শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সবজির দামে ওঠানামা, মাছ-মুরগি-ডিমে স্বস্তি নেই

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি মুন্সীগঞ্জের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে এখনও পুরোপুরি স্বস্তি ফেরেনি। প্রতিদিনই কোনো না কোনো পণ্যের দামে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে সবজির বাজারে কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে, আবার কয়েকটি পণ্যের দাম কমেছে। অন্যদিকে মাছ, মুরগি ও ডিমের দাম বেশ কিছুদিন ধরে তুলনামূলকভাবে উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। এতে সীমিত আয়ের মানুষের সংসারের বাজার সামলাতে হিমশিম খেতে […]

সবজির দামে ওঠানামা, মাছ-মুরগি-ডিমে স্বস্তি নেই

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:৫৪

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সীগঞ্জের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে এখনও পুরোপুরি স্বস্তি ফেরেনি। প্রতিদিনই কোনো না কোনো পণ্যের দামে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে সবজির বাজারে কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে, আবার কয়েকটি পণ্যের দাম কমেছে। অন্যদিকে মাছ, মুরগি ও ডিমের দাম বেশ কিছুদিন ধরে তুলনামূলকভাবে উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। এতে সীমিত আয়ের মানুষের সংসারের বাজার সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) মুন্সীগঞ্জের বিভিন্ন বাজারের নিত্যপণ্যের দামের চিত্র পর্যালোচনা করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় কাঁচা মরিচ, বরবটি, গোল বেগুন, শিম ও শসার দাম বেড়েছে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা থাকলেও বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়। অর্থাৎ কেজিতে বেড়েছে ৪০ টাকা। একইভাবে বরবটির দাম ৮০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১২০ টাকা।

গোল বেগুনের দামও বেড়েছে। গত সপ্তাহে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে দাম ১৪০ টাকা। তবে লম্বা বেগুনের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। গত সপ্তাহের মতো বর্তমানে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

শিমের দাম বর্তমানে ২২০ থেকে ২৩০ টাকা কেজি। কিছুদিন আগেও যা ১৮০ থেকে ২০০ টাকা ছিল। অর্থাৎ কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। শসার দামও বেড়েছে। গত সপ্তাহে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি থাকলেও বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়।

তবে সবজির বাজারে সব পণ্যের দাম বাড়েনি। টমেটোর দাম কমেছে। গত সপ্তাহে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি থাকলেও বর্তমানে তা ১০০ টাকা। অর্থাৎ কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা কমেছে। গাজর গত সপ্তাহের মতোই ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

পেঁপের দামও কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। গত সপ্তাহে ৪০ টাকা থাকলেও বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি দরে।

এদিকে ঝিঙে ও করলার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। গত সপ্তাহে উভয় সবজির দাম ৮০ টাকা কেজি ছিল, বর্তমানে একই দামে বিক্রি হচ্ছে। পটলের দামও গত সপ্তাহের সর্বনিম্ন দামের তুলনায় অপরিবর্তিত রয়েছে। গত সপ্তাহে ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে ৮০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। ঝিঙা, ধুন্দুল ও চিচিঙ্গার দামও গত সপ্তাহের মতো ৮০ টাকা কেজি।

বাজারের বিক্রেতারা বলছেন, প্রতিদিন সবজির দাম একই থাকে না। আড়তে সরবরাহ এবং কেনা দামের ওপর খুচরা বাজারের দাম নির্ভর করে। কোনোদিন সরবরাহ কম থাকলে দাম বেড়ে যায়, আবার সরবরাহ বাড়লে কিছু সবজির দাম কমে।

একজন সবজি বিক্রেতা বলেন, আড়তে যে দামে সবজি কিনতে হয়, তার সঙ্গে পরিবহনসহ অন্যান্য খরচ যোগ করে খুচরা দাম নির্ধারণ করতে হয়। ফলে সরবরাহ ও কেনা দামের পরিবর্তনের সঙ্গে বাজারেও দামের ওঠানামা দেখা যায়।

বাজার করতে আসা এক ক্রেতা বলেন, কয়েকটি সবজির দাম কমলেও অনেক সবজি এখনও আগের তুলনায় বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। একসঙ্গে কয়েক ধরনের সবজি কিনতে গেলে মোট খরচ অনেক বেড়ে যায়। সীমিত বাজেটের মধ্যে বাজার করা তাই কঠিন হয়ে পড়ছে।

মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই

সবজির পাশাপাশি মাছের বাজারেও ক্রেতাদের স্বস্তি নেই। পুকুরে চাষ করা পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ২৬০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছের দাম ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা। মাঝারি আকারের রুই বিক্রি হচ্ছে ২৭০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে।

অন্যদিকে রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে কেজিপ্রতি হাজার টাকার বেশি গুনতে হচ্ছে।

একজন মাছ বিক্রেতা বলেন, আড়তে মাছের দাম বেশি থাকায় তাদেরও বেশি দামে মাছ কিনতে হচ্ছে। এর সঙ্গে পরিবহন ও অন্যান্য খরচ রয়েছে। ফলে কেনা দাম বেশি হওয়ায় খুচরা পর্যায়ে দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না। কয়েক সপ্তাহ ধরেই মাছের বাজার প্রায় একই অবস্থায় রয়েছে।

এক ক্রেতা বলেন, মাছ, মুরগি ও মাংস—কোনোটির দামই তেমন কমেনি। কয়েকদিন ধরে প্রায় একই দামে এসব পণ্য বিক্রি হচ্ছে। ফলে বাজারে এসে আগের মতোই বেশি টাকা খরচ করতে হচ্ছে।

কমেনি মুরগি ও ডিমের দাম

মুন্সীগঞ্জের বাজারেও ফার্মের মুরগি ও ডিম তুলনামূলকভাবে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। বৃহস্পতিবার প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৯০ থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। দেড় মাস আগে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা কম ছিল।

বর্তমানে ফার্মের বাদামি রঙের এক ডজন ডিমের দাম ১৫০ টাকা। সাদা রঙের ডিম ১০ টাকা কমে পাওয়া যাচ্ছে। মাস দেড়েক আগেও একই দামে ডিম বিক্রি হয়েছে।

এ ছাড়া গতকাল সোনালি মুরগি প্রতি কেজি ৩৪০ থেকে ৩৬০ টাকা এবং হাইব্রিড তথা কালারবার্ড সোনালি মুরগি ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। গত এক-দুই সপ্তাহে এসব মুরগির দামও কমেনি।

বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, সাধারণত সরবরাহের ওপর নির্ভর করে সপ্তাহ বা মাসের ব্যবধানে মুরগির দাম ওঠানামা করে। তবে এবার প্রায় দেড় মাস ধরে ব্রয়লার মুরগির দাম একই জায়গায় রয়েছে।

এক ডিম বিক্রেতা বলেন, কয়েকদিন ধরে ডিমের দাম প্রায় একই পর্যায়ে রয়েছে। পাইকারি বাজারে দাম খুব একটা কমছে না। ফলে খুচরা পর্যায়েও কম দামে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। ক্রেতারা দাম নিয়ে অভিযোগ করলেও বিক্রেতাদের বেশি দামে ডিম কিনে আনতে হচ্ছে।

মুরগি কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, মুরগির দাম এখনও আগের মতোই রয়েছে। পরিবারের প্রয়োজন অনুযায়ী মুরগি কিনতে গেলেও বেশ ভালো অঙ্কের টাকা খরচ হচ্ছে। দাম কিছুটা কমলে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য স্বস্তি ফিরত।

বিক্রেতাদের ভাষ্য, গত পাঁচ-ছয় মাসের মধ্যে বন্যা, অতিবৃষ্টি ও গরমের কারণে অনেক খামারে ডিম পাড়া মুরগি ও ব্রয়লার মুরগির সংখ্যা কমেছে। এতে সামগ্রিকভাবে সরবরাহে ঘাটতি থাকায় ডিম ও মুরগির দাম কমছে না।

সব মিলিয়ে মুন্সীগঞ্জের বাজারে কিছু সবজির দাম কমলেও মাছ, মুরগি ও ডিমসহ বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দামে এখনও স্বস্তি ফেরেনি। প্রতিদিনের বাজারে দামের এমন ওঠানামায় সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ছে সীমিত আয়ের ক্রেতাদের ওপর।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।