সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বাবার কবরের পাশে’ই ঠাঁই হয়েছে ‘প্রতিবিপ্লবের প্রথম শহীদ’ আবুল কাশেম এর

গাজীপুরে প্রতিবিপ্লবের প্রথম শহীদ আবুল কাশেমের শেষ ঠাঁই হয়েছে বাবার কবরের পাশে বরই গাছ তলায়। বৃহষ্পতিবার বাদ জোহর সর্বশেষ জানাজা শেষে তাকে মহানগরীর গাছা থানাধীন বোর্ডবাজারের দক্ষিণ কলমেশ্বর এলাকার পারিবারক কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানা গেছে, গত শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে গাজীপুর মহানগরীর সদর থানার ধীরাশ্রমের দাক্ষিণখান এলাকায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আওয়ামী লীগ […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৯:০০

গাজীপুরে প্রতিবিপ্লবের প্রথম শহীদ আবুল কাশেমের শেষ ঠাঁই হয়েছে বাবার কবরের পাশে বরই গাছ তলায়। বৃহষ্পতিবার বাদ জোহর সর্বশেষ জানাজা শেষে তাকে মহানগরীর গাছা থানাধীন বোর্ডবাজারের দক্ষিণ কলমেশ্বর এলাকার পারিবারক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

জানা গেছে, গত শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে গাজীপুর মহানগরীর সদর থানার ধীরাশ্রমের দাক্ষিণখান এলাকায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আ. ক. ম. মোজাম্মেল হকের বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের খবর পেয়ে তা প্রতিহত করতে ঘটনাস্থলে যায় বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ছাত্র জনতা। এসময় আওয়ামী লীগ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা ওই বাড়ি ঘিরে ফেলে।

তারা বেশ কয়েকজনকে আটক করে বেধড়ক মারধোর করে ও কোপায়। এতে আবুল কাশেমসহ ১৭ জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

পরে সেখান থেকে ওই রাতেই গুরুতর আহত মোঃ কাশেম (১৮)সহ ৭জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর হয়। ঢামেক হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আই সি ইউ) ১৬ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার বিকেল ৩টার দিকে মারা যান তিনি। তার মৃত্যুর খবরে রাতেই গাজীপুর শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ছাত্র জনতা। এতে আবারো উত্তাল হয়ে উঠে গাজীপুর।

এদিকে বুধবার রাত ১১টার দিকে ঢাকা থেকে লাশবাহী একটি ফ্রিজিং গাড়িতে করে নিহত আবুল কাশেমের লাশ তার গ্রামের বাড়ি গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানাধীন বোর্ডবাজারের দক্ষিণ কলমেশ্বর এলাকার গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। পিতা-মাতা হারানো প্রিয় আবুল কাশেমের লাশ দেখে স্বজনেরাসহ বন্ধু ও এলাকাবাসিরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

তাদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে উঠে। এসময় বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ছাত্ররাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সংগঠণের নেতা-কর্মীসহ এলাকাবাসি এবং স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় গাজীপুর শহরের ভাওয়াল রাজবাড়ি মাঠে আবুল কাশেমের জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠণের ব্যক্তিবর্গসহ শত শত লোক উপস্থিত ছিলেন।

পরে তার লাশ নেওয়া হয় মহানগরীর ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের বোর্ডবাজারের আল-হেরা ফিলিং স্টেশন মাঠে। বাদ জোহর আরো একটি জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ এ জানাজা শেষে তাকে দক্ষিণ কলেশ্বর এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে বাবার কবরের ডান পাশে বরই গাছ তলায় দাফন করা হয়।

ভাওয়াল রাজবাড়ি মাঠে অনুষ্ঠিত জানাজায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার ডা. নাজমুল করিম খান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মামুনুর রশিদ, গাজীপুর মহানগর জামায়াতের আমীর অধ্যাপক জামাল উদ্দিন, ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি ও সদর মেট্রো থানা জামায়াতের আমীর সালাহ উদ্দিন আইউবী, মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর মোঃ হোসেন আলী, সদর মেট্রো বিএনপির সভাপতি অ্যাড. মেহেদী হাসান এলিস, টঙ্গী পশ্চিম থানার বিএনপির সভাপতি প্রভাষক বশির আহমেদ, জেলা হেফাজত ইসলামের যুগ্ন সম্পাদক মুফতি নাসির উদ্দিন, ফ্যাসিবাদ বিরোধী তৃণমূল মঞ্চের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাড. নজরুল ইসলাম বিকি প্রমূখ বক্তব্য রাখেন। এসময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সদস্য ইমতিয়াজ আহমেদ তানভীর ও জেলা শাখার সদস্য সচিব নাসেরও বক্তব্য রাখেন।

এদিকে জিএমপি’র সদর থানার ওসি মেহেদী হাসান জানান, ৭ ফেব্রুয়ারির ঘটনায় বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের গাজীপুর জেলার আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল মুহিম বাদী হয়ে গত ৯ ফেব্রুয়ারি থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলায় ২৩৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ২শ’ থেকে ৩শ’ জনকে আসামী করা হয়েছে। ওই ঘটনায় আহত আবুল কাশেমের মৃত্যুতে আগের মামলার সঙ্গে নতুন করে এটি হত্যা মামলা সংযুক্ত করা হবে। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। […]

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৬, ১০:২৮

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগেও এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল।

ঘটনার দিন রাফি একা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় পথে কালু, পারভেজ ও তাদের কয়েকজন সহযোগী আড্ডা দিচ্ছিল। রাফিকে একা দেখে তারা তাকে থামানোর চেষ্টা করে। প্রথমে কালু তাকে আটকাতে ব্যর্থ হলে সামনে অবস্থান নেওয়া পারভেজ একটি বড় ইটের টুকরো দিয়ে রাফির মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে অভিযুক্তরা আহত রাফিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর র‌্যাব-৪-এর আভিযানিক দল জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।