বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

নৈরাজ্যে সৃষ্টিতে নব্য বিএনপিকে কড়া হুঁশিয়ারি- তারেক রহমান

গত ৫ আগষ্টের পরে আওয়ামী লীগের যারা নব্য বিএনপিতে তৈরি হয়েছে,তারাই দেশের বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাস নৈরাজ্য চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক আমিনুল হক। তিনি বলেন,বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্দেশনা- বিএনপিতে সন্ত্রাস নৈরাজ্য চাঁদাবাজ ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখাতে হবে। […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ নভেম্বর ২০২৪, ১৪:১২

গত ৫ আগষ্টের পরে আওয়ামী লীগের যারা নব্য বিএনপিতে তৈরি হয়েছে,তারাই দেশের বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাস নৈরাজ্য চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক আমিনুল হক।

তিনি বলেন,বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্দেশনা- বিএনপিতে সন্ত্রাস নৈরাজ্য চাঁদাবাজ ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখাতে হবে। এই সন্ত্রাস নৈরাজ্যের সাথে জড়িত নব্য বিএনপিতে আসা লোকদের চিহ্নিত করে তাদেরকে আইনের হাতে তুলে দিতে হবে।

আজ (২৭ নভেম্বর) বুধবার বিকেলে রুপনগরে থানা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে সন্ত্রাস নৈরাজ্য চাঁদাবাজি ও মাদকের বিরুদ্ধে এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমিনুল হক এসব কথা বলেন।

দেশে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপিকে মানুষ ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে উল্লেখ করে আমিনুল হক বলেন, গত ১৫ বছর ধরে মানুষ তাদের অধিকার আদায়ের যে আন্দোলন সংগ্রাম করছে,গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের যে সংগ্রাম করছে,ভোটের অধিকারের জন্য যে সংগ্রাম এবং একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের যে সংগ্রাম মানুষ করে আসছে। সেই অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপিকে এদেশের মানুষ ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে।এটা এদেশের সাধারন মানুষ বিশ্বাস করে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি এদেশের সাধারণ মানুষের সমর্থন রয়েছে, আমাদের বিএনপির ও সর্বোচ্চ সমর্থন রয়েছে উল্লেখ করে আমিনুল হক বলেন, আমরা আশা করি-স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের দোসররা যারা এদেশের মানুষের ওপরে গত ১৭ বছর ধরে গুম- খুন ও জুলুম অত্যাচার নির্যাতন নিপীড়ন চালিয়েছে,গত জুলাই-আগষ্টে ছাত্রজনতা এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের গুলি করে হত্যা করেছে,সেই হত্যাকারীদের অতি দ্রুত সময়ের ভিতরে আইনের আওতায় এনে বিচার করা হউক।

বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, আমারা চাই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশে একটি সুষ্ঠ ধারার রাজনীতির পরিবেশ তৈরি হবে এবং সেই রাজনীতিতে আর কখনও কোন প্রতিহিংসা থাকবে না,আর কোন মায়ের বুক খালি হবে না,কোন স্ত্রী তার স্বামীকে হারাবে না,কোন সন্তান তার বাবাকে হারাবে না,আমরা সেই রাজনীতি দেখতে চাই।

রূপনগর থানা বিএনপির আহবায়ক জহিরুল হক এর সভাপতিত্বে থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ইন্জিঃ মজিবুল হক এর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, ঢাকা মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন,ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি,মোঃ আক্তার হোসেন,গাজী রেজাউনুল হোসেন রিয়াজ,মাহাবুবুল আলম মন্টু,স্বেচ্ছাসেবকদল ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি শেখ ফরিদ হোসেন,উত্তর

বিএনপির সদস্য ডাঃ এ কে এম কবির আহমেদ,ইব্রাহিম খলিল (সহ-দপ্তর),রুপনগর থানা যুবদলের সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম জন,রুপনগর থানা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন,যুবদল রুপনগর থানার আহবায়ক সোয়েব খান,স্বেচ্ছাসেবকদল রুপনগর থানার আহবায়ক কাওছার আহমেদ, পল্লবীর বিএনপি নেতা মাহফুজুর রহমান সুমন প্রমুখ।

এছাড়াও সমাবেশে স্বেচ্ছাসেবকদল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মহসিন সিদ্দিকী রনি, রুপনগর আবাসিক জনকল্যান সমিতির সভাপতি বিএনপি নেতা শাহআলম মোল্লা,ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য হাফিজুল হাসান শুভ্র,সাজ্জাদ হোসেন মোল্লা,জাহেদ পারভেজ চৌধুরী,ছাত্রদল বাংলা কলেজ শাখার সভাপতি ইব্রাহিম বিপ্লব,ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলাদল নেত্রী লাইলী বেগম,পল্লবী থানা বিএনপি আহবায়ক কামাল হুসাইন খান,সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আশরাফ আলী গাজী,পল্লবী থানা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি হাজী

তৈয়ব,রুপনগর থানা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলী আহমেদ রাজু,শেখ হাবিবুর রহমান হাবিব,অলিউল হাসানাত তুহিন,৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি শফিকুর রহমান মামুন,সাধারন সম্পাদক খোকন মাদবর,স্বেচ্ছাসেবকদল রুপনগর থানার সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সাজেদুল আলম টুটুল,যুবদল রুপনগর

থানা সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক নাঈম হোসেন,সদস্য সচিব হাদিউল ইসলাম রাজীব,রুপনগর থানা ছাত্রদল সভাপতি মনিরুজ্জামান রনি,সাধারন সম্পাদক কাওছার মল্লিক,পল্লবী থানা মহিলাদল সভাপতি লাকী রহমান সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা দিলারা পলি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে রূপনগর থানা বিএনপির সকল ওয়ার্ড ইউনিট এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী যোগ দেন।

 

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৪