শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করতে হবে: সামান্তা

মোঃ তানসেন আবেদীন, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জে জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে ‘জুলাই অভ্যুত্থানে নারীর ভূমিকা’ শীর্ষক নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ৩টায় নগরীর আলী আহম্মদ চুনকা নগর মিলনায়তনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী রুপন্তী আজমলের সঞ্চালনায় এবং জাতীয় নাগরিক কমিটির নারী বিষয়ক সেলের সম্পাদক সাদিয়া ফারজানা দিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে […]

নিউজ ডেস্ক

২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ২১:৫১

মোঃ তানসেন আবেদীন, নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি :

নারায়ণগঞ্জে জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে ‘জুলাই অভ্যুত্থানে নারীর ভূমিকা’ শীর্ষক নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ৩টায় নগরীর আলী আহম্মদ চুনকা নগর মিলনায়তনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী রুপন্তী আজমলের সঞ্চালনায় এবং জাতীয় নাগরিক কমিটির নারী বিষয়ক সেলের সম্পাদক সাদিয়া ফারজানা দিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখপাত্র সামান্তা শারমিন।

জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখপাত্র সামান্তা শারমিন তার বক্তব্যে বলেন, “শেখ হাসিনা নারী নেতৃত্বের নামে নারীদের পিছিয়ে রাখার অপকৌশল নিয়েছে। সংরক্ষিত আসনের নামে নারী নেতৃত্ব তৈরিতে বাধা দিয়েছে এবং দলীয় প্রয়োজনে কিছু নারীকে শুধু দেখানোর জন্য সামনে এনেছে।”

তিনি আরও বলেন, “আওয়ামী লীগ শুধু পুরুষদের ওপর দমন-পীড়ন চালায়নি, নারীদেরও এই দমননীতির শিকার হতে হয়েছে। যেসব পুরুষ আন্দোলনে ছিল, তাদের পরিবারের নারীরাও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এই দমননীতির বিচার আমাদের চাইতে হবে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে তার বিচার করতে হবে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “উপদেষ্টা পরিষদে পর্যাপ্ত নারীর উপস্থিতি নেই। কিভাবে নারীদের এই সেক্টরে যুক্ত করতে হবে, সেটি আমাদেরই বের করতে হবে। আমরা শুধু বিচার চাইছি না, বরং সংস্কার ও গণপরিষদ নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি। একের পর এক প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন হতে পারে না। গণপরিষদ নির্বাচন অবশ্যই আগে হতে হবে এবং সংবিধান পুনরায় লিখতে হবে।”

সামান্তা শারমিন আরও বলেন, “ক্যাম্পাসে নতুন রাজনীতি গড়ে উঠছে। আমরা চাই নারীরা এখানে সক্রিয়ভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করুক। নতুন রাজনৈতিক দলে নারীদের অবস্থান রাখতে হবে এবং তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গায় আনতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “জুলাই আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা ছিল অগ্রগামী। তারা কোটার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে বলেছে, ‘আমাদের কোটা প্রয়োজন নেই, মেধার ভিত্তিতে বণ্টন নিশ্চিত করুন।’ তারা আওয়ামী লীগের বয়ান ভেঙে হল থেকে বেরিয়ে এসে প্রমাণ করেছে যে, তারা নিজেদের অধিকারের বিষয়ে সচেতন।”

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক নুসরাত তাবাসসুম বলেন, “বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারীরা সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। নারীরা ভালো-মন্দের বোধ বেশি রাখেন, কারণ তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিক শিক্ষা দিতে হয়। নারী ও পুরুষের ভোট সমান ক্ষমতা বহন করে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের নতুন রাজনৈতিক দলে জনমত সংগ্রহের সময় নারীদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। আমরা চাই, বিচার ও সংস্কারের দাবি অব্যাহত থাকুক। একজন নারী যখন বলেন, ‘আমি শেখ হাসিনার বিচার চাই’, তখন সেটি অনেক বেশি শক্তিশালী বার্তা বহন করে।”

জাতীয় নাগরিক কমিটির নারী বিষয়ক সেলের সম্পাদক সাদিয়া ফারজানা দিনা বলেন, “আমরা মেয়েরা সকল কিছুর বিচার চাই। আন্দোলনের সময় আমরা সম্মুখ সারিতে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করেছি। আমরা চাই এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করতে যাতে নারীরা কোনো বাধার সম্মুখীন না হয়। আমরা নারীদের বিচরণের ক্ষেত্র তৈরি করে দেবো সংস্কার ও দেশ গঠনের মাধ্যমে।”

জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য নাহিদা সারোয়ার নিভা বলেন, “একটি রাষ্ট্রের অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে পিছিয়ে রেখে কখনো উন্নতি করা সম্ভব নয়। নারীদের বোঝানো হয় যে, তারা কিছু করতে পারবে না, কিন্তু আমরা বলতে চাই, নারীদের নিয়েও পরিবর্তন সম্ভব। আমরা নারীদের রাজনৈতিক সক্ষমতা দেখিয়ে দিতে চাই।”

সমাবেশে জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

আন্দোলনে দুই চোখ হারানো শিক্ষার্থী মাহবুবের মা বলেন, “আমার ছেলে আন্দোলনে গিয়ে দুটি চোখ হারিয়েছে। এখন সে ঘরে বন্দি। আমাদের পুরো পরিবার এখন অন্ধকারে। আমরা দোষীদের বিচার চাই, শেখ হাসিনার বিচার চাই।”

আড়াইহাজারের ছাত্র আন্দোলনের সংগঠক মুনিয়া ইসলাম বলেন, “দেশ গড়ার জন্য আমরা আন্দোলনে নেমেছিলাম। এখন আমাদের একমাত্র লক্ষ্য সংস্কারের মাধ্যমে দেশকে পুনর্গঠন করা।”

এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, সংস্কৃতি সেলের সম্পাদক তাজনুভা জাবীন, শহীদ ও আহত সেলের সম্পাদক ডা. মাহমুদা মিতু, কেন্দ্রীয় সদস্য নাহিদা সারোয়ার নিভা।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব আল-আমিন, কেন্দ্রীয় সদস্য শওকত আলী নারায়ণগঞ্জ সদর থানা আহ্বায়ক কমিটির সংগঠক আহমেদুর রহমান তনু, লুবনা রহমান, নারায়ণগঞ্জে আন্দোলনে আহত ও শহীদ পরিবারের নারী সদস্যরা।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।