জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের তালিকা প্রণয়নে অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তার দাবি, ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের অনেক ব্যক্তিকে গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি এবং আহতদের ক্যাটাগরি নির্ধারণেও বৈষম্য করা হয়েছে।
রোববার (২ আগস্ট) সন্ধ্যায় জাগ্রত জুলাই ফোরাম আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ইশরাক হোসেন বলেন, আইন অনুযায়ী জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। তিনি জানান, আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই আহত ও শহীদদের জন্য সরকার এখন পর্যন্ত এক হাজার ৬ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে শহীদ পরিবার ও আহতদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কিছু ব্যক্তি অশালীন ভাষা ব্যবহার করে প্রতিবাদ প্রকাশের চেষ্টা করছেন। তার ভাষায়, এ ধরনের ভাষা নতুন বাংলাদেশের সংস্কৃতি হতে পারে না। তিনি বলেন, গালাগালির সংস্কৃতিকে স্বাভাবিক করে তোলার বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান অব্যাহত থাকবে।
একই অনুষ্ঠানে প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই অভ্যুত্থানকে ‘হাইজ্যাক’ করেছে। তার দাবি, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও অনেক অযোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ায় ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন উদ্যোগ বিভাজনের মুখে পড়েছে।
নুর আরও বলেন, কিছু রাজনৈতিকভাবে অনভিজ্ঞ ব্যক্তি অশ্লীল ও অশ্রাব্য ভাষার ব্যবহারকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন, যা রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য ক্ষতিকর।