মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

ঝিনাইদহে ‘নাসীরুদ্দীনকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেনি জামায়াত-শিবির’: রাশেদ খাঁন

এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ঝিনাইদহে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন এক ফেসবুক পোস্টে অভিযোগ করেছেন, হামলার সময় জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের নেতারা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে উদ্ধারে কোনো কার্যকর ভূমিকা নেননি। গতকাল শুক্রবার ঝিনাইদহ শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট এলাকায় হামলার শিকার হন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীদের এনসিপিতে […]

ঝিনাইদহে ‘নাসীরুদ্দীনকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেনি জামায়াত-শিবির’: রাশেদ খাঁন

ঝিনাইদহে ‘নাসীরুদ্দীনকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেনি জামায়াত-শিবির’: রাশেদ খাঁন

নিউজ ডেস্ক

২৩ মে ২০২৬, ১০:২৩

এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ঝিনাইদহে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন এক ফেসবুক পোস্টে অভিযোগ করেছেন, হামলার সময় জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের নেতারা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে উদ্ধারে কোনো কার্যকর ভূমিকা নেননি।

গতকাল শুক্রবার ঝিনাইদহ শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট এলাকায় হামলার শিকার হন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীদের এনসিপিতে যোগদান উপলক্ষে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। জুমার নামাজের আগে শহরে পৌঁছে জেলা কালেক্টরেট মসজিদে নামাজ আদায় করেন।

নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তার সঙ্গে কথা বলতে যান। এ সময় পেছন থেকে কয়েকজন যুবক ডিম নিক্ষেপ ও হামলা চালায়। এতে এনসিপির কয়েকজন স্থানীয় নেতাকর্মী আহত হন।

ঘটনার পর দেওয়া ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, ঝিনাইদহ-২ সদর আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য জামায়াতে ইসলামীর আলী আজম মো. আবু বকর এবং ছাত্রশিবির সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম কেউই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেননি।

তিনি লেখেন, “নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীকে উদ্ধারে ন্যূনতম উদ্যোগও নেওয়া হয়নি। তার নিজের লাইভে শোনা গেছে, এটা ছাত্রশিবির সভাপতির এলাকা, তাকেও জানানো হয়েছিল; কিন্তু তিনিও আসেননি।”

রাশেদ খাঁনের দাবি, শুরুতে ছাত্রশিবিরের কিছু কর্মী পাটওয়ারীর সঙ্গে থাকলেও পরে সিনিয়রদের পরামর্শে তারা সরে যান। ঘটনার সময় এনসিপি নেতা তারেক রেজার কিছু সহযোগী ও অল্পসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তারেক রেজার ভূমিকা নিয়ে তিনি লেখেন, “সম্ভবত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মিথ্যাচারের দায় নিতে না চাওয়ায় তিনি নীরব ছিলেন।”

এদিকে, পাটওয়ারীর দেওয়া ‘আইনমন্ত্রীর এলাকা’ মন্তব্যকেও সরাসরি মিথ্যা বলে দাবি করেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, ঝিনাইদহ সদর আইনমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকা নয়; বরং তিনি শৈলকূপা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন, যা সদর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে।

রাশেদ খাঁন আরও বলেন, ঝিনাইদহের চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতেই জামায়াতে ইসলামী বিজয়ী হয়েছে। বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও তা সংঘর্ষের পর্যায়ে পৌঁছেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, “হয়তো নাসীরুদ্দীন শান্ত ঝিনাইদহকে অশান্ত করতেই সেখানে গিয়েছিল। জামায়াত-শিবিরের উচিত হবে তার ফাঁদে পা না দেওয়া। সে চাচ্ছে সারাদেশে বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষ বাধুক।”

পোস্টের শেষাংশে তিনি সতর্ক করে বলেন, “গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে মিথ্যাচার, চরিত্রহনন, গালিগালাজ ও সাংঘর্ষিক রাজনীতি কারও জন্যই কল্যাণ বয়ে আনবে না।”

সোশ্যাল মিডিয়া

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা। সোমবার (১ জুন) দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে দেয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ এক […]

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

মন্ত্রীর পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে রাখতে চায়: সর্ব মিত্র

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ১৪:৪৮

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা।

সোমবার (১ জুন) দুপুর ১টা ১৩ মিনিটে দেয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ এক বিরল ঘটনা, যেখানে সবাই ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে চায়।’

‘মন্ত্রীকে আমি যতদূর চিনেছি-জেনেছি, তিনি অত্যন্ত ভদ্র, মার্জিত এবং স্বল্পভাষী। রাজনীতিতে যেখানে কাদা ছোড়াছুড়ি নিত্যদিনের ঘটনা, তিনি বিরোধী পক্ষকে কখনও কথার মাধ্যমে আক্রমণ করেননি। এমন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ আমাদের দরকার। শারীরিক অসুস্থতা থাকা সত্ত্বেও দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ সক্রিয় দেখেছি তাকে’-যোগ করেন ডাকসু নেতা।

সর্ব মিত্র চাকমা আরও লিখেছেন, ‘জানি না তিনি এ সিদ্ধান্ত কেন নিয়েছেন, অভ্যন্তরীণ বিষয়ও থাকতে পারে। কিন্তু দেশ ও পার্বত্যবাসীর কল্যাণে তার এ পদে আসীন থাকা দরকার। প্রধানমন্ত্রী চাইলে তিনি নিশ্চয় না করবেন না।’

প্রসঙ্গত, শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। সোমবার তার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

সোশ্যাল মিডিয়া

রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা,পাবলিকস আর সাফাররিং,ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায় মাননীয় স্পিকার

নিজ এলাকার রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার কথা ব্যতিক্রমী ভাষায় তুলে ধরে সংসদ সদস্য জেবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা, পাবলিকস আর সাফাররিং। ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায়, মাননীয় স্পিকার।” তার এ বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ জুন ২০২৬, ১১:৫৯

নিজ এলাকার রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার কথা ব্যতিক্রমী ভাষায় তুলে ধরে সংসদ সদস্য জেবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা, পাবলিকস আর সাফাররিং। ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায়, মাননীয় স্পিকার।”

তার এ বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই এটিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের সরল ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরার প্রয়াস হিসেবে দেখছেন। বক্তব্যে তিনি বর্ষা মৌসুমে কাদাময় ও চলাচলের অনুপযোগী সড়কের কারণে স্থানীয় জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি তুলে ধরেন এবং দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।

সোশ্যাল মিডিয়া

শাপলার কসাইয়ের অধ্যায় শেষ, এবার পরবর্তী জনের পালা: শফিকুল আলম

দুর্নীতি ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন। বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) নির্ভর ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারপোল তাকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে। তার গ্রেপ্তারের খবর নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা। সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুন ২০২৬, ২৩:১৮

দুর্নীতি ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন। বিমানবন্দরের অত্যাধুনিক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) নির্ভর ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারপোল তাকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে।

তার গ্রেপ্তারের খবর নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা।

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে ‘শাপলার কসাই’ আখ্যা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম। নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ইংরেজিতে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘দ্য বুচার অব শাপলা ইজ ডান!! নেক্সট ইন লাইন…!!’ অর্থাৎ, ‘শাপলার কসাইয়ের অধ্যায় শেষ!! এবার পরবর্তী জনের পালা…!’।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে ‘রেড নোটিশ’ জারি করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফেডারেল ক্রিমিনাল পুলিশ বাংলাদেশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোকে (এনসিবি) ইমেইলের মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করে।

বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে থাকা গুরুতর অভিযোগগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। ঘটনার সময় তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) প্রধান প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামের তথ্য অনুযায়ী, ওই সময় ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে ৫৮টি মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করা হয়েছে, যার অন্যতম অভিযুক্ত বেনজীর আহমেদ।

এছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গড়ে তোলা তার বিশাল অবৈধ সম্পদ ও দুর্নীতির তথ্য দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক প্রমাণিত হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের পথ এখন আরও সুগম হলো বলে মনে করছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।