রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ইতিহাসের বৃহত্তম জানাজায় সম্মানিত বেগম খালেদা জিয়া

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া–এর জানাজা গতকাল বুধবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জিয়া উদ্যানে, স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান–এর কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি ছিল বৃহত্তম জানাজা। লাখো মানুষ প্রিয় নেত্রীকে শেষ বিদায় জানাতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় জড়ো হন। […]

ইতিহাসের বৃহত্তম জানাজায় সম্মানিত বেগম খালেদা জিয়া

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:১৯

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া–এর জানাজা গতকাল বুধবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জিয়া উদ্যানে, স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান–এর কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়।

বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি ছিল বৃহত্তম জানাজা। লাখো মানুষ প্রিয় নেত্রীকে শেষ বিদায় জানাতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় জড়ো হন। জানাজার ময়দান ছাড়িয়ে কয়েক বর্গকিলোমিটার এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, তিন বাহিনীর প্রধানরা, খালেদা জিয়ার ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, কূটনীতিক ও সাধারণ মানুষ জানাজায় অংশ নেন। জানাজাস্থলে পৌঁছে প্রধান উপদেষ্টা তারেক রহমানকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা জানান।

বিকাল ৩টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউর পশ্চিম প্রান্তে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। আনুষ্ঠানিকতার কারণে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় প্রায় এক ঘণ্টা দেরিতে জানাজা শুরু হয়। জানাজার আগে তারেক রহমান সবার কাছে মায়ের জন্য দোয়া চান এবং বলেন, খালেদা জিয়ার কোনো দেনা থাকলে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তা পরিশোধের ব্যবস্থা করা হবে। বেলা ৩টা ৩ মিনিটে জানাজা শুরু হয়ে ৩টা ৫ মিনিটে শেষ হয়। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আবদুল মালেক জানাজা পড়ান।

জানাজা কার্যক্রম সঞ্চালনা করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাফল্য ও নিপীড়নের ইতিহাস তুলে ধরেন এবং বলেন, দল-মত নির্বিশেষে মানুষের ভালোবাসা ও সম্মান নিয়েই তিনি বিদায় নিয়েছেন।

ফজরের পর থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষ জানাজাস্থলে অবস্থান নেয়। কালো পোশাক ও ব্যাজ পরে, দলীয় পতাকা হাতে হাজারো মানুষ জড়ো হন। জায়গা না পেয়ে অনেকেই আশপাশের সড়ক, মেট্রোরেল স্টেশন ও ভবনের ছাদ থেকে জানাজায় অংশ নেন। আসাদ গেট থেকে মোহাম্মদপুর টাউন হল, আগারগাঁও থেকে শ্যামলী, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, শাহবাগ, ধানমন্ডি—সবখানেই মানুষের ঢল নামে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, এটিই দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জানাজা।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস জানায়, শুধু বাংলাদেশ নয়—মুসলিম বিশ্বেও স্মরণকালের বৃহত্তম জানাজার একটি এটি; বিশেষত কোনো মুসলিম নারীর ক্ষেত্রে এমন উপস্থিতি বিরল। অংশগ্রহণকারীদের ভাষ্য, মানুষের অধিকার আদায়ে আজীবন সংগ্রামের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতেই লাখো মানুষ একত্রিত হয়।

এর আগে সকাল ৯টার দিকে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে লাল-সবুজে মোড়ানো অ্যাম্বুলেন্সে খালেদা জিয়ার মরদেহ বের হয়। গুলশান অ্যাভিনিউয়ের বাসভবনে নেওয়ার পর সেখানে পরিবারের সদস্যরা শেষ শ্রদ্ধা জানান। মায়ের কফিনের পাশে বসে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন তারেক রহমান।

পরে বেলা ১১টা ৫ মিনিটে মরদেহ নিয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার উদ্দেশে যাত্রা করা হয় এবং দুপুরের পর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে পৌঁছায়। জানাজা শেষে মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময় উপস্থিতদের শোকের আবহ আরও গভীর হয়ে ওঠে।

জানাজা ও দাফন উপলক্ষে এভারকেয়ার হাসপাতাল, সংসদ ভবন ও জিয়া উদ্যান এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। বিজিবি, সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। জনসমাগম নির্বিঘ্ন রাখতে বেশ কয়েকটি সড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল।

দেশের বিভিন্ন জেলায়—রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জসহ বহু স্থানে গায়েবানা জানাজাও অনুষ্ঠিত হয়।

টানা ৩৮ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত মঙ্গলবার ভোরে খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তাঁর মৃত্যুতে জাতি শোকাহত। সরকার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক এবং বিএনপি আট দিনের শোক কর্মসূচি পালন করছে। জানাজার দিন ছিল সাধারণ ছুটি। খালেদা জিয়ার প্রস্থানে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি যুগের অবসান ঘটেছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৩

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৩

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৩