বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আইন-আদালত

বিচার বিভাগকে আরো কত চরম খারাপ করা যায়, সেই কাজটাই করেছেন ড. ইউনূস : আনিস আলমগীর

সিনিয়র সাংবাদিক আনিস আলমগীর বলেছেন, বিচার বিভাগকে আরো কত চরম খারাপ করা যায়, সেই কাজটাই করেছেন ড. ইউনূস। বেসরকারি গণমাধ্যম নিউজ ২৪-এর নিয়মিত আয়োজন ‘জনতন্ত্র গণতন্ত্র’-এর এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেছেন। আনিস আলমগীর বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, বিশেষ করে নিম্ন আদালতের স্বাধীনতা সরকারের হাতে রয়ে গেছে বহু বছর থেকে। স্বাধীনতার পর থেকেই তারা নিজেদের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২০

সিনিয়র সাংবাদিক আনিস আলমগীর বলেছেন, বিচার বিভাগকে আরো কত চরম খারাপ করা যায়, সেই কাজটাই করেছেন ড. ইউনূস। বেসরকারি গণমাধ্যম নিউজ ২৪-এর নিয়মিত আয়োজন ‘জনতন্ত্র গণতন্ত্র’-এর এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেছেন।

আনিস আলমগীর বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, বিশেষ করে নিম্ন আদালতের স্বাধীনতা সরকারের হাতে রয়ে গেছে বহু বছর থেকে। স্বাধীনতার পর থেকেই তারা নিজেদের মতো কিছু করতে পারে না।

বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে তারা সরকারের ইশারায় তারা পরিচালিত হয়। তিনি বলেন, ভুয়া মামলাতে বিচার বিভাগ যখন কোনো আসামিকে জামিন দিচ্ছে, আসিফ নজরুলের মতো বাটপাড় আবার তাদের শাসায় যে, ‘কি করে আপনারা জামিন দেন এদেরকে, স্বৈরাচারের দোসরদেরকে?’

তিনি আরো বলেন, ‘দুদককে আপনি শক্তিশালী করতে চান, কিন্তু আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে আপনি আবার দুদকের একটা মামলা দিয়ে দেন। একটা ভুয়া মামলায় আপনি আমাকে গ্রেপ্তার করেন সন্ত্রাসী হিসেবে, আবার আরেকটাতে দিয়ে দেন দুদকের মামলা।’

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে আনিস আলমগীর বলেন, ‘ইউনূস নিজে যেখানে রাষ্ট্রপতিকে সম্মান করেননি, এখন বলছেন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্যের কথা।

প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদায় থাকাকালে তিনি ১৪ বার বিদেশ সফর করেছিলেন। ফিরে এসে একবারও রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করেননি। তিনি বলছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ভারসাম্যের কথা।’ তিনি বলেন, ‘ইউনূস নিজে যত বাটপাড়ি করেছে, সেই বাটপাড়িটা নিজে স্বীকার করেন না।

সে আবার গণতন্ত্র শিখাতে এসেছে, সংস্কার শিখাতে এসেছে। মানুষ যখন রাস্তায় নামবে, তখন তাকে জিজ্ঞেস করবে। এসএসএফ ছাড়া তিনি যেন রাস্তায় নেমে আসেন। এনসিপির দাবির সঙ্গে যাতে রাজপথে থাকেন, সেটা আমি চাচ্ছি।’

আইন-আদালত

শেখ হাসিনাকে বন্দি করে কয়েকদিন আমার অধীনে রাখা হয়েছিল : ট্রাইব্যুনালে আযমী

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম ও নির্যাতনের মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী। সোমবার (২৭ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনালে জেরার সময় তিনি দাবি করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামরিক শাসনামলে কিছুদিন তার অধীনে বন্দি ছিলেন। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই জেরা অনুষ্ঠিত হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুর […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪:৫২

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম ও নির্যাতনের মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী। সোমবার (২৭ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনালে জেরার সময় তিনি দাবি করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামরিক শাসনামলে কিছুদিন তার অধীনে বন্দি ছিলেন।

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই জেরা অনুষ্ঠিত হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুর প্রশ্নের জবাবে আযমী বলেন, ১৯৮৩ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে ঢাকার হেয়ার রোডের একটি বাড়িতে শেখ হাসিনাকে কয়েকদিন আটক রাখা হয়েছিল।

তিনি আরও জানান, ওই সময় আওয়ামী লীগের নেত্রী মতিয়া চৌধুরী ও সাহারা খাতুনকেও সেখানে রাখা হয়। মামলায় মোট ১৩ জন আসামি রয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজন বর্তমানে গ্রেপ্তার আছেন।

প্রসিকিউশন পক্ষের আইনজীবীরা এ মামলায় রাষ্ট্রের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করছেন। আদালতে এই জেরা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আইন-আদালত

৩ আসনের সব ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিটসহ সব নথি হাইকোর্টের হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনটি আসনে কারচুপির অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে আবেদন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সংশ্লিষ্ট আসনগুলো হলো ঢাকা-৬, ঢাকা-৭ ও গাইবান্ধা-৪। আবেদনের পর নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল এসব আসনের সব ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিটসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র বাংলাদেশ হাইকোর্ট-এর হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এ আদেশ দেওয়া হয়। এর আগে ১৯ ফেব্রুয়ারি গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ […]

নিউজ ডেস্ক

২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২:৩৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনটি আসনে কারচুপির অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে আবেদন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সংশ্লিষ্ট আসনগুলো হলো ঢাকা-৬, ঢাকা-৭ ও গাইবান্ধা-৪। আবেদনের পর নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল এসব আসনের সব ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিটসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র বাংলাদেশ হাইকোর্ট-এর হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এ আদেশ দেওয়া হয়। এর আগে ১৯ ফেব্রুয়ারি গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনি অনিয়ম সংক্রান্ত আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেন-এর নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের শুনানি করবেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোটগ্রহণ হয় এবং ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়। পরে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করে। তবে আদালতের নির্দেশনার কারণে দুটি আসনের গেজেট এখনো প্রকাশ হয়নি।

আইন-আদালত

বাদ দেওয়া হচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)-এর চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের পরিবর্তে নতুন একজনকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নতুন সরকার। এই পদে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলামকে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। রোববার রাতে ফেসবুক প্রোফাইলে খবরটি প্রকাশ করেন ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান। আমিনুল ইসলাম আগে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলায় তার পক্ষে আইনজীবী […]

বাদ দেওয়া হচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:২৮

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)-এর চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামের পরিবর্তে নতুন একজনকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নতুন সরকার। এই পদে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলামকে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। রোববার রাতে ফেসবুক প্রোফাইলে খবরটি প্রকাশ করেন ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান।

আমিনুল ইসলাম আগে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলায় তার পক্ষে আইনজীবী দলের সদস্য ছিলেন। ওই মামলায় খালেদা জিয়া কারাদণ্ড পান।

একটি সূত্র জানিয়েছে, এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে তাজুল ইসলামকে অনানুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। তবে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। রোববার চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামকে আইনমন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান তার কার্যালয়ে ডেকে পাঠান। সেখানে তাজুল ইসলামকে জানানো হয় নতুন চিফ প্রসিকিউটর নিয়োগে সরকারের উচ্চ মহলের আগ্রহের কথা।