সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের বিষয়টি রাজপথে আলোচনা করে সমাধান করা সম্ভব নয়, এ জন্য সংসদীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
রোববার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে প্রশ্ন তোলাটা অবান্তর। বর্তমানে যে সংবিধান কার্যকর রয়েছে, সেই সংবিধান অনুসরণ করেই রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। কোথাও কোনো সাংবিধানিক বাধা থাকলে তা অতিক্রম করতে হলে সংসদের মাধ্যমেই সংবিধান সংশোধন করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি রাস্তাঘাটে বলে কোনো লাভ নেই। পরবর্তী সংসদ জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজন হলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।’
বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার বিষয়টি নিশ্চিত করে গয়েশ্বর জানান, গত ১৩ আগস্ট বিএনপির পক্ষ থেকে তাঁর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়। এতে প্রস্তাবক হিসেবে স্বাক্ষর করেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান এবং সমর্থনকারী ছিলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
রোববার নির্বাচন ভবনে নির্বাচনী কর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে মির্জা ফখরুলের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেন। মনোনয়নপত্রে কোনো ত্রুটি পাওয়া যায়নি বলেও জানান গয়েশ্বর।
অন্যান্য দল বা জোটের পক্ষ থেকে ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়টি ভবিষ্যৎ সংসদ জাতীয় স্বার্থে বিবেচনা করতে পারে। তবে বর্তমান রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রচলিত সংবিধান অনুযায়ীই সম্পন্ন করতে হবে।
গয়েশ্বর আরও বলেন, সাংবিধানিক বা আইনি কোনো বাধা থাকলে সেটি সমাধানের বৈধ পথ হলো সংসদীয় প্রক্রিয়া। রাজপথে দাবি তুলে সংবিধানের বিধান পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।