বিএনপি সরকারও অতীতের আওয়ামী লীগের মত একই পথে হাঁটছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেছেন, “আপনি যে পথে হাঁটছেন, সেই পথে আপাও (শেখ হাসিনা) হেঁটেছিলেন। সেই পথে আপনারাও হাঁটছেন। আপা যাওয়ার আগে বলতেন, আমি পালাই না, অমুকের মেয়ে পালায় না। কি হয়েছে এখন, পালাইছে। এই পথে যারাই হাঁটবেন, তাদেরকে পালাতে হবে।”
তিনি বলেন, “এই পথ পালানোর পথ। এই পথে হাঁটলে, আপনি মক্কা যেতে পারবেন না, আপনি দিল্লি চলে যাবেন। এই পথের শেষ ঠিকানা দিল্লি। মানুষ দিল্লির খবরদারি বাংলাদেশের উপর চায় না। কোনো আধিপত্যবাদ মানব না আমরা।”
সোমবার দুপুরে সাঘাটার বোনারপাড়া সরকারি কাজী আজহার আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নিহত ইসলামী ছাত্রশিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী ও সালাউদ্দিনের খুনিদের বিচার দাবি ও সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির প্রতিবাদে আয়োজিত জনসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
বর্তমান সরকার গঠনের পর থেকে নিজেদের দলের পাঁচ কর্মী খুন হয়েছেন দাবি করে শফিকুর রহমান বলেন, “এক ফ্যাসিবাদীকে তাড়িয়ে বাংলার জনগণ আরেক ফ্যাসিবাদীকে চায় না। কোনো ফ্যাসিবাদকে বাংলার জমিনে প্রশ্রয় দেব না। হয়ত আবারও আমাদের রাস্তায় নামতে হবে। জাতির জন্য প্রয়োজনে একবার নয়, শতবার রাস্তায় নামাব ইনশআল্লা।”
তিনি বলেন, কোনো এলাকার মানুষকে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করার অধিকার কারো নেই। রংপুরসহ দেশের সব অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
গাইবান্ধা জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সংসদ সদস্য মো. আব্দুল ওয়ারেছের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন দলের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল হালিম, নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন, বগুড়া জেলা আমির আব্দুল হক, গাইবান্ধা জেলা আমির সংসদ সদস্য আব্দুল
করিম, সংসদ সদস্য মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু, সংসদ সদস্য মাজেদুর রহমান, গাইবান্ধা জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আল কার্যাভী, সাধারণ সম্পাদক ফাহিম মণ্ডল।
সমাবেশের আগে জামায়াত নেতারা শিবির নেতা সাইফুল্লাহ বারী ও কর্মী সালাউদ্দিনের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাত করেন। এবং তাদের কবর জিয়ারত করেন।