শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

ছাত্র রাজনীতি বন্ধের সিদ্ধান্ততে প্রতিবাদ জানিয়েছে ডিআইইউর ছাত্র সংগঠনগুলো

ডিআইইউ প্রতিনিধি:  সম্প্রতি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) ছাত্ররাজনীতি বন্ধের ঘোষণার পর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংগঠনগুলো৷  তারা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়টির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সভাপতি শামীম হায়দার পাটোয়ারী ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ লালন পালন করেছেন৷ ছাত্রলীগকে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়েছেন৷ বিনিময় ছাত্রলীগ তার হয়ে কাজ করেছেন৷ তারা ছাত্র রাজনীতির নামে ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার করেছেন যার ফলে সাধারণ […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০২ মার্চ ২০২৫, ২২:৫৩

ডিআইইউ প্রতিনিধি: 

সম্প্রতি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) ছাত্ররাজনীতি বন্ধের ঘোষণার পর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংগঠনগুলো৷ 

তারা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়টির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সভাপতি শামীম হায়দার পাটোয়ারী ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ লালন পালন করেছেন৷ ছাত্রলীগকে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়েছেন৷ বিনিময় ছাত্রলীগ তার হয়ে কাজ করেছেন৷ তারা ছাত্র রাজনীতির নামে ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার করেছেন যার ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের কোন অধিকারের বিষয়ে কথা বলতে সাহস পায় নাই৷ 

রোববার (২ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন ছাত্র নেতারা৷ এর আগে গত শুক্রবার (২৮শে ফেব্রুয়ারি) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়টির রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতির নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কোড অব কন্ডাক্ট, ভর্তির নীতিমালা ও শর্তানুযায়ী ক্যাম্পাসে রাজনীতি নিষিদ্ধ। এমতাবস্থায়, ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাস সীমানায় শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক কার্যক্রম না করার জন্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে বিশেষভাবে বলা যাচ্ছে।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সকল শিক্ষার্থীকে নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। 

এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ডিআইইউ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাকিবুল হাসান চাঁদ বলেন, শামীম হায়দার পাটোয়ারী ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ লালন পালন করেছেন৷ ছাত্রলীগকে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়েছেন বিনিময় ছাত্রলীগ তার হয়ে কাজ করেছেন৷ তারা ছাত্র রাজনীতির নামে ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার করেছেন যার ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের কোন অধিকারের বিষয়ে কথা বলতে সাহস পায় নাই৷ তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার হরণসহ অনেক অনিয়ম করেছেন৷ তার পালিত ছাত্রলীগের ভয়ে শিক্ষার্থীরা কোন কথা বলে নাই।  

রাকিবুল বলেন, আপনারা দেখবেন ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি কার্যক্রম না করার নির্দেশ দেওয়ার দুই দিন আগে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার বাস্তবায়নে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দরা।  

তিনি আরও বলেন, মূলত ছাত্রদল সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে কথা বলতে শুরু করেছে এই ভয়ে উনি ক্যাম্পাসের ছাত্র রাজনৈতিক মূলক কার্যক্রম না করার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি যতই নির্দেশ দেন না কেন আমরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।  

অন্যদিকে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের সংগঠক মো: মুহতাসিম ফুয়াদ বলেন, আমি বিশ্বাস করি, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনীতির মাত্রা নির্ধারণের মূল দায়িত্ব প্রতিষ্ঠানটির প্রাইম স্টেকহোল্ডারদের—অর্থাৎ সংখ্যাগরিষ্ঠ শিক্ষার্থীদের, অভিভাবকদের, শিক্ষকদের এবং প্রশাসনের। রাজনীতি করা প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার, তবে সেটি যেন শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত না করে, সেদিকে লক্ষ্য রাখা জরুরি।  

একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য যথাযথ প্রতিনিধিত্ব থাকা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে এবং নীতিনির্ধারণে ভূমিকা রাখার জন্য একটি কার্যকর স্টুডেন্ট কাউন্সিল থাকা অপরিহার্য। এটি শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করবে এবং প্রশাসনের সঙ্গে একটি কার্যকর যোগাযোগ স্থাপন করবে।  

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ সুরক্ষিত রেখে, গঠনমূলক উপায়ে শিক্ষার্থীদের মতপ্রকাশের সুযোগ থাকা উচিত। আমি আশা করি, প্রশাসন ও শিক্ষার্থীরা যৌথভাবে এমন একটি কাঠামো গড়ে তুলবে, যা শিক্ষার্থীদের কল্যাণ নিশ্চিত করবে এবং শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখবে।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।