বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

হিন্দু সম্প্রদায়কে দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করছে আওয়ামী লীগ : গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক

হিন্দুদের বিরুদ্ধে কেউই না । গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত প্রতিটি মানুষের মধ্যে একটা সৌহার্দ্যময় পরিবেশ বজায় আছে । ধর্মীয়ভাবে কোন বিভাজন নাই, সাম্প্রদায়িক কোন বিভাজন নাই । সমস্যাটা মূলতই হচ্ছে রাজনৈতিক এবং সবচাইতে বড় ব্যাপার হচ্ছে যে এই যে আমরা হিন্দু সম্প্রদায় আমাদেরকে প্রথম ব্ল্যাকমেইল করেছে ১৯৫৪ সালে আওয়ামী লীগ যেদিন জন্ম হয়েছে সেইদিন । […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৫:১২

হিন্দুদের বিরুদ্ধে কেউই না । গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত প্রতিটি মানুষের মধ্যে একটা সৌহার্দ্যময় পরিবেশ বজায় আছে । ধর্মীয়ভাবে কোন বিভাজন নাই, সাম্প্রদায়িক কোন বিভাজন নাই । সমস্যাটা মূলতই হচ্ছে রাজনৈতিক এবং সবচাইতে বড় ব্যাপার হচ্ছে যে এই যে আমরা হিন্দু সম্প্রদায় আমাদেরকে প্রথম ব্ল্যাকমেইল করেছে ১৯৫৪ সালে আওয়ামী লীগ যেদিন জন্ম হয়েছে সেইদিন ।

সেইদিন থেকে এখনো পর্যন্ত আমাদের আমাদেরও দুর্বলতা আছে । হিন্দু সম্প্রদায়ের কিছু মানুষকে মাসহারা দিয়ে বেতন দিয়ে কিছু সুযোগ সুবিধা দিয়ে সমগ্র হিন্দু সমাজকে তারা ব্ল্যাকমেইল করে কিন্তু কিছু হিন্দু সমাজ সেটা যেন বুঝতে না পারে সেই ব্যবস্থাটা করেছে ।

পাঁচ তারিখের পরে যে ঘটনাটা এই বর্তমান যে সরকার এটা বাংলাদেশের সকল মানে শুধু হিন্দু না সকল মানুষের চাওয়া-পাওয়ার একটা সরকার। সেই সরকার মানে একটা দজ্জাল এবং কি স্বৈরাচার সেই সরকারকে হটানোর জন্য হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান সবাই মিলেই হটিয়েছে। এটা অনেকেই বলছে এটা হচ্ছে দ্বিতীয় স্বাধীনতা তো সেই স্বাধীনতা পাওয়ার পর কেউই এটাকে নষ্ট করতে চায় নাই ।

আমরা দেখলাম পাঁচ তারিখের ঘটনার পরে যখন এই ঘটনা ঘটলো তখনই বিএনপি জামাতে ইসলামী ইসলামী আন্দোলনের সমস্ত নেতাকর্মীরা হিন্দু মহল্লা এবং মন্দিরগুলোতে বিশেষ করে ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে আরম্ভ করে বাংলাদেশের সব মন্দিরগুলোতে তারা পাহারা দিয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরে এক দুই দিন না ।

আমি ছয় তারিখ সকালবেলা গিয়ে দেখলাম যে ঢাকেশ্বরী মন্দির যেটা আমাদের পাহারা দেয়ার কথা বা ওইখানকার মন্দির যে কমিটিগুলো আছে তাদের ওইখানে সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব তারা পালিয়ে পালিয়ে গেছে। তো আমাদের এই হচ্ছে যে মন্দিরের লোক পালাবে কেন? খালি এখানে তাই না, বায়তুল মোকাররম মসজিদের খতিব তিনিও পালিয়েছেন । আমার বক্তব্য হচ্ছে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের যারা কমিটি তারা পালাবে কেন? তার মানে হচ্ছে সমস্ত বিষয়গুলো তারা রাজনীতিকরণ করেছে ধর্ম থেকে আরম্ভ করে মন্দির মসজিদ কোনটাই বাদ দেয়নি তো আমরা যেটা আশঙ্কা করেছিলাম।

বিশেষ করে আওয়ামী লীগ আওয়ামী লীগের কোন কোন নেতা বলেছিল যে, আওয়ামী লীগের যেদিন পতন হবে সেদিন ৩ লক্ষ মানুষ নিহত হবে । তো ৩ লক্ষ মানুষ নিহত হলে তো হিন্দুরা ওর মধ্যে আছে । ভারতের গণমাধ্যম কিছু কিছু গণমাধ্যম কেন এইভাবে এই বিষয়টা দেখেন ? এটাও রাজনীতি। রাজনীতি বলতে গেলে আমাদের পাশে যে শুভেন্দু বাবু আছে বিশেষ করে উনি এই বিষয় এটা নিয়ে বেশি উচ্চবাচ্য করেন ওখানেও তো আর আমাদের শেখ হাসিনার মত তো ভোট ছাড়া রাজনীতি না ওখানে ভোট পেতে হয় মারামারি কাটাকাটি হলেও নিতে হয়।

উনি মনে করেছেন যে এই একটা সুযোগ বাংলাদেশে ১০ টা হিন্দু মন্দির ভাঙলে ১০ টা হিন্দু মারা গেলে ওদের লাভ । এইটাকে নিয়ে উনারা ওই এলাকার মধ্যে বলবে যে দেখেন বাংলাদেশে হিন্দুরা মাইনরিটি আজকে হিন্দুদের এই দুরবস্থা আজকে পশ্চিম বাংলায় যদি মুসলিমরা আরো বেড়ে যায় এবং যদি মমতা বন্দোপাধ্যায় থাকে তাহলে বাংলাদেশেও তোমার ভারতেও তোমাদের মত অবস্থা হবে। অতএব তোমরা বিজেপিকে ভোট দাও আগামীতে উনার মূল লক্ষ্য হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী হওয়া।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৭৩

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬০
বিষয়ঃ

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬০

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬০