শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

শেকৃবিতে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা শূণ্যের কোটায়

শেকৃবি প্রতিনিধি কৃষি বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহনে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ( শেকৃবি) গত ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে গড়ে প্রতি বছর ১১ জন বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি হয়ে আসলেও ২০২০ সালের পর থেকে আকস্মিকভাবে কমতে থাকে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা এবং যা বর্তমানে এসে নেমেছে শূন্যের কোটায়। গত তিন বছরে ভর্তি হয়নি একজন বিদেশি শিক্ষার্থীও। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর […]

নিউজ ডেস্ক

১১ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৮:৫২

শেকৃবি প্রতিনিধি
কৃষি বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহনে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ( শেকৃবি) গত ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে গড়ে প্রতি বছর ১১ জন বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি হয়ে আসলেও ২০২০ সালের পর থেকে আকস্মিকভাবে কমতে থাকে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা এবং যা বর্তমানে এসে নেমেছে শূন্যের কোটায়। গত তিন বছরে ভর্তি হয়নি একজন বিদেশি শিক্ষার্থীও।
স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি গ্রহনে নেপাল,ভুটান সহ পাশ্ববর্তী কয়েকটি দেশের শিক্ষার্থীদের অন্যতম আকর্ষণ জুড়ে রয়েছে বাংলাদেশের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গুলো। এদের মধ্যে অন্যতম অবস্থানে ছিলো শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা কয়েকটি সূত্রে জানা যায়, বিগত সময়ে তৈরি হওয়া প্রাতিষ্ঠানিক দূর্বলতা এবং করোনাকালীন জটিলতাই বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে অনাগ্রহী হওয়ার মূল কারণ।তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়টিতে তৈরি হওয়া তীব্র সেশনজট, গবেষণয়ায় পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধার অভাব সহ আনুষঙ্গিক পর্যাপ্ত ব্যাবহারিক সুবিধা না থাকায় ভর্তির ক্ষেত্রে অগ্রাহ হারাচ্ছেন বিদেশি শিক্ষার্থীরা।বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থীদের মতে,ভর্তি প্রক্রিয়া বছরের শেষ ভাগে হওয়ায় অনেকটা সময় নষ্ট হয় শিক্ষার্থীদের। এর কারণেও অনেক বিদেশি শিক্ষার্থী আগ্রহ হারাচ্ছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানান ,বিগত প্রশাসন বিদেশি শিক্ষার্থীদের প্রতি খুব বেশি মনোযোগী ছিল না এবং বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে তারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়নি ।করোনাকালীন আটকে পরা নেপালের শিক্ষার্থীদের নিজ উদ্দ্যোগে দেশে ফিরতে হয়েছিল যা তাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছিল।
বিশ্ববিদ্যালয়টির এএসভিএম অনুষদের পঞ্চম বর্ষে অধ্যায়নরত নেপালি শিক্ষার্থী মহেশ্বর ভগত মালী বলেন, আমাদের নেপালি শিক্ষার্থীদের অন্যতম আগ্রহের জায়গা জুড়ে কৃষি এবং কৃষি বিষয়ক পড়াশোনা। এর অন্যতম কারণ নেপালে কৃষির গুরুত্ব। শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালও বেশ পরিচিত নেপালের শিক্ষার্থীদের কাছে। তবে বিগত কয়েক বছরের সেশনজট বিরূপ প্রভাব তৈরি করেছে ভর্তিতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের উপর। তাছাড়া ল্যাবের পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা, গবেষণা কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি হওয়া উচিত।
বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা আবাসিক ব্যাবস্থা কিংবা কোনো আবাসিক হলের নির্দিষ্ট ফ্লোর বরাদ্দ থাকা উচিত বলেও মনে করেন এই নেপালী শিক্ষার্থী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক সূত্র থেকে জানা যায়, ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকে মোট বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছেন ৫২ জন। এদের সবাই ছিলেন কৃষি ও এএসভিএম অনুষদের শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদেশি শিক্ষার্থীর তালিকা থেকে তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়,২০১৬ সালে ভর্তি হয় ৯ জন, ২০১৭ সালে ১১ জন, ২০১৮ সালে ১৬ জন, ২০১৯ সালে ১৪ জন, ২০২০ সালে মাত্র দুইজন। পরবর্তী বছরগুলোতে ভর্তির সংখ্যা নেমে আসে শূন্যের কোটায়।
একাডেমিক এন্ড স্কলারশিপ বিভাগের সহকারী রেজিস্টার কৃষিবিদ হরি কমল দাশ বলেন,বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়া আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ভালো দিক। ২০১৬ সাল থেকে বাইরের দেশের শিক্ষার্থী ভর্তি হয়ে আসলেও গত তিন বছরে বন্ধ হয়ে গেছে বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়া যা আমাদের জন্য কিছুটা উদ্বেগের। তবে প্রসাশনিকভাবে আমরা মনোযোগী হলে পূর্বের থেকেও বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। প্রশাসনিকভাবে ইতোমধ্যে এই বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে।আশাকরছি সামনের বছরগুলোতে আমরা বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা বাড়বে।
এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফ বলেন, বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি কমেছে গত কয়েক বছরে।আমরা কারণগুলো পর্যবেক্ষণ করেছি। ইতোমধ্যে সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য উদ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। পূর্বে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তির জন্য মন্ত্রনালয়ে আবেদনের মাধ্যমে আসতে হতো। এই নিয়মের পরিবর্তন করে কিছুটা শিথিল করা হয়েছে ভর্তি প্রক্রিয়া। এখন সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদের মাধ্যমে তারা ভর্তি হতে পারবে। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত বিদেশি শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা হয়েছে, তাদের সমস্যাগুলো শুনেছি। আশাকরছি সামনের দিনগুলোতে এই অবস্থার পরিবর্তন হবে।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।