আরো একবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল দিল্লি। বুধবার রাতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভকারীদের উপর লাঠিচার্জ করে, কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোঁড়ে পুলিশ। অন্যদিকে, পুলিশকে লক্ষ্য করেও পাথর ছোঁড়া হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার সন্ধ্যা থেকেই দিল্লির যন্তর মন্তরের চারপাশে বিক্ষোভকারীদের ভিড় ক্রমে বাড়তে শুরু করে। এক পর্যায়ে ভিড় টলস্টয় মার্গ এবং পার্লামেন্ট স্ট্রিট পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।
ভারতীয় সংবাদপত্রগুলোয় লেখা হয়েছে যে মূল জমায়েতের এলাকা দুদিক থেকে লোহার বেড়া দিয়ে কিছুটা ছোটো করে দিয়েছিল পুলিশ, তাই বহু বিক্ষোভকারীই মূল মঞ্চের দিকে না যেতে পেরে নানা জায়গায় ছোটো ছোটো জমায়েত করছিলেন।
এই জমায়েতগুলো ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ সন্ধ্যায় কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে এবং লাঠিচার্জ করে। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকে। এসময় পাল্টা আক্রমণ করা হয় এবং তাদের লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার সকালেও যন্তর মন্তরে বহু বিক্ষোভকারী হাজির রয়েছেন, অন্যদিকে পুলিশ এবং দাঙ্গাদমন বাহিনী ‘র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স’ এর সদস্যরাও হাজির রয়েছেন সেখানে। বুধবারের মতোই বৃহস্পতিবারও দিল্লি মেট্রোর একাধিক স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে।
মেট্রো স্টেশন বন্ধ করার বিষয়ে সিজেপি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছে, “মেট্রো স্টেশন বন্ধ করার এই প্রতিদিনের নাটক কেন? আপনারা যা-ই করুন না কেন, মানুষ যন্তর মন্তরে আসতেই থাকবে।”
আবার বৃহস্পতিবার সকালেই এক সংবাদ সম্মেলনে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং অন্যান্য বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছেন যে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে তাদের আন্দোলন চলবে।
এরই মাঝে বৃহস্পতিবার সকালে সামাজিক মাধ্যমে বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভারতের যুবসমাজের প্রশংসা করে তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার বিচার ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে করার আশ্বাস দেন।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?