শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

নতুন সরকার হাদি হত্যার বিচার না করলে তাদের জীবন জাহান্নাম বানিয়ে দেব: আব্দুল্লাহ আল জাবের

“আমরা আমাদের এক ভাইকে (হাদি) হারিয়েছি। এরপর আমাদের আর কোনও ভাইকে হারালেও নির্বাচন ১২ তারিখে হইতে হবে। নির্বাচন পেছানো যাবে না। তবে নির্বাচনের পরে যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসবে, তারা যদি হাদি হত্যার এই ব্যাপারে সুষ্ঠু কোনও পদক্ষেপ না নেয়। আমরা শুধু বলি ব্যাপারটা এমন ‘আমরা তাদের জীবনকে জাহান্নাম বানাই দেব’ বলছি। তাদের জীবনকে জাহান্নাম বানাই দেব।” তিনি স্পষ্ট করে বলেন, বিচার না হলে কোনো ধরনের রাজনৈতিক আপস মানা হবে না।

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০০:১৫

নির্বাচনের পর যে সরকার ক্ষমতায় আসবে তারা যদি শহিদ উসমান হাদির হত্যার বিচার না করে, তাহলে তাদের জীবনকে জাহান্নাম বানিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে পুলিশের হামলা নিয়ে আয়োজিত ইনকিলাব মঞ্চের সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কঠোর অবস্থান জানান।

আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন,

“আমরা আমাদের এক ভাইকে (হাদি) হারিয়েছি। এরপর আমাদের আর কোনও ভাইকে হারালেও নির্বাচন ১২ তারিখে হইতে হবে। নির্বাচন পেছানো যাবে না। তবে নির্বাচনের পরে যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসবে, তারা যদি হাদি হত্যার এই ব্যাপারে সুষ্ঠু কোনও পদক্ষেপ না নেয়। আমরা শুধু বলি ব্যাপারটা এমন ‘আমরা তাদের জীবনকে জাহান্নাম বানাই দেব’ বলছি। তাদের জীবনকে জাহান্নাম বানাই দেব।” তিনি স্পষ্ট করে বলেন, বিচার না হলে কোনো ধরনের রাজনৈতিক আপস মানা হবে না।

তিনি জানান, শহিদ উসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত জাতিসংঘের অধীনে নিশ্চিত করার দাবিতে যমুনা এলাকার সামনে অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে আন্দোলনকারী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ওই ঘটনায় বহু নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

জাবের বলেন, তারা শান্তিপূর্ণভাবে প্রধান উপদেষ্টার কাছে জাতিসংঘে চিঠি পাঠানোর আহ্বান জানাতে সেখানে অবস্থান করছিলেন। কিন্তু কয়েকজন প্রতিনিধিকে ভেতরে পাঠানোর চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। একপর্যায়ে ধস্তাধস্তি শুরু হয় এবং পরে সরাসরি হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আন্দোলনকারীদের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়েছে এবং কয়েকজন নারীও হামলার শিকার হয়েছেন। রাবার বুলেট, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এতে কয়েকজনের মাথা, মুখ ও হাতে গুরুতর আঘাত লেগেছে বলেও জানান।

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব বলেন, তাদের একমাত্র দাবি শহিদ উসমান হাদির হত্যার একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত, যা জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। এ লক্ষ্যে সরকারকে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, দায়িত্ব পালনকারী অনেক পুলিশ সদস্যের পোশাকে নামফলক ছিল না এবং তারা মুখে মাস্ক ও হেলমেট পরা অবস্থায় ছিলেন, যা পরিস্থিতিকে আরও সন্দেহজনক করে তুলেছে। হামলায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, সরকার আগে মৌখিকভাবে জাতিসংঘের অধীনে তদন্তে সম্মত হওয়ার আশ্বাস দিলেও কোনো সময়সীমা দেয়নি। সর্বশেষ তারা জানিয়েছে, ৮ তারিখের মধ্যে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর ওএইচসিএইচআর এর কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শুধু সরাসরি হামলাকারী নয়, হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারী, সহায়তাকারী ও আশ্রয়দাতাদেরও তদন্তের আওতায় আনতে হবে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৭৪

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৪৯

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৪৯

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৪৯