বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেয় : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ‘সর্বোচ্চ মর্যাদা’ দেয়। তিনি বলেন, এটি দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান আস্থা ও সম্পর্কের দৃঢ়তার প্রতিফলন, যা এখন একটি বিস্তৃত কৌশলগত অংশীদারিত্বের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আজ রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের কাছে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত রাষ্ট্রদূত সার্জিও গরের সফর সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে […]

যুক্তরাষ্ট্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেয় : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ আগস্ট ২০২৬, ২০:৫৮

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ‘সর্বোচ্চ মর্যাদা’ দেয়। তিনি বলেন, এটি দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান আস্থা ও সম্পর্কের দৃঢ়তার প্রতিফলন, যা এখন একটি বিস্তৃত কৌশলগত অংশীদারিত্বের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

আজ রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের কাছে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত রাষ্ট্রদূত সার্জিও গরের সফর সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সর্বোচ্চ মর্যাদায় দেখে। এটি দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা ও সম্পর্কের গভীরতার পরিচায়ক, যা নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।’

তিনি বলেন, গতকাল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর মার্কিন দূতের মন্তব্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ওয়াশিংটনের আস্থা এবং ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রতিশ্রুতিরই বহিঃপ্রকাশ।

হুমায়ুন কবির জানান, রাষ্ট্রদূত গরের এ সফর ছিল পরিচিতিমূলক। এ সফরে দুই পক্ষ সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বিভিন্ন কৌশলগত বিষয়ে মতবিনিময়ের সুযোগ পেয়েছে।

তার মতে, আলোচনায় বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সম্ভাবনা এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, আগামী এক দশকে বাংলাদেশকে এশিয়ার একটি সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে দেখছে ওয়াশিংটন এবং সেই সম্ভাবনা বাস্তবায়নে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী।

হুমায়ুন কবির বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আরও শক্তিশালী ও টেকসই অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততার নীতি অনুসরণ করছে। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ তাদের কাছে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও উচ্চমূল্যসম্পন্ন’ অংশীদার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে অর্জিত গণতান্ত্রিক জনসমর্থন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অবস্থান ও গ্রহণযোগ্যতাকে আরও শক্তিশালী করেছে।

উপদেষ্টা বলেন, সরকার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে, যেখানে জাতীয় স্বার্থকে কূটনীতি, অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা ও নিরাপত্তা সহযোগিতার কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও দৃশ্যমান হয়ে উঠছে। ওয়াশিংটন, বেইজিং, রিয়াদসহ বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাজধানীতে বাংলাদেশের প্রতি সম্মান বৃদ্ধি পাচ্ছে, একই সঙ্গে সব অংশীদারের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা হচ্ছে।

হুমায়ুন কবির বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত নেতৃত্ব, বিনয় এবং সহজে যোগাযোগযোগ্য ব্যক্তিত্ব বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। এর ফলে বিদেশি সরকার ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও বেড়েছে।’

বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা সহযোগিতা সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঢাকা ও রিয়াদ ঐতিহ্যগত ধর্মীয় সম্পর্কের গণ্ডি পেরিয়ে এখন আরও বিস্তৃত কৌশলগত অংশীদারত্বের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে বাংলাদেশ সৌদি আরবকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে, যার মধ্যে আঞ্চলিক নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিষয়েও সহযোগিতা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তবে এ সহযোগিতা কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয়।

চীনের বিনিয়োগ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, নির্দিষ্ট কোনো চীনা কোম্পানিকে নিয়ে প্রচারিত প্রতিবেদনের বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ চীন থেকে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ প্রত্যাশা করে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকেও অধিক বিনিয়োগ আশা করছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের বিনিয়োগের ক্ষেত্র কোনো সংঘাতের জায়গা হবে না। আমরা ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখব এবং সব উন্নয়ন অংশীদারের সঙ্গে সমানভাবে কাজ করব।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে সাবেক পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এ বিষয়ে আরও অগ্রগতি হলে সরকার গণমাধ্যমকে জানাবে।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।