মেহেরপুর প্রতিনিধি (০৯/০৭/২৬):
শ্বাশুড়ীকে হত্যার অপরাধ হিসেবে জামাই হাউস আলীকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মেহেরপুর জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন টাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক জেলা ও দায়রা জজ আলী মাসুদ শেখ এই রায় প্রদান করেন।
দণ্ডিত হাউস (৫২) আলী গাংনী উপজেলার ষোলটাকা গ্রামের মহাম্মদ আলীর ছেলে।
জানা স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন তাকে তালাক দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পড়েন হাউস আলী। ২০১৬ সালের ৮ মে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে শ্বাশুড়ী ফুলসুরাতনের (৬৫) গায়ে দাহ্য পদার্থ ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। গুরুতর অবস্থায় তাকে নেওয়া হয় গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। শরীরের ৭০ ভাগ পুড়ে যাওয়ায় পাঠানো হয় মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে। পরের দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃদ্ধার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় বৃদ্ধার মেয়ে আম্বিয়া খাতুন তার স্বামী হাউস আলীর নামে গাংনী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে আদালতে চুড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় পুলিশ।
পুলিশের চুড়ান্ত প্রতিবেদন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে হাউস আলীর বিরুদ্ধে সন্দেহাতীতভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হয়। বিজ্ঞ আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৪ (১) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে আমৃত্যু কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
আদালতের নির্দেশে দণ্ডিত হাউস আলীকে মেহেরপুর জআসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড. শহিদুল ইসলাম এবং বাদী পক্ষে ছিলেন পাবলিক প্রসিকিউটর মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন