মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

ভারত হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে : সাবেক সেনাপ্রধান

সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূইয়া বলেছেন, গণহত্যার দায়ে দণ্ডিত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে ভারত বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে। তিনি মনে করেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপের শামিল। সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, গত শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে […]

ভারত হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে : সাবেক সেনাপ্রধান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯:৩০

সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূইয়া বলেছেন, গণহত্যার দায়ে দণ্ডিত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে ভারত বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করছে। তিনি মনে করেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপের শামিল।

সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, গত শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনার একটি অডিও বক্তব্য প্রচার করা হয়।

সেখানে ভারতের সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রবিরোধী উস্কানিমূলক বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

ইকবাল করিম ভূইয়া বলেন, এই ঘটনা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে ভারত বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করছে। তিনি বলেন, এটি বিজেপি সরকারের নগ্ন হস্তক্ষেপ, যার ফলে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়বে এবং ইতোমধ্যেই অবনতিশীল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে—যা কোনো দেশের জন্যই কল্যাণকর নয়।

তিনি আরও লেখেন, ভারত গত ১৫ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট দুঃশাসনের সহযোগী হিসেবে ভূমিকা পালন করেছে এবং শেখ হাসিনার প্রতি এখনও তাদের রাষ্ট্রীয় সমর্থন অব্যাহত রয়েছে। এ ধরনের অন্যায় ও পক্ষপাতমূলক আচরণের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণকে রুখে দাঁড়াতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সাবেক সেনাপ্রধান বলেন, শেখ হাসিনা ও তার দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে বাংলাদেশের জনগণের বিরোধের মূল কারণ হলো ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা, হত্যাযজ্ঞ এবং জাতীয় সম্পদ লুটপাটের বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করা। তিনি দাবি করেন, শীর্ষ পর্যায়ের বহু অপরাধী দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে, যাদের একটি বড় অংশ প্রতিবেশী দেশে আশ্রয় নিয়েছে। ভারত এ ধরনের আশ্রয়কে অবাধভাবে অনুমোদন দিয়েছে এবং এখনও দিয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, চলমান বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে আদালতের রায়ে নির্ধারিত শাস্তি কার্যকর হওয়ার পরই কেবল আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অধিকার প্রশ্নে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। এর আগে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া বাংলাদেশের জনগণ মেনে নেবে না।

ইকবাল করিম ভূইয়া অভিযোগ করেন, এ ক্ষেত্রে ভারত উল্টো ভূমিকা পালন করছে। তিনি বলেন, ভারত অপরাধ আড়াল করার চেষ্টা করছে, দোষীদের আশ্রয় দিচ্ছে এবং বিচার প্রক্রিয়া এড়িয়ে এখনই অভিযুক্তদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।

শেষে তিনি ঐতিহাসিক উদাহরণ টেনে বলেন, ৬৬ বছর আগে দালাই লামাকে আশ্রয় দেওয়ার কারণে ভারতের সঙ্গে গণচীনের যে বিরোধ তৈরি হয়েছিল, তার মূল্য দেশটিকে এখনও দিতে হচ্ছে। শেখ হাসিনাকে আশ্রয় ও প্রশ্রয় দেওয়ার ফলেও ভারতকে আরও বড় মূল্য দিতে হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

সোশ্যাল মিডিয়া

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা। সোমবার (১ জুন) দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে দেয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ এক […]

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ১৪:৪৮

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা।

সোমবার (১ জুন) দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে দেয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ এক বিরল ঘটনা, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে চায়।’

‘মন্ত্রীকে আমি যতদূর চিনেছি-জেনেছি, তিনি অত্যন্ত ভদ্র, মার্জিত এবং স্বল্পভাষী। রাজনীতিতে যেখানে কাদা ছোড়াছুড়ি নিত্যদিনের ঘটনা, তিনি বিরোধী পক্ষকে কখনও কথার মাধ্যমে আক্রমণ করেননি। এমন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ আমাদের দরকার। শারীরিক অসুস্থতা থাকা সত্ত্বেও দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ সক্রিয় দেখেছি তাকে’-যোগ করেন ডাকসু নেতা।

সর্ব মিত্র চাকমা আরও লিখেছেন, ‘জানি না তিনি এ সিদ্ধান্ত কেন নিয়েছেন, অভ্যন্তরীণ বিষয়ও থাকতে পারে। কিন্তু দেশ ও পার্বত্যবাসীর কল্যাণে তার এ পদে আসীন থাকা দরকার। প্রধানমন্ত্রী চাইলে তিনি নিশ্চয় না করবেন না।’

প্রসঙ্গত, শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। সোমবার তার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

সোশ্যাল মিডিয়া

রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা,পাবলিকস আর সাফাররিং,ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায় মাননীয় স্পিকার

নিজ এলাকার রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার কথা ব্যতিক্রমী ভাষায় তুলে ধরে সংসদ সদস্য জেবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা, পাবলিকস আর সাফাররিং। ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায়, মাননীয় স্পিকার।” তার এ বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ জুন ২০২৬, ১১:৫৯

নিজ এলাকার রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার কথা ব্যতিক্রমী ভাষায় তুলে ধরে সংসদ সদস্য জেবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা, পাবলিকস আর সাফাররিং। ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায়, মাননীয় স্পিকার।”

তার এ বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই এটিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের সরল ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরার প্রয়াস হিসেবে দেখছেন। বক্তব্যে তিনি বর্ষা মৌসুমে কাদাময় ও চলাচলের অনুপযোগী সড়কের কারণে স্থানীয় জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি তুলে ধরেন এবং দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।

সোশ্যাল মিডিয়া

শাপলার কসাইয়ের অধ্যায় শেষ, এবার পরবর্তী জনের পালা: শফিকুল আলম

দুর্নীতি ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন। বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) নির্ভর ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারপোল তাকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে। তার গ্রেপ্তারের খবর নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা। সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুন ২০২৬, ২৩:১৮

দুর্নীতি ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন। বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) নির্ভর ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারপোল তাকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে।

তার গ্রেপ্তারের খবর নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা।

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে ‘শাপলার কসাই’ আখ্যা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম। নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ইংরেজিতে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘দ্য বুচার অব শাপলা ইজ ডান!! নেক্সট ইন লাইন…!!’ অর্থাৎ, ‘শাপলার কসাইয়ের অধ্যায় শেষ!! এবার পরবর্তী জনের পালা…!’।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে ‘রেড নোটিশ’ জারি করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফেডারেল ক্রিমিনাল পুলিশ বাংলাদেশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোকে (এনসিবি) ইমেইলের মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করে।

বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে থাকা গুরুতর অভিযোগগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। ঘটনার সময় তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) প্রধান প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামের তথ্য অনুযায়ী, ওই সময় ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে ৫৮টি মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করা হয়েছে, যার অন্যতম অভিযুক্ত বেনজীর আহমেদ।

এছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গড়ে তোলা তার বিশাল অবৈধ সম্পদ ও দুর্নীতির তথ্য দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক প্রমাণিত হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের পথ এখন আরও সুগম হলো বলে মনে করছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।