিক মূলক কার্যক্রম না করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি যতই নির্দেশ দেন না কেন আমরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।  

অন্যদিকে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের সংগঠক মো: মুহতাসিম ফুয়াদ বলেন, আমি বিশ্বাস করি, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনীতির মাত্রা নির্ধারণের মূল দায়িত্ব প্রতিষ্ঠানটির প্রাইম স্টেকহোল্ডারদের—অর্থাৎ সংখ্যাগরিষ্ঠ শিক্ষার্থীদের, অভিভাবকদের, শিক্ষকদের এবং প্রশাসনের। রাজনীতি করা প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার, তবে সেটি যেন শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত না করে, সেদিকে লক্ষ্য রাখা জরুরি।  

একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য যথাযথ প্রতিনিধিত্ব থাকা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে এবং নীতিনির্ধারণে ভূমিকা রাখার জন্য একটি কার্যকর স্টুডেন্ট কাউন্সিল থাকা অপরিহার্য। এটি শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করবে এবং প্রশাসনের সঙ্গে একটি কার্যকর যোগাযোগ স্থাপন করবে।  

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ সুরক্ষিত রেখে, গঠনমূলক উপায়ে শিক্ষার্থীদের মতপ্রকাশের সুযোগ থাকা উচিত। আমি আশা করি, প্রশাসন ও শিক্ষার্থীরা যৌথভাবে এমন একটি কাঠামো গড়ে তুলবে, যা শিক্ষার্থীদের কল্যাণ নিশ্চিত করবে এবং শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখবে।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।