শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

জুলাই বিপ্লব’ এ আহতদের নিয়ে পাটাতন কুবির আলোচনা সভা

কুবি প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠন ‘পাটাতন’ এর উদ্দ্যোগে ‘জুলাই বিপ্লব পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে ক্যাম্পাসের ভূমিকা’ প্রসঙ্গে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে সংগঠনটির সভাপতি মাসুম বিল্লাহ’র সঞ্চালনায় কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে প্রশাসনিক ভবনের ৪১১ নাম্বার কক্ষে আলোচনা সভাটি শুরু হয়। এরপর আহত শিক্ষার্থীরা […]

নিউজ ডেস্ক

১১ ডিসেম্বর ২০২৪, ২৩:১২

কুবি প্রতিনিধি:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠন ‘পাটাতন’ এর উদ্দ্যোগে ‘জুলাই বিপ্লব পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে ক্যাম্পাসের ভূমিকা’ প্রসঙ্গে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে সংগঠনটির সভাপতি মাসুম বিল্লাহ’র সঞ্চালনায় কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে প্রশাসনিক ভবনের ৪১১ নাম্বার কক্ষে আলোচনা সভাটি শুরু হয়।
এরপর আহত শিক্ষার্থীরা জুলাই বিপ্লবের সময়ের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। আলোচনা শেষে আন্দোলনে আহত উপস্থিত শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করেন ‘পাটাতন’।
উক্ত আলোচনা সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মুতাসীম বিল্লাহ এবং প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান খান। এছাড়া, জুলাই বিপ্লবে আহত শিক্ষার্থী জারা বিনতে শহীদের পিতা শংকুচাইল ডিগ্রী কলেজের শিক্ষক শহীদুল ইসলামসহ জুলাই বিপ্লবে আহত অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনায় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুতাসিম বিল্লাহ বলেন, ‘আজকে আমি প্রথমেই স্মরণ করছি শহীদ আব্দুল কাইয়ুমকে। এতো শহিদের রক্তের বিনিময়ে আমরা ফ্যাসিবাদের উৎখাত করার পরও কেন আমরা ফ্যাসিবাদী চিন্তা-চেতনা, ধ্যান-ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে পারছি না? জুলাই বিপ্লবের পর জাতিকে উন্নতির দিকে নিয়ে যাওয়াটাই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
আমরা ফ্যাসিবাদ শাসকদের তাড়িয়েছি কিন্তু তাদের রেখে যাওয়া সিস্টেমকে বিতাড়িত করতে পারিনি। এই জায়গাটায় কাজ করা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জুলাই বিপ্লব পরবর্তী সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মানে আমাদের ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষের যদি সমান অধিকার নিশ্চিত করতে পারি এবং এটা যদি আমরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলো থেকে শুরু করতে পারি তাহলে জুলাই অভ্যুত্থানের দেখা স্বপ্ন আমরা বাস্তবায়ন করতে পারব।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী ওমর ফারুক বলেন, ‘বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সূচনা ঘটে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের উপর পুলিশি হামলার মাধ্যমে। তারপর  ঢাকায় আমাদের বোনদের এবং শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রলীগের অশিক্ষিত টোকাইরা যখন হামলা করে, তা দেখে আমরা ঘরে বসে থাকতে পারি নাই। আমরা তখন কোনকিছুর পরোয়া না করে আন্দোলনে নেমেছিলাম। কিন্তু এখন বর্তমান সময়ে সমন্বয়ক নিয়ে পলিটিক্স চলতেছে।
অনেকেই নিজেদের এখন সমন্বয়ক দাবী করছে। যখন আমরা অনেকে আন্দোলনের সময় আহত হয়েছিলাম, হাসপাতালে ছিলাম তখন তো এতো সমন্বয়ক দেখি নাই, গুটিকয়েকজন আহতদের খোঁজ খবর নিয়েছে। আমরা আসলে এই বাংলাদেশ দেখার জন্য আন্দোলন করি নাই।’
কুমিল্লা পলিটেকনিকের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান শুভ  বলেন, ‘একটা মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে হয়ে আমাদের প্রথম দায়িত্ব ছিলো আন্দোলনে যোগ দেয়া। কারণ আমাদের এতো টাকা নেই যে আমরা টাকা দিয়ে বা কোন কোটায় চাকরি পাবো। তাই আমি এই বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে যোগ দেই প্রথম থেকেই ।
আন্দোলন চলাকালীন টমছম ব্রীজের কাছে গুলাগুলির সময় আমার চোখে গুলি লাগে এবং আমার এক চোখ হারাই৷ এখন অবধি আমার চোখের ৫ টি অপারেশন হয়েছে। আমার চোখের চিকিৎসার টাকা বহন করেন ছাত্রশিবির এবং ভাইয়েরা। তারপর ৫ আগষ্ট আমরা স্বাধীন হই।
কিন্তু এখনো চাচ্ছে অনেকে আমাদের মধ্যে ফাটল তৈরি করতে। আমরা সবাই এক থাকবো এবং দেশের কাজে আবারও একসাথে নামবো।’
আন্দোলনকারী জারার অভিভাবক (বাবা) বলেন, ‘আমরা হয়তো ধরেই নিয়েছিলাম যে আমরা আগামী ৪৫ সাল পর্যন্ত এই অন্ধকারচ্ছন্ন এবং হাসিনার স্বৈরাচারের কবল থেকে আমাদের রক্ষা হবে না। কিন্তু আমাদের সন্তানেরা এই স্বৈরাচারের কবল থেকে, বৈষম্য থেকে আমাদের জাতিকে উদ্ধার করেছে। এই আন্দোলনে আমার স্ত্রী সন্তানও যোগদান করেছিলো। আমার মেয়ে ভিক্টোরিয়াতে পড়ে, সেও জীবনের ঝুকি নিয়ে প্রতিটি আন্দোলনে গিয়েছে।’
পাটাতনের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘আজকে এই প্রোগ্রামের আয়োজন করার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটা জ্ঞানের রাজ্যে পরিনত করা। তাছাড়া জুলাই বিপ্লব শহিদ, আহত সবাইকে আরো একবার স্মরণ করা এবং তাদের এই চেতনাকে ধারণ করে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ বিনির্মানে সহযোগিতা করা।’

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।