দীর্ঘ সাত বছর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদ ফিরে পেলেন ছাত্র অধিকার আন্দোলনের নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব মো. রাশেদ খাঁন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর এমফিলের ছাত্রত্ব বিশ্ববিদ্যালয় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে জিএস পদ অবৈধ প্রমাণিত হয়। এ বিষয়ে সিন্ডিকেটের দেওয়া শোকজ নোটিশের সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তার ছাত্রত্ব বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল।
পরবর্তীতে একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের আলোকে গোলাম রাব্বানীর ডাকসু জিএস পদও বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া মো. রাশেদ খাঁনকে ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) হিসেবে ঘোষণা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক সচিব রাশেদ খাঁন কালবেলাকে বলেন, সাত বছর পর জিএস পদ ফিরিয়ে দেওয়ায় আমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দীর্ঘদিন পর তদন্ত সাপেক্ষে গোলাম রাব্বানীর ছাত্রত্ব বাতিল করেছে।
প্রসঙ্গ, ২০১৯ সালের ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতা গোলাম রাব্বানী জিএস পদে ১০ হাজার ৪৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। কিন্তু সেই সময়ে নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে নানা বিতর্ক ওঠে। সে নির্বাচনে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের প্যানেল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন রাশেদ খাঁন ৬ হাজার ৬৩ ভোট পেয়েছিলেন। তিনি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পান।
আর সহসভাপতি (ভিপি) পদে নুরুল হক নুর ১১ হাজার ৬২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন। সাবেক এই ছাত্রনেতা বর্তমানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।