সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মির্জাপুরে সরকারি রাস্তায় বাঁশের বেড়া,চলাচলে দুর্ভোগ

আব্দুল্লাহ আল মামুন,টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সরকারি রাস্তায় বাঁশের বেড়া দিয়ে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে এক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে। ছাত্রলীগ ওই নেতার নাম জিহক খান রুদ্র। সে আজগানা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও সৈয়দপুর গ্রামের মৃত আজম খানের ছেলে। গত মঙ্গলবার রাতের আঁধারে সৈয়দপুর গ্রামের সহ¯্রাধিক জনসাধারণের চলাচলের একমাত্র এ রাস্তাটিতে বাঁশ দিয়ে আটকে দেন। […]

মির্জাপুরে সরকারি রাস্তায় বাঁশের বেড়া,চলাচলে দুর্ভোগ

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 2;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 34;

নিউজ ডেস্ক

২২ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৫:৪৮

আব্দুল্লাহ আল মামুন,টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সরকারি রাস্তায় বাঁশের বেড়া দিয়ে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে এক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে। ছাত্রলীগ ওই নেতার নাম জিহক খান রুদ্র। সে আজগানা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও সৈয়দপুর গ্রামের মৃত আজম খানের ছেলে। গত মঙ্গলবার রাতের আঁধারে সৈয়দপুর গ্রামের সহ¯্রাধিক জনসাধারণের চলাচলের একমাত্র এ রাস্তাটিতে বাঁশ দিয়ে আটকে দেন। ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।
স্থানীয়রা জানায় সরকারি এ রাস্তাটি দিয়ে প্রায় সহ¯্রাধীক লোকজনের চলাফেরা। এ রাস্তাটি স্থানীয় এমএসবি ব্রিকস্্ নামের একটি ইটভটার গাড়ীও চলাফেরা করে। মুলত ইটভটার গাড়ি চলাচল নিয়েই এ রাস্তাটিতে বাঁশের
বেড়া দেন ওই ছাত্রলীগ নেতা।
স্থানীয়রা আরো জানায়, গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ওই রাস্তাটি ব্যবহার করায়  এমএসবি ব্রিকসের ইটভাটার মালিকের নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা নিতো ছাত্রলীগ নেতা রুদ্র।  শেখ হাসিনার পতনের পর সারাদেশের দৃশ্যপট পাল্টে যায়। এবার ওই ভাটার মালিক টাকা দিতে অস্বীকার করায় রাস্তাটিতে বাঁশের বেড়া দেয়। এতে করে ওই গ্রামের বাসিন্দাদের চলাচলে দুর্ভোগ নেমে আসে।
স্থানীয় বাসিন্দা মেহের আলী, আব্বাছ আলী আব্দুল আলীম ও আনোয়ার হোসেনসহ একাধীক ব্যক্তি বলেন,রাস্তাটি বন্ধ করে দেওয়ায় তাদের বাসা-বাড়িতে কাজের জন্য ইট বালু ও সিমেন্ট নিতে আনতে সমস্যা পোহাতে হচ্ছে। একট্রাক মাটির প্রয়োজন হলেও নেওয়া যাচ্ছে না। অতি প্রয়োজন হলে সড়কের পাশে নামিয়ে ভ্যান দিয়ে আনতে হয়, তাতে খরচ দিগুণ হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানায়, ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জিহক খান রুদ্র সরকারি খাস খতিয়ানে জায়গাটিতে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে কয়েকটি দোকানপাট গড়ে তুলেন। যথারীতি ভাড়াও তোলেন তিনি। পাশাপাশি রাস্তা ব্যবহার করায় প্রতিবছর ইটভাটার মালিক নুর মোহাম্মদ এর নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা নিতেন। আওয়ামী লীগ সরকার পালিয়ে যাওয়ায় রাস্তাটি ব্যবহারের টাকা নিতে পারছে না। এজন্য রাতের আঁধারে একটি দোকানঘর নিজেই ভেঙে ইটভাটার মালিক নুর মোহাম্মদ ও তার ছেলে মোশারফকে দোষারপ করে মামলা দেওয়ার পায়তারা করছে। তিনি বলেন ছাত্রলীগের ওই নেতা ছাত্র আন্দোলন দমাতে অগ্রণী ভুমিকা পালন করেছে। এছাড়া তার বাহিনী নিয়ে ছাত্রদের মিছিলে আঘাত করেছে তারপরও দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছেন ওই ছাত্রলীগ নেতা,তার খুটির জোর কোথায়।
এমএসবি ব্রিকস্ ইটভাটার মালিক নুর মোহাম্মদ জানান, দলীয় প্রভাবে রুদ্র রাস্তার জন্য ৩ লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়েছে। সরকার এবার জায়গাটি খাস খতিয়ানের সাইবোর্ড টাঙিয়েছে। এ কারণে টাকা দিতে অস্বীকার করায় রাতের আধারে মনির খান, নাজমুল,লেবু খান, মোসলেম উদ্দিন ও নয়ন খানদের নিয়ে রুদ্র নিজের দোকান ভেঙে আমার উপর দোষারুপ করছে। এর প্রতিবাদে এলাবাসীদের নিয়ে ২২ ডিসেম্বর সকালে একটি মানবন্ধন করি।
অভিযুক্ত জিহক খান রুদ্র মুঠোফোনে বলেন, আমরা ২০০৯ সালে ৬৪ শতাংশ জায়গা ক্রয় করি। সম্প্রীতি ২৪ শতাংশ জায়গা সরকারের নামে রেকর্ড হয়। আমরা ওই রেকর্ড কারেকশনের মামলা দায়ের করি। সম্প্রীতি মির্জাপুর আমলী আদালতে  ১৪৪ ধারা মামলা করি। আদালত উভয় পক্ষকে স্থিতিশীল থাকার আদেশ দেন। সেই আদেশকে উপেক্ষা করে ইটভাটার মালিক নুর মোহাম্মদ ভেকু দিয়ে কয়েকটি দোকান ভেঙে ফেলে। এ নিয়ে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করি।
এ বিষয়ে মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মাসুদুর রহমান জানান, বিষয়টি তিনি জানেন। ওই রাস্তাটিতে বাশের বেড়া তোলার জন্য স্থানীয় নায়েব আমিনুর রহমানকে পাঠিয়ে ছিলেন। বাশের বেড়া খুলে না দিলে আদালতকে তিনি অবহিত করবেন বলে তিনি জানান।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।