বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীদের দাবি প্রীতিলতা হল: বুটেক্স প্রশাসন এখনও শেখ হাসিনা হলের নাম পরিবর্তনে ব্যর্থ

মোঃ আলী মোর্তজা, বুটেক্স প্রতিনিধি ছাত্রজনতার আন্দোলন তথা জুলাই বিপ্লবের পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) শেখ হাসিনা হলের নাম পরিবর্তন করা হয়নি। শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন হলেও বুটেক্স প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। গত […]

নিউজ ডেস্ক

২০ জানুয়ারী ২০২৫, ১১:৫৫

মোঃ আলী মোর্তজা, বুটেক্স প্রতিনিধি

ছাত্রজনতার আন্দোলন তথা জুলাই বিপ্লবের পাঁচ মাস পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) শেখ হাসিনা হলের নাম পরিবর্তন করা হয়নি। শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন হলেও বুটেক্স প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

গত বছরের ৩ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় হলের আবাসিক ছাত্রীরা শেখ হাসিনা হলের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব করেন। তারা ‘প্রীতিলতা হল’ নামটি নির্বাচন করেন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অগ্রদূত প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের অবদান স্মরণ করে। ছাত্রীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভোটের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং হলের পুরোনো নামফলকও সরিয়ে ফেলা হয়।

তবে নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব সিন্ডিকেট মিটিংয়ে অনুমোদন পায়নি। সিন্ডিকেট সদস্যদের মতে, প্রীতিলতা নাম রাখার যৌক্তিকতা নেই। আন্দোলনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ অন্য নাম প্রস্তাব করতে বলা হয়।

এরপর হলের শিক্ষার্থীদের প্রস্তাবিত নতুন নামগুলো ছিল নবাব ফয়জুন্নেসা, জাহানারা ইমাম, ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম, সুফিয়া কামাল এবং বেগম রোকেয়া। শিক্ষার্থীরা এগুলো নিয়ে আবার আবেদন করেন। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

৪৮তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থী জানান, ডিসেম্বরের সিন্ডিকেট মিটিংয়ে নাম চূড়ান্ত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু মিটিং শেষে কোনো আপডেট দেওয়া হয়নি। তার মতে, একটি আবাসিক হলের নাম ঐতিহাসিক বা সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তির নামে হওয়া উচিত, কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তির নামে নয়।

অন্য এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, হলের নামফলক না থাকায় এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের হল হিসেবে বোঝা যায় না। সন্ধ্যার পরে গেটের আশপাশে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও নেই।

শেখ হাসিনা হলের প্রভোস্ট ড. মাহমুদা আক্তার জানান, গত বছর শিক্ষার্থীরা নাম পরিবর্তনের জন্য আবেদন করলেও তা তখন সিন্ডিকেট মিটিংয়ে উত্থাপন করা সম্ভব হয়নি। এরপর ভিসি পদত্যাগ করেন, যা প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করে। নতুন ভিসির সময় শিক্ষার্থীদের পুনরায় আবেদন করতে বলা হয়, যা তারা ৯ ডিসেম্বর জমা দেন। এখন বিষয়টি মাইনোরস পাস করে পরবর্তী সিন্ডিকেট মিটিংয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রাশেদা বেগম দিনা বলেন, শেখ হাসিনা হলের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব একাডেমিক কাউন্সিলে পাস হয়েছে। তবে প্রাতিষ্ঠানিক নাম পরিবর্তনের বিষয়টি সময়সাপেক্ষ। শিক্ষার্থীদের দেওয়া প্রস্তাবিত নামগুলোর মধ্যে থেকে অফিসিয়াল মিটিংয়ে একটি নাম চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

হলের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট মিটিংয়ের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।