শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

ময়মনসিংহে ‘হার ভোট,হার সিট’ ক্যাম্পেইন

আবু তাহের, জাককানইবি দেশে নারী ভোটারের সংখ্যা মোট ভোটারের প্রায় অর্ধেক। ভোটাধিকার প্রয়োগে নারীর অংশগ্রহণও দিন দিন বাড়ছে। তবে ভোটের মাঠে সক্রিয় নারীদের বড় অংশই রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে পৌঁছাতে পারছেন না। নির্বাচিত প্রতিনিধি ও সরাসরি রাজনৈতিক নেতৃত্বে নারীর অংশগ্রহণ মাত্র ২ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এই বৈষম্য দূর করে নারীর রাজনৈতিক অধিকার ও নেতৃত্ব […]

ময়মনসিংহে ‘হার ভোট,হার সিট’ ক্যাম্পেইন

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৯ আগস্ট ২০২৬, ২২:০২

আবু তাহের, জাককানইবি

দেশে নারী ভোটারের সংখ্যা মোট ভোটারের প্রায় অর্ধেক। ভোটাধিকার প্রয়োগে নারীর অংশগ্রহণও দিন দিন বাড়ছে। তবে ভোটের মাঠে সক্রিয় নারীদের বড় অংশই রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে পৌঁছাতে পারছেন না।

নির্বাচিত প্রতিনিধি ও সরাসরি রাজনৈতিক নেতৃত্বে নারীর অংশগ্রহণ মাত্র ২ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এই বৈষম্য দূর করে নারীর রাজনৈতিক অধিকার ও নেতৃত্ব বিকাশে গণমাধ্যমের ভূমিকা জোরদারের লক্ষ্যে ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘হার ভোট হার সিট’ ক্যাম্পেইনের জেলা পর্যায়ের মিডিয়া ওরিয়েন্টেশন।

শনিবার (৮ আগস্ট) ময়মনসিংহ নগরীর শাপলা রিসোর্স সেন্টারে জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট ও Welfare Association for Development Alternative (WADA) এর যৌথ আয়োজনে দিনব্যাপী এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজনে বক্তারা বলেন,নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ শুধু ভোট দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে প্রকৃত রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হবে না। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নেতৃত্বের জায়গায় নারীর প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের পাশাপাশি রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। নারীর রাজনৈতিক ভূমিকা গণমাধ্যমে কীভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে, সেটিও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

আয়োজনে মূল বক্তা ও প্রশিক্ষক হিসেবে সেশন পরিচালনা করেন বাংলাদেশ বেতার ময়মনসিংহের সংবাদ পাঠক ও উপস্থাপক কৃষিবিদ নাদিরা জান্নাত রাখি এবং জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের প্রতিনিধি মোসাদ্দেক হোসেন।

তাঁরা গণমাধ্যমে নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণের চিত্র তুলে ধরেন। একই সঙ্গে সংবাদ ও কনটেন্ট তৈরিতে জেন্ডার-সংবেদনশীলতা, নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক ভাষা পরিহার, অনলাইন নিরাপত্তা এবং অপতথ্য মোকাবিলার কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, দেশের জনসংখ্যার বড় অংশ নারী হলেও নীতি-নির্ধারণী আসন ও সরাসরি রাজনৈতিক নেতৃত্বে তাঁদের প্রতিনিধিত্ব ২ দশমিক ৩৩ শতাংশে সীমাবদ্ধ। নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণের পথে থাকা সামাজিক, প্রাতিষ্ঠানিক ও দৃশ্যমান-অদৃশ্য বাধাগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো মোকাবিলায় জনসচেতনতা তৈরিই ‘হার ভোট হার সিট’ ক্যাম্পেইনের অন্যতম লক্ষ্য।

মিডিয়া ওরিয়েন্টেশনে ময়মনসিংহ বিভাগের মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অংশ নেন। পাশাপাশি শিক্ষক, সাংবাদিক, কনটেন্ট ক্রিয়েটর, ইয়ুথ অ্যাক্টিভিস্ট, স্বেচ্ছাসেবক,নাট্যকর্মী ও গ্রাফিতি আর্টিস্টরা অংশ নিয়ে নারীর রাজনৈতিক অধিকার, নেতৃত্ব বিকাশ এবং সামাজিক পরিবর্তনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

সকালের অধিবেশনে রেজিস্ট্রেশন ও প্রকল্পের ব্রিফিংয়ের পর নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণের বেসলাইন তথ্য উপস্থাপন করা হয়। পরে ক্যাম্পেইন কৌশল, জেন্ডার-সংবেদনশীল স্টোরিটেলিং, ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং অপতথ্য শনাক্ত ও মোকাবিলার কৌশল নিয়ে দলগত অনুশীলন অনুষ্ঠিত হয়।

‎দিনের শেষভাগে অনুষ্ঠিত উন্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা গণমাধ্যমে নারীর রাজনৈতিক ভূমিকা আরও দৃশ্যমান করা, ইতিবাচক ও তথ্যভিত্তিক গল্প তৈরি এবং তরুণদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেন। আলোচনার মধ্য দিয়ে নারীর রাজনৈতিক অধিকার ও নেতৃত্ব বিকাশে গণমাধ্যমের করণীয় এবং আগামী দিনের কর্মপন্থা নির্ধারণ করা হয়।

অন্যান্য খবর

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নাম জানানো হয়। ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী হবেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর […]

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:৫৭

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নাম জানানো হয়।

ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী হবেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে দলটির মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি আবু সাদিক কায়েমের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

এর মধ্য দিয়ে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের সম্ভাব্য প্রার্থী সামনে আনল জামায়াতে ইসলামী।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৪১২

অন্যান্য খবর

পাঁচ অভিযোগ থেকে খালাস পেলেন হাসানুল হক ইনু

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে তিনটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আটটি অভিযোগের মধ্যে পাঁচটিতে তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন […]

পাঁচ অভিযোগ থেকে খালাস পেলেন হাসানুল হক ইনু

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১৭:২১

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে তিনটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আটটি অভিযোগের মধ্যে পাঁচটিতে তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

রায়ে বলা হয়, তিন নম্বর অভিযোগে ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৬ ও ৭ নম্বর অভিযোগে এক লাখ টাকা করে মোট দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং পৃথকভাবে ১০ বছর করে সাজা দেওয়া হলেও সব দণ্ড একসঙ্গে কার্যকর হওয়ায় তাকে মোট ১০ বছর কারাভোগ করতে হবে। অন্যদিকে ১, ২, ৪, ৫ ও ৮ নম্বর অভিযোগে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য, বিভিন্ন নথি ও আলামত উপস্থাপন করে। দীর্ঘ তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে ট্রাইব্যুনাল এই রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় হাসানুল হক ইনু আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) রায়ের কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার করে।

অন্যান্য খবর

যতই ব্যস্ত থাকি না কেন, এলাকার উন্নয়নে পাশে থাকবো: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পেলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করার ইচ্ছা রয়েছে তার। একই সঙ্গে নিজের এলাকার উন্নয়নেও সক্রিয় থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর হেয়ার রোডে সরকারি বাসভবনে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে […]

যতই ব্যস্ত থাকি না কেন, এলাকার উন্নয়নে পাশে থাকবো: মির্জা ফখরুল

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ আগস্ট ২০২৬, ২২:১০

বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পেলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করার ইচ্ছা রয়েছে তার। একই সঙ্গে নিজের এলাকার উন্নয়নেও সক্রিয় থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর হেয়ার রোডে সরকারি বাসভবনে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি কখনো ভাবিনি যে রাষ্ট্রপতি হবো। এটা দলের এবং মহান আল্লাহর অশেষ মেহেরবানি। রাষ্ট্রপতি হলেও আমার ইচ্ছা আছে, জনগণের পাশে থেকে সেবা করবো।’

তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব ও ব্যস্ততা যতই থাকুক, জনগণের কল্যাণ এবং এলাকার উন্নয়নে তিনি পাশে থাকার চেষ্টা করবেন।

সাক্ষাৎকালে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার নেতারা বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানান। এ সময় তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে তাকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ায় মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

পরে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেন।

সৌজন্য সাক্ষাতে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার সভাপতি মানিক মুনতাসির, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, প্রধান বার্তা সম্পাদক মানিকুল আজাদসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সংগঠনের উপদেষ্টা ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।