মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

খুলনায় আতঙ্ক ছড়াচ্ছে হাম, ১০ জেলায় হাসপাতালে ভর্তি ৭৯ শিশু

খুলনায় হঠাৎ হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিদিনই গায়ে ব্যথা, তীব্র জ্বর, সর্দি ও লালচে ফুসকুড়ি নিয়ে রোগীরা হাসপাতালের বহির্বিভাগে আসছেন। এদিকে পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছায়নি বলে জানান চিকিৎসকরা। হাসপাতালগুলোর তথ্য বলছে, বিভাগের ১০ জেলায় অন্তত ৭৯ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে অন্তত ২৬ জনের শরীরে হাম […]

খুলনায় আতঙ্ক ছড়াচ্ছে হাম, ১০ জেলায় হাসপাতালে ভর্তি ৭৯ শিশু

খুলনায় আতঙ্ক ছড়াচ্ছে হাম, ১০ জেলায় হাসপাতালে ভর্তি ৭৯ শিশু

নিউজ ডেস্ক

৩১ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৫

খুলনায় হঠাৎ হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিদিনই গায়ে ব্যথা, তীব্র জ্বর, সর্দি ও লালচে ফুসকুড়ি নিয়ে রোগীরা হাসপাতালের বহির্বিভাগে আসছেন। এদিকে পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছায়নি বলে জানান চিকিৎসকরা।

হাসপাতালগুলোর তথ্য বলছে, বিভাগের ১০ জেলায় অন্তত ৭৯ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে অন্তত ২৬ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য নতুন করে সতর্ক সংকেত দিচ্ছে।

এছাড়া খুলনা বিভাগের সর্বোচ্চ রোগী শনাক্ত হয়েছে কুষ্টিয়ায়।কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সদর হাসপাতাল মিলিয়ে ৬৩ জন শিশু বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে, যাদের বড় অংশই হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি। এছাড়া যশোরে ৬ জন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪ জন এবং ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা ও মাগুরায় ২ জন করে শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। অন্যান্য জেলাতেও হাম ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

চিকিৎসকরা বলছেন, আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশই অল্পবয়সি শিশু। বিশেষ করে এক বছরের কম বয়সি এবং ৬ থেকে ৯ মাস বয়সি শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ বেশি দেখা যাচ্ছে। যেসব শিশু এখনো পূর্ণ টিকাদান পায়নি বা যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তারাই বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।

আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে জ্বর, সর্দি-কাশি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া এবং পরে শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দিচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্টের মতো জটিলতাও তৈরি হচ্ছে। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি তিন শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাদের বয়স ৫ থেকে ৮ মাসের মধ্যে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হওয়ায় তাদের জটিলতা বেড়েছে।

শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. সৈয়দা রুখশানা পারভীন বলেন, ‘হাম অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ এবং নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা না থাকায় সাপোর্টিভ চিকিৎসার ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে।’

এদিকে রোগীর সংখ্যা বাড়লেও হাসপাতালগুলোতে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে। আইসোলেশন ইউনিট চালু থাকলেও শয্যা ও প্রয়োজনীয় সুবিধা সীমিত। পুরনো অবকাঠামোর কারণে খুলনা সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালেও চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। জটিল রোগীদের জন্য এনআইসিইউ সুবিধা সীমিত থাকাও বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই বিষয়ে খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক মুজিবুর রহমান বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে হঠাৎ করেই দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো খুলনা বিভাগেরও কোনো কোনো জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এটি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগ সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। বিশেষ করে সবগুলো জেলা হাসপাতালে আলাদা আইসোলেশন ওয়ার্ড খোলার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে অধিকাংশ হাসপাতালে সে নির্দেশনা অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়া আমাদের চিকিৎসক, নার্সসহ চিকিৎসার সাথে জড়িত অন্যদেরও বিশেষ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

এই মুহূর্তে আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে এনআইসিইউ সংকট জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ অন্যান্য স্থানে এখনও এনআইসিইউ নেই। আমরা চেষ্টা করছি অন্তত বড় জেলাগুলোতে এনআইসিইউ সাপোর্ট দিতে, যাতে রোগীর জটিলতা বাড়লে এনআইসিইউতে চিকিৎসা করানো যায়।’

এই ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের বিস্তার ঠেকাতে নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করা ছাড়া বিকল্প নেই।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সৈয়দা রুখশানা পারভীন বলেন, ‘দ্রুত হামের ভ্যাক্সিনেশনের প্রোগ্রাম শুরু করতে হবে। পাশাপাশি শিশুদের মধ্যে জ্বর বা ফুসকুড়ির মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে এবং আক্রান্তদের আলাদা রাখতে হবে।’

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।