আলী আক্কাস (মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি)
পবিত্র ঈদুল আজহায় মুন্সিগঞ্জে কুরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটতে গিয়ে নারী-শিশুসহ অন্তত ১০৮ জন আহত হয়েছেন। ধারালো দা, ছুরি ও চাপাতির আঘাতে আহতদের বেশিরভাগই হাত-পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হন।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেন আহতরা। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দিনজুড়ে আহতদের চাপ ছিল উল্লেখযোগ্য।
মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সৌরভ সাহা বলেন, “কুরবানির মাংস কাটতে গিয়েই অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ১০৮ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ১০০ জন পুরুষ ও ৮ জন নারী।”
তিনি জানান, অনেকের হাত ও পায়ে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। কয়েকজনকে সেলাইসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শিশু ও কিশোরদের মধ্যেও আহত হওয়ার ঘটনা রয়েছে।
হাসপাতালের বাইরে আরও অনেক আহত ব্যক্তি স্থানীয় ফার্মেসি ও বাসায় প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা বলছেন, প্রতি বছরের মতো এবারও অনভিজ্ঞ ব্যক্তিরা ‘একদিনের কসাই’ হয়ে কুরবানির কাজে অংশ নেওয়ায় দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়েছে। অসতর্কভাবে ধারালো অস্ত্র ব্যবহারের কারণেই বেশিরভাগ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
চিকিৎসকরা কুরবানির সময় নিরাপত্তাব্যবস্থা মেনে চলা এবং অভিজ্ঞ ব্যক্তির সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।