নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: মোঃ সোবেল মিয়া
“নেই কোনো উন্নয়ন, নেই কোনো আশ্বাস। আমাদের এখন আর বড় কোনো চাহিদাও নেই— শুধু একটা চলাচলের উপযোগী রাস্তা চাই।”
এভাবেই ক্ষোভ ও দীর্ঘশ্বাস নিয়ে নিজেদের দুর্ভোগের কথা বলছিলেন নাসিরনগরের ধরমন্ডল ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা।
স্বাধীনতার পরও অবহেলিত জনপদ
স্বাধীনতার এত বছর পরও একটি পাকা বা চলাচলের উপযোগী রাস্তার অভাবে চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন স্থানীয় হাজারো মানুষ। ভোটের সময় প্রতিশ্রুতি মেলে, কিন্তু উন্নয়ন আর আসে না।
যে ভোগান্তিতে প্রতিদিনের জীবন
1. যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা:
বর্ষা এলেই রাস্তাটি কাদামাটিতে একাকার হয়ে যায়। তখন হেঁটে চলাই দুষ্কর, যানবাহন চলাচল তো কল্পনার বাইরে।
2. চিকিৎসা ও জরুরি সেবা থেকে বঞ্চিত:
এলাকায় কেউ অসুস্থ হলে বা কোনো গর্ভবতী নারীকে হাসপাতালে নিতে হলে খাটিয়ায় করে কিংবা কাঁধে করে মেইন রোড পর্যন্ত নিয়ে যেতে হয়। সময়মতো চিকিৎসা না পেয়ে অনেক সময় রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে।
3. শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ:
স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতিনিয়ত কাদাপানি মাড়িয়ে যাতায়াত করতে হয়। এতে ব্যাহত হচ্ছে তাদের শিক্ষাজীবন।
জনগণের দাবি ও ক্ষোভ
একজন ভুক্তভোগী বাসিন্দা বলেন,
“ভোটের সময় নেতারা আসেন, বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু ভোট চলে গেলে আর কারো দেখা মেলে না। আমাদের দাবি খুব সামান্য— আমরা কোনো বিলাসী উন্নয়ন চাই না, শুধু একটু শান্তিতে যাতায়াতের জন্য একটা রাস্তা চাই।”
প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ
এলাকাবাসীর এখন আর নতুন কোনো আশ্বাসে মন ভরছে না। তাদের একটাই দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন অতি দ্রুত ধরমন্ডল ৪নং ওয়ার্ডের এই রাস্তাটির সংস্কার ও পাকরণের উদ্যোগ নেন এবং অবহেলিত এই জনপদের দীর্ঘদিনের কষ্টের অবসান ঘটান।
সংক্ষেপে:
স্থান: ধরমন্ডল ইউনিয়ন, ৪নং ওয়ার্ড, নাসিরনগর
সমস্যা: বর্ষায় চলাচল অনুপযোগী কাদার রাস্তা
ভোগান্তি: চিকিৎসা, শিক্ষা ও যোগাযোগে চরম দুর্ভোগ
দাবি: দ্রুত রাস্তা সংস্কার ও পাকাকরণ