শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আমরা সংবিধানের সংশোধন চাই না সংস্কার চাই : ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামের আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা সংবিধানের সংশোধন চাই না সংস্কার চাই। আপনারা বলছেন সংবিধানে গণভোট নেই। আমাদের প্রশ্ন এই দলটি যার হাতে জন্ম তার হাতেই বাংলাদেশের প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। তখন কি সংবিধানে গণভোট নিয়ে কোনো সমস্যা হয়েছে। তখন যদি সেটি জায়েজ হয়ে থাকে তবে […]

আমরা সংবিধানের সংশোধন চাই না সংস্কার চাই : ডা. শফিকুর রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০০:২১

বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামের আমীর ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা সংবিধানের সংশোধন চাই না সংস্কার চাই। আপনারা বলছেন সংবিধানে গণভোট নেই। আমাদের প্রশ্ন এই দলটি যার হাতে জন্ম তার হাতেই বাংলাদেশের প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। তখন কি সংবিধানে গণভোট নিয়ে কোনো সমস্যা হয়েছে। তখন যদি সেটি জায়েজ হয়ে থাকে তবে এখন নাজায়েজ হয় কিভাবে। জনগণের প্রয়োজনে গণভোট হচ্ছে কনসটিটিউশনের ওপরে সুপ্রিম অথোরিটি রায়। জনগণের সুপ্রিম অভিপ্রায় হচ্ছে চূড়ান্ত সংবিধান।
তিনি গতকাল শুক্রবার বিকেলে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বসুন্ধরা রিভারভিউ প্রকল্প এলাকায় নাসিফ কনভেনশন হলে জামায়াত ইসলামের থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাদের দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলার আমীর ও কেন্দ্রীয় সূরা সদস্য মো. দেলোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ছিলেন মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মিলন এমপি, ঢাকা জেলা দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর আমির প্রিন্সিপাল শাহিনুর ইসলাম প্রমুখ।
ডা. শফিক আরো বলেন, তিনটা গণভোটের ফল বাংলাদেশে বাস্তবায়ন হয়েছে। চতুর্থ গণভোটে যেখানে বিভিন্ন দল ছিল মত ছিল সবাই যখন এক শুধু তাই নয় বিএনপির প্রতিনিধিরা বলেছেন সংবিধানের সংস্কারের প্রস্তাবগুলো আইনগতভাবে বাস্তবায়ন করতে হলে গণভোটের প্রস্তাব দিচ্ছি। প্রস্তাব দিলেন গণভোটের নির্বাচনের পরে এসে আপনাদের মতামত রাতারাতি বদলে গেল। আপনারাই বলেছিলেন সবাই মিলে বাংলাদেশ, সবার আগে বাংলাদেশ মিলে ঝিলে বাংলাদেশ। কিন্তু কোথায় আজ সেই বাংলাদেশ। ইতিমধ্যেই সবাই মিলে বাংলাদেশ চ্যাপ্টারটি আউট হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় ও তার আগে এরকম প্রশাসকের ছড়াছড়ি ছিলনা। এখন সব জায়গায় প্রশাসক বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদে পর্যায়ক্রমে আরো নিচের কোনো পদে প্রশাসক বসাবে কিনা আমরা তা জানি না। এসব কি সবাই মিলে বাংলাদেশ। এতগুলো প্রশাসক নিয়োগ করলেন এমনিতেই তো এগুলো হওয়া উচিত না। এমনিতেই সাংবিধানিকভাবে এগুলো বেআইনি। সংবিধানে স্পষ্টভাবে লেখা আছে নির্বাচিত প্রতিনিধিরাই এসবের দায়িত্ব পালন করবে। কিন্তু আপনারা সব জায়গায় প্রশাসক বসিয়ে দিচ্ছেন। সব প্রশাসক আপনাদের দলীয় লোক। এদের মধ্যে কেউ কেউ সংসদের নির্বাচন করে সফল হতে পারেনি। এখন তাদেরকে বড় বড় জায়গায় বসিয়ে দিচ্ছেন।
জামায়াতের আমীর শফিক আরো বলেন, আপনারা বলেন সর্বপ্রথম ক্ষমতার মালিক জনগণ। দেশের মালিক জনগণ। কিন্তু দেশের জনগণকে আপনারা এখন গুরুত্ব দিচ্ছেন না। এই জনগণই তো ১২ই ফেব্রুয়ারি দুইটা ভোট দিয়েছিলেন। একটি জাতীয় সংসদে আরেকটি গণভোটে হ্যাঁ। আপনারা ভিতরে ভিতরে না ছিলেন কিন্তু প্রকাশ্যে আপনারা হ্যাঁ ভোটের কথা বলেছেন। আপনারা এখন বলছেন জনগণ আপনাদের ৫১% ভোট দিয়েছেন। কিন্তু জনগণ ৭০% হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন। তাহলে ৫১ বড় না ৭০ বড়। আপনারা ৭০% জনগণের মতামত উপেক্ষা করছেন। এর নাম কি গণতন্ত্র। দেশে আজ ফ্যাসিবাদ নাই সামরিক শাসনও নাই কিন্তু দেশের মানুষ এখন চরম আতঙ্কে আছে।
সংসদে তারা বলছে দেশ আজ তেলের ওপর ভাসছে। কিন্তু বাস্তবে তেলের জন্য পেট্রোল পাম্প গুলোতে হাহাকার চলছে। পেট্রোল পাম্প গুলোতে লেখা আছে তেল আছে। কিন্তু সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য যানবাহনের মালিকগণ তেল পাচ্ছে না। তাহলে জাতির সঙ্গে তেল নিয়ে আপনাদের এই তামাশা কেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৫

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৫

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৭

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৭