মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আমাকে কেউ ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করবে, আর আমি তাকে চুমু দিবো! এমন সুশীল ব্যক্তি আমি না: রাশেদ খাঁন

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, কেউ তাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করলে তিনি নীরব থাকবেন না। ‘আমাকে কেউ ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করবে, আর আমি তাকে চুমু দিবো—এমন সুশীল ব্যক্তি আমি না’—মন্তব্য করে তিনি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি। রাশেদ খাঁন বলেন, আগের দিন একটি […]

আমাকে কেউ ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করবে, আর আমি তাকে চুমু দিবো! এমন সুশীল ব্যক্তি আমি না: রাশেদ খাঁন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ আগস্ট ২০২৬, ১৬:২৩

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, কেউ তাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করলে তিনি নীরব থাকবেন না। ‘আমাকে কেউ ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করবে, আর আমি তাকে চুমু দিবো—এমন সুশীল ব্যক্তি আমি না’—মন্তব্য করে তিনি নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।

রাশেদ খাঁন বলেন, আগের দিন একটি টেলিভিশন টকশোতে তিনি পুরো আলোচনায় গঠনমূলক কথা বলার চেষ্টা করেছিলেন। তবে অনুষ্ঠানের শেষ দিকে সারোয়ার তুষার তাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেন। তার রাজনৈতিক ভূমিকা ও আন্দোলনে অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় বলেও অভিযোগ করেন রাশেদ।

তিনি দাবি করেন, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় শেখ হাসিনাকে কটূক্তির মামলায় তাকে কারাগারে যেতে হয়েছিল এবং ১৫ দিন রিমান্ডে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল। পাশাপাশি ২০২৪ সাল পর্যন্ত যুগপৎ আন্দোলনেও তিনি রাজপথে সক্রিয় ছিলেন বলে জানান।

রাশেদ বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় তিনি ছাত্র না হওয়ায় সরাসরি ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব দেননি। তবে শেখ হাসিনা সরকার হত্যাকাণ্ড শুরু করার পর আন্দোলনের সমন্বয়কদের সঙ্গে রাজনৈতিক সমন্বয়ে কাজ করেছেন। নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ ও আখতার হোসেনদের সঙ্গে জাতিসংঘের বাংলাদেশ প্রতিনিধির বৈঠক আয়োজনেও তার ভূমিকা ছিল বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও দাবি করেন, ১৮ জুলাই আসিফ মাহমুদ ও আহনাফ সাঈদ খানকে আন্দোলনে রাজনৈতিক দলগুলোকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিতে সহযোগিতা করেন এবং কর্মসূচি বাস্তবায়নে লজিস্টিক সহায়তাও দেন।

রাশেদ খাঁনের ভাষ্য, ১৯ জুলাই নুরুল হক নুর গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার বাসায় দুই দফা অভিযান চালানো হয়। এরপর ৫ আগস্ট পর্যন্ত বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে আন্দোলন সফল করতে রাজনৈতিক কর্মপন্থা নির্ধারণে কাজ করেন তিনি।

আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে নিজের ভূমিকা তুলে ধরে রাশেদ বলেন, ৩১ জুলাই বিএনপিপন্থী শিক্ষক ও আইনজীবীদের হাইকোর্টের সামনে কর্মসূচি নেওয়ার বিষয়টিও তিনি ও বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরামর্শের ভিত্তিতে ঠিক করেছিলেন। ৩ আগস্ট গ্রেপ্তারের ঝুঁকি নিয়ে শহীদ মিনারে গিয়ে আন্দোলনের সমন্বয়কদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সঙ্গেও আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন বলে জানান তিনি।

টকশোতে সারোয়ার তুষারের সঙ্গে বিতর্কের প্রসঙ্গে রাশেদ বলেন, তাকে একাধিকবার ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা হলেও প্রথমে তিনি কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি। পরে তাকে আবার ‘বেয়াদব’ বলা হলে তিনিও পাল্টা জবাব দেন।

পোস্টে রাশেদ খাঁন সারোয়ার তুষারের জুলাই আন্দোলনে ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। এ প্রসঙ্গে অন্যদের দেওয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট ও মন্তব্যের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

সবশেষে রাশেদ বলেন, ‘আমাকে কেউ ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করবে, আর আমি তাকে চুমু দিবো—এমন সুশীল ব্যক্তি আমি না।’ তিনি আরও বলেন, ভদ্রতা একপক্ষ থেকে এলে তার পক্ষ থেকেও আরও বেশি ভদ্রতা থাকবে। তবে ব্যক্তিগত আক্রমণের জবাবে নীরব থাকার রাজনীতি তিনি করেন না বলেও মন্তব্য করেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫