জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীর যোদ্ধা আতিকুল ইসলাম আবারও আহত হয়েছেন পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে। শুক্রবার সংসদ ভবনের সামনে গণঅভ্যুত্থানের দাবিতে চলমান আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে তিনি হামলার শিকার হন। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে তার কৃত্রিম হাত ভেঙে রাস্তায় পড়ে যায়। আহত অবস্থায়ও তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লেও আন্দোলনের মঞ্চে উপস্থিত কর্মীরা তাকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেন।
শনিবার রাতে উত্তরার আজমপুরে নিজের বাসায় তিনি ছিলেন বিশ্রামে। সেখানেই সন্ধ্যা ৯টার দিকে তাকে দেখতে যান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। আহত এই যোদ্ধার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন তিনি। নাহিদ ইসলাম বলেন, দেশের গণমানুষের আন্দোলনে যারা রক্ত দিয়েছে, তাদের প্রতি সম্মান ও দায়বদ্ধতা থেকেই তিনি দেখতে গিয়েছেন আতিকুলকে।
এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও মিডিয়া সেলের সদস্য খান মুহাম্মদ মুরসালীন জানান, আতিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরেই গণআন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে তার ডান হাত হারাতে হয়। এরপরও তিনি রাজপথ ছাড়েননি। শুক্রবার আবারও পুলিশের হামলায় তিনি আহত হয়েছেন, যা সরকারের দমননীতির নোংরা বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। নাগরিক সমাজের অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, প্রতিবাদী কণ্ঠরাই কি এখন রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু? আহত আতিকুলের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তারা সরকারের প্রতি দমননীতি পরিহারের দাবি জানিয়েছেন।