শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

অপরাধীরা দেশ বা দেশের বাইরে যেখানেই থাকুক না কেন, আইনের আওতায় আনা সময়ের ব্যাপার মাত্র: মিজানুর রহমান আজহারী

এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তির মাধ্যমে জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর ছবি, ভিডিও এবং কণ্ঠস্বর ক্লোন করে ছবি, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানোর অভিযোগ করেছেন তিনি নিজেই। এর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন আজহারী। প্রতারক চক্রকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, অপরাধীরা দেশ বা দেশের বাইরে যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এখন সময়ের […]

অপরাধীরা দেশ বা দেশের বাইরে যেখানেই থাকুক না কেন, আইনের আওতায় আনা সময়ের ব্যাপার মাত্র: মিজানুর রহমান আজহারী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২১:২৯

এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তির মাধ্যমে জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর ছবি, ভিডিও এবং কণ্ঠস্বর ক্লোন করে ছবি, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানোর অভিযোগ করেছেন তিনি নিজেই।

এর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন আজহারী। প্রতারক চক্রকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি জানিয়েছেন, অপরাধীরা দেশ বা দেশের বাইরে যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

সম্প্রতি মিজানুর রহমান আজহারীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দুই মাস আগে সতর্ক করার পর প্রতারক চক্র সাময়িকভাবে কার্যক্রম বন্ধ রাখলেও এখন নতুন উদ্যমে অপকর্ম শুরু করেছে।

তারা এআই ব্যবহারের মাধ্যমে তার কণ্ঠ ও ছবি হুবহু নকল করে বিভিন্ন ভুয়া ওষুধ ও চিকিৎসা সংক্রান্ত বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন ছড়াচ্ছে। ইতোমধ্যে এ ধরনের সহস্রাধিক কন্টেন্ট অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মিজানুর রহমান আজহারীর পক্ষ থেকে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এরই মধ্যে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে এবং বিটিআরসি চেয়ারম্যান বরাবর সংশ্লিষ্ট পেজ ও কন্টেন্টগুলো দ্রুত অপসারণের আবেদন জানানো হয়েছে। এছাড়া পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটের মাধ্যমে প্রতারক চক্রের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট শনাক্ত করার কাজও পুরোদমে চলছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, যারা এখনো এই গর্হিত কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন, তাদের রেহাই দেওয়া হবে না। জনসাধারণের জানমাল ও বিশ্বাস নিয়ে খেলা করা এই চক্রকে আইনের মুখোমুখি করতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।

শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, অনলাইনে কোনো বিজ্ঞাপন দেখে বিভ্রান্ত হওয়ার আগে যেন অবশ্যই অফিশিয়াল সোর্স থেকে যাচাই করে নিন। মিজানুর রহমান আজহারী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, হাসানা ফাউন্ডেশন কিংবা তার ব্যক্তিগত আইডি ছাড়া কোনো ধরনের ওষুধ বা বাণিজ্যিক পণ্যের প্রচার বা প্রমোশন করা হয় না।

জনসাধারণের সুবিধার্থে তার পক্ষ থেকে কমেন্ট বক্সে সকল অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের লিংক প্রদান করা হয়েছে। সত্যতা যাচাই ছাড়া কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা পণ্য কেনা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়া

পাটওয়ারী-সারজিসের গাড়ি বহরে লীগের জয় বাংলা হয়েছে,আরও বেশি বেশি আ.লীগের পাশে থাকুন, দোচন খান: ইলিয়াস

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সফরকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে। পোস্টে আরও বলা হয়, এ ঘটনাকে আওয়ামী লীগের প্রতি জনসমর্থনের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ওই পোস্টে […]

পাটওয়ারী-সারজিসের গাড়ি বহরে লীগের জয় বাংলা হয়েছে,আরও বেশি বেশি আ.লীগের পাশে থাকুন, দোচন খান: ইলিয়াস

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুলাই ২০২৬, ২২:৪১

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সফরকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে। পোস্টে আরও বলা হয়, এ ঘটনাকে আওয়ামী লীগের প্রতি জনসমর্থনের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ওই পোস্টে লেখক আওয়ামী লীগের সমর্থকদের উদ্দেশে দলটির পাশে থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় দেড় বছর আগেই এমন পরিস্থিতির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন বলে তার দাবি।

সোশ্যাল মিডিয়া

‘সুযোগ-সুবিধার জন্য দল পরিবর্তনকারীরা রাজনৈতিক পতিতা’: নুরের পোস্টে আমিরের ‘সহমত’

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করেছেন মুফতি আমির হামজা। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নুরুল হক নুরের ওই পোস্টটি শেয়ার করেন তিনি। শেয়ার করা পোস্টে নুর লিখেছেন, ‘সুযোগ-সুবিধার জন্য দল পরিবর্তনকারীরা রাজনৈতিক পতিতা! যারা পতিতার মতো টাকা/সুযোগ-সুবিধায় বিক্রি হয়, এদের থেকে ভালো কিছু পাওয়ার আছে?’ শেয়ার […]

‘সুযোগ-সুবিধার জন্য দল পরিবর্তনকারীরা রাজনৈতিক পতিতা’: নুরের পোস্টে আমিরের ‘সহমত’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৪১

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করেছেন মুফতি আমির হামজা।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নুরুল হক নুরের ওই পোস্টটি শেয়ার করেন তিনি।

শেয়ার করা পোস্টে নুর লিখেছেন, ‘সুযোগ-সুবিধার জন্য দল পরিবর্তনকারীরা রাজনৈতিক পতিতা! যারা পতিতার মতো টাকা/সুযোগ-সুবিধায় বিক্রি হয়, এদের থেকে ভালো কিছু পাওয়ার আছে?’

শেয়ার করা পোস্টটি দেখা যায়, নুরুল হক নুরের ওই পোস্টটি ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই প্রকাশ করা হয়েছিল। পরে মুফতি আমির হামজা সেটি নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে শেয়ার করেন।

নুরুল হক নুরের পোস্ট শেয়ার আমির হামজা লেখেন ‘সহমত’।

সোশ্যাল মিডিয়া

হুজুররা হাসনাতের বেলায় চেতছে, বিএনপির বেলায় চুপ, ‘ওপেন শত্রুতা সহ্য হয়, মোনাফেকি না!: মাদানী

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যে বিএনপির নেতাদের বক্তব্যের সঙ্গে আলেমদের প্রতিক্রিয়ার তুলনা টেনেছেন শিশুবক্তা হিসেবে পরিচিত রফিকুল ইসলাম মাদানী। তিনি দাবি করেছেন, হাসনাতের সঙ্গে সম্পর্ক ও জুলাইয়ের আন্দোলনে একসঙ্গে থাকার কারণেই তার বক্তব্যে কষ্ট পেয়েছেন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও আলেমরা। রোববার (৩০ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে […]

হুজুররা হাসনাতের বেলায় চেতছে, বিএনপির বেলায় চুপ, ‘ওপেন শত্রুতা সহ্য হয়, মোনাফেকি না!: মাদানী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫২

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যে বিএনপির নেতাদের বক্তব্যের সঙ্গে আলেমদের প্রতিক্রিয়ার তুলনা টেনেছেন শিশুবক্তা হিসেবে পরিচিত রফিকুল ইসলাম মাদানী।

তিনি দাবি করেছেন, হাসনাতের সঙ্গে সম্পর্ক ও জুলাইয়ের আন্দোলনে একসঙ্গে থাকার কারণেই তার বক্তব্যে কষ্ট পেয়েছেন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও আলেমরা।

রোববার (৩০ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন রফিকুল ইসলাম মাদানী।

পোস্টে তিনি লেখেন, যারা বলার চেষ্টা করছেন—এই হুজুররা হাসানাতের বেলায় এত চেতছে, অথচ ফজলুর রহমান, রুমিন ফারহানা বা অন্য কেউ বললে তো এত চেতে না। এর মাধ্যমে তারা ‘ফান্ডিং আন্দোলন’ করেন—এমন ধারণা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এর জবাবে মাদানী প্রশ্ন তোলেন, বাই রাজুতে আসেন বলার পর রুমিন ফারহানা বা ফজলুর রহমানের ডাকে কোন মাদ্রাসা ছাত্ররা গিয়েছিল শাহবাগে? কিংবা আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার আন্দোলনে কার ডাকে স্কুলের পাশাপাশি মাদ্রাসা ছাত্ররা গিয়েছিল?

হাসনাত আবদুল্লাহর সঙ্গে নিজের যোগাযোগের প্রসঙ্গ তুলে মাদানী বলেন, একদিন হাসনাত তাকে ফোন করে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলনের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় আসতে বলেছিলেন। এতে তিনি অবাক হয়েছিলেন, কারণ তার নম্বর হাসনাত কোথা থেকে পেয়েছিলেন, তা তার জানা ছিল না।

মাদানী বলেন, পরে তিনি সঙ্গে থাকা লোকজনকে নিয়ে ঢাকায় যান এবং শাহবাগে অনেক মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকেও উপস্থিত দেখতে পান। দেশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর হাসনাতের আমন্ত্রণে তার বাড়িতে আয়োজিত মাহফিলেও গিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে রুমিন ফারহানা ও ফজলুর রহমানকে নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেন মাদানী। তাদের ‘বাইরের এজেন্ট’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, রুমিন ফারহানা বা ফজলুর রহমান—এ ধরনের লোক পায়ে ধরে সারাদিন পড়ে থাকলেও আমরা কোথাও যাব না। এদের আমরা বাইরের এজেন্ট মনে করি। এদের বক্তব্যের মাঝেমধ্যে প্রতিবাদ করি, আবার করিও না!

হাসনাত আবদুল্লাহ, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও নাহিদ ইসলাম মাদ্রাসা বা মসজিদে গেলে শিক্ষার্থীরা তাদের নিজেদের মানুষ মনে করে সম্মান ও ভালোবাসা দেখান বলেও দাবি করেন মাদানী।

তিনি লেখেন, ‘এখন সেই মানুষগুলো যখন সংসদের মতো জায়গায় এভাবে না জেনে, না শুনে বক্তব্য দিলে কষ্ট তো লাগবেই!’

মাদানীর ভাষ্য, আওয়ামী লীগ ও বিএনপিতে থাকা ‘শাহবাগী মার্কা কথা বলা’ ব্যক্তিদের বক্তব্যে আলেমদের তেমন প্রতিক্রিয়া হয় না, কারণ তাদের তিনি ‘চিহ্নিত’ বলে মনে করেন। কিন্তু যাদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন এবং যাদের প্রতি ভালোবাসা ও সম্পর্ক রয়েছে, তারা এমন কিছু করলে সেটিকে তিনি ‘বেঈমানী’ হিসেবে দেখেন।