নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের লক্ষীপুর জামিউল উলুম মাহমুদিয়া কওমি মাদ্রাসায় নিজস্ব জমি থাকলেও মাটি ভরাটের অভাবে নতুন টিনশেড ঘর নির্মাণ করা যাচ্ছে না। ফলে একটি মাত্র কক্ষে প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থীকে গাদাগাদি করে পাঠ গ্রহণ করতে হচ্ছে।
এতে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেস্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১ নম্বর নাজিরপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত মাদ্রাসাটিতে বর্তমানে প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী ও তিনজন শিক্ষক রয়েছেন। মাদ্রাসার নিজস্ব জমিতে নতুন টিনশেড ঘর নির্মাণের পরিকল্পনা থাকলেও জমি নিচু হওয়ায় আগে মাটি ভরাট প্রয়োজন।
কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে তা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে দীর্ঘদিন ধরে একটি কক্ষেই সব শ্রেণির পাঠমাদ্রাসায় যাতায়াতের একমাত্র প্রায় তিন কিলোমিটার কাঁচা সড়কটিও বেহাল অবস্থায় রয়েছে। সড়কের দুটি কালভার্ট রাস্তার তুলনায় উঁচু হওয়ায় যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, কালভার্ট দুটির দুই পাশে দ্রুত মাটি ভরাট করে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করার পাশাপাশি মাদ্রাসার জমিও ভরাটের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এতে নতুন টিনশেড ঘর নির্মাণ করে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি উপযুক্ত পাঠদানের পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হমাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি বলেন, “আমাদের নিজস্ব জমি রয়েছে।
কিন্তু জমি নিচু হওয়ায় সেখানে টিনশেড ঘর নির্মাণ করা যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে একটি কক্ষেই প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থীকে পাঠদান করতে হচ্ছউপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আমাদের অনুরোধ, মাটি ভরাটের ব্যবস্থা করে দিলে আমরা নতুন ঘর নির্মাণ করতে পারব। এতে শিক্ষার্থীরা সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশে পড়াশোনার সুযোগ পাবে।”
এ বিষয়ে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিলে দীর্ঘদিনের এ সংকটের সমাধান হবে এবং মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিক পরিবেশে লেখাপড়ার সুযোগ পাবে।