সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনীর নবনিযুক্ত প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান।
শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় বাহিনী প্রধানদের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনও স্যালুটের মাধ্যমে বীর শহীদদের প্রতি সম্মান জানান। তবে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনার পর শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি লেখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কথা উঠলে শ্রদ্ধাবোধ থেকে তাঁর হাত স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্যালুটে উঠে যায় এবং তিনি বীর শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশেই সেই স্যালুট দিয়েছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, তাঁর বাবা একজন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের কমান্ডার ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তিনি জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেছেন এবং বিষয়টি নিয়ে ‘মুখরোচক আলোচনা’ বা ‘তামাশা’ করাকে তিনি অস্বাভাবিক বলে মনে করেন।
ফেসবুক পোস্টে প্রতিমন্ত্রী লেখেন, ‘হাত আমার, সম্মান জানিয়েছি সর্বজনশ্রদ্ধেয় বীরদের। দেশ গণতান্ত্রিক; আমার ইচ্ছায় আমি স্যালুট দিয়েছি। যতবার ইচ্ছা হবে, যখন ইচ্ছা হবে, আমি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্যালুট জানাব।’
সমালোচনা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, দেশের কিছু মানুষের এমন সংবেদনহীন মানসিকতা দুর্ভাগ্যজনক। তাঁর ভাষায়, ‘অসম্মান করলে বাহবা পাওয়া যায়, আর সম্মান জানালে সেটিকে নিয়ে তামাশা করা হয়।’