মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি
বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেলায় আবেদন করেছিলেন ৩২৮ জন প্রার্থী। দীর্ঘ বাছাই প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের মধ্য থেকে চূড়ান্তভাবে ২৭ জনকে নিয়োগের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। এছাড়া অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হয়েছে আরও পাঁচজনকে।
গত রোববার (১৮ মে) দুপুরে মুন্সিগঞ্জ পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন মুন্সিগঞ্জ জেলা নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিয়োগের প্রথম ধাপে শারীরিক সক্ষমতা যাচাই পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ১৫৪ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। পরে ১৫৩ জন লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৪০ জনকে মৌখিক ও মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়।
পরবর্তীতে লিখিত, মৌখিক ও মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম তৈরি করে ২৭ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়।
ফলাফল ঘোষণার পর নির্বাচিত প্রার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানায় জেলা পুলিশ। এ সময় অনেক প্রার্থী আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তাঁদের কয়েকজন জানান, স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চাকরি পাওয়ায় তাঁদের পরিবারেও আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে।
অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম নবনির্বাচিতদের উদ্দেশে বলেন, “অনেক কষ্ট ও পরিশ্রমের মাধ্যমে তোমরা এ পর্যন্ত পৌঁছেছ। এখন সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দেশের মানুষের সেবায় কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখতে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের তদবির বা আর্থিক লেনদেনের সুযোগ ছিল না। সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও মেধার ভিত্তিতেই এই নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে।
অনুষ্ঠানে গাজীপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. আবু খায়ের, শরীয়তপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. তানভীর হোসেনসহ মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।