বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাতের অভিযোগে পটুয়াখালী সদর যুব জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা

পটুয়াখালীর এক বিধবা নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ এবং জোরপূর্বক গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগে পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে এজাহার হিসেবে গ্রহণপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক […]

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাতের অভিযোগে পটুয়াখালী সদর যুব জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুলাই ২০২৬, ০১:২২

পটুয়াখালীর এক বিধবা নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ এবং জোরপূর্বক গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগে পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে এজাহার হিসেবে গ্রহণপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুলাই পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় একমাত্র আসামি করা হয়েছে মো. শহিদুল ইসলামকে। ট্রাইব্যুনালের বিচারক শিরিন নিলা মামলাটি আমলে নিয়ে সদর থানাকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

অভিযুক্ত মো. শহিদুল ইসলাম পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে। তিনি সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি এবং পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের দপ্তর সম্পাদক।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, প্রায় সাত বছর আগে তাঁর স্বামী মারা যাওয়ার পর একমাত্র সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। ওই সময় শহিদুল ইসলাম তাঁকে বিভিন্ন সময়ে কুপ্রস্তাব দেন।

তিনি রাজি না হলে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে নিজের বোন দেখাশোনা করবেন বলে আশ্বাস দেন। এরপর গত ২৪ মার্চ সকালে তাঁকে পটুয়াখালী শহরের শেরে বাংলা সড়কে তাঁর বোনের বাসায় নিয়ে গিয়ে একটি কক্ষে আটকে ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, পরবর্তীতে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তাঁকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। এতে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।

পরে গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে চাপ দেওয়া হলেও তিনি রাজি হননি। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৮ মে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে তাঁকে একটি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে ওষুধ খাওয়ানো হয়। পরদিন জ্ঞান ফিরে তিনি জানতে পারেন, তাঁর গর্ভের সন্তান নষ্ট করা হয়েছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. হুমায়ুন কবির বলেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীকে শহরে এনে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে একাধিকবার ধর্ষণ এবং পরবর্তীতে জোরপূর্বক গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগে মামলাটি করা হয়েছে। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে সদর থানাকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির নাজমুল আহসান বলেন, “যেহেতু বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন, তাই এ বিষয়ে মন্তব্য করা সমীচীন হবে না। আদালত অভিযোগের সত্যতা যাচাই করবেন। আদালতে দোষী প্রমাণিত হলে দলীয়ভাবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, “এখনও আদালতের আদেশের কপি হাতে পাইনি। কপি পাওয়ার পর আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

তবে মামলার অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মো. শহিদুল ইসলামের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।