বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

দেশে আলেমরা শুধু মসজিদ নয়, জাতিরও নেতৃত্ব দেবে : জামায়াত আমির

দেশের আলেমরা শুধু মসজিদের নয়, জাতিরও নেতৃত্ব দেবেন বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে আল-ফালাহ মিলনায়তনে কেন্দ্রীয় উলামা কমিটির ‘দাঈ ও ওয়ায়েজ সম্মেলনে’ তিনি এ মন্তব্য করেন। জামায়াতে ইসলামী ধর্মের নামে জাতিকে বিভক্ত করার পক্ষে নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটা ঠিক, দেশের সর্বশেষ আদমশুমারি অনুযায়ী ৯০ […]

দেশে আলেমরা শুধু মসজিদ নয়, জাতিরও নেতৃত্ব দেবে : জামায়াত আমির

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ অক্টোবর ২০২৫, ২১:০৬

দেশের আলেমরা শুধু মসজিদের নয়, জাতিরও নেতৃত্ব দেবেন বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে আল-ফালাহ মিলনায়তনে কেন্দ্রীয় উলামা কমিটির ‘দাঈ ও ওয়ায়েজ সম্মেলনে’ তিনি এ মন্তব্য করেন।

জামায়াতে ইসলামী ধর্মের নামে জাতিকে বিভক্ত করার পক্ষে নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটা ঠিক, দেশের সর্বশেষ আদমশুমারি অনুযায়ী ৯০ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ মুসলমান। আর বাকিরা হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান। কিন্তু আমরা এখানে ধর্মের নামে জাতিকে বিভাজিত করার পক্ষে নই। আমরা একটা ঐক্যবদ্ধ জাতি দেখতে চাই।’

জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশে আমরা হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান দশকের পর দশক ধরে মিলেমিশে বসবাস করে আসছি। দুনিয়ায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে কয়টি দেশ আছে উল্লেখ করার মতো, বাংলাদেশ সেই জায়গায় বিশেষ স্থান দখল করে আছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মানুষের সামনে বিভিন্ন ধর্ম-মত আছে। আল্লাহ মানুষকে বিবেকে শানিত শক্তি দিয়েছেন। মানুষ তার বিবেচনা ও বিবেকের জায়গা থেকে সে ধর্মকে গ্রহণ করবেন।

জাতি সংকটে পড়লে আলেম বা শিক্ষিত ব্যক্তিদের পথ দেখাতে হয় উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, তারা হবেন জাতির রাহবার। স্বাধীনতার এত বছর পরও দেশে মানবিক, দায়িত্বশীল আর সুন্দর সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কাজেই জাতি সংকটে আছে।

তিনি বলেন, কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে ওলামায়ে কেরাম পথ দেখালে জাতি উপকৃত হবে। জাতিও তাদের কাছ থেকে সেটাই প্রত্যাশা করে।

পরস্পরবিরোধী দ্বন্দ্বে লিপ্ত না হয়ে দেশের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে জামায়াতে আমির বলেন, বাংলাদেশের আলেমরা শুধু মসজিদের নেতৃত্ব নয়, জাতিরও নেতৃত্ব দেবে। দেশের আলেমরা সমাজ পরিচালনায় অংশ নিলে দেশ থেকে সব ধরনের দুর্বৃত্তায়ন দূর হবে।

তিনি বলেন, আমার বলতে কোনো দ্বিধা নেই, শিক্ষিত সমাজের সবাই নয়, কিন্তু শিক্ষিত সমাজের একটি অংশ যে ক্ষতি জাতির করে, সাধারণ দেশবাসীর কোটি কোটি মানুষ মিলেও সেই ক্ষতি জাতির করতে পারে না; এ যোগ্যতা তাদের নেই।

কলমের খোঁচায় একজন মানুষের, জাতির কিসমত (ভাগ্য) যেভাবে ধসে পড়ে, কোটি মানুষ একত্র হয়েও সেই ক্ষতি করতে পারবে না। এ ক্ষেত্রেও ওলামায়ে কেরামের বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে জাতিকে জাগ্রত করার, সতর্ক করার।”

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান ও এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বক্তব্য রাখেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৭

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮৩

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৭

রাজনীতি

১২ মন্ত্রী ও ১৮ প্রতিমন্ত্রী নিয়ে গঠন হচ্ছে নতুন মন্ত্রিসভা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর দীর্ঘ দুই দশক বিরতি দিয়ে চতুর্থবারের মতো রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হতে যাওয়া এই নতুন মন্ত্রিসভা হবে নবীন ও প্রবীণের এক সুসমন্বিত রূপ। আপাতত ৩০ সদস্যের একটি প্রাথমিক মন্ত্রিসভা গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ১২ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ১৮ […]

১২ মন্ত্রী ও ১৮ প্রতিমন্ত্রী নিয়ে গঠন হচ্ছে নতুন মন্ত্রিসভা

১২ মন্ত্রী ও ১৮ প্রতিমন্ত্রী নিয়ে গঠন হচ্ছে নতুন মন্ত্রিসভা

নিউজ ডেস্ক

১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৫১

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর দীর্ঘ দুই দশক বিরতি দিয়ে চতুর্থবারের মতো রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত হতে যাওয়া এই নতুন মন্ত্রিসভা হবে নবীন ও প্রবীণের এক সুসমন্বিত রূপ। আপাতত ৩০ সদস্যের একটি প্রাথমিক মন্ত্রিসভা গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ১২ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ১৮ জন প্রতিমন্ত্রীর নাম রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্টদের আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হবে। দেশ ও বিদেশের রাজনৈতিক মহলে এই মন্ত্রিসভা নিয়ে ব্যাপক কৌতূহল থাকলেও চূড়ান্ত তালিকাটি কেবল হবু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছেই সংরক্ষিত রয়েছে।

দলের নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো জানিয়েছে, এবার মন্ত্রিসভায় অনেক প্রবীণ ও স্থায়ী কমিটির সদস্যকে দেখা না-ও যেতে পারে। তারেক রহমান মূলত দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এবং তারুণ্যের মিশেলে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে দেশ গড়ার পরিকল্পনা করছেন।

মন্ত্রিসভায় বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি টেকনোক্র্যাট কোটায় অন্তত চারজন বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি যুক্ত হতে পারেন। এ ছাড়া যুগপৎ আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় থাকা শরিক দলগুলোর একাধিক নেতারও মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে সম্ভাব্য মন্ত্রীদের জন্য সরকারি পরিবহন পুল থেকে ৩৭টি গাড়ি এবং সমসংখ্যক বাসভবন প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে শুরুতে মন্ত্রিসভার আকার ৪০ জনের কাছাকাছি হতে পারে।

মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য সদস্যদের তালিকায় অভিজ্ঞ নেতাদের মধ্যে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আব্দুল মঈন খান এবং মির্জা আব্বাসের নাম শোনা যাচ্ছে। তবে মির্জা ফখরুল মন্ত্রিত্বের চেয়ে সংসদ উপনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালনে বেশি আগ্রহী বলে গুঞ্জন রয়েছে। অর্থ, পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ এবং আলতাফ হোসেন চৌধুরীর মতো অভিজ্ঞদের দেখা যেতে পারে।

এ ছাড়া তরুণ ও মেধাবী মুখ হিসেবে সানজিদা ইসলাম তুলি এবং মাহদী আমিনের মতো নেতাদের টেকনোক্র্যাট কোটায় যুক্ত করার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। শরিকদের মধ্যে আন্দালিব রহমান পার্থ, জোনায়েদ সাকি এবং নুরুল হক নুরের মতো তরুণ নেতারাও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বলে দলীয় নেতাকর্মীরা ধারণা করছেন।

নবনির্বাচিত এই সরকারের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো সংসদকে জবাবদিহিতার কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা। তারেক রহমান ইতিপূর্বে দলীয় ফোরামে জানিয়েছেন যে, মন্ত্রীরা সরাসরি সংসদের কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন। এ লক্ষ্যে সংসদ উপনেতা হিসেবে অভিজ্ঞ কাউকে দায়িত্ব দিয়ে সংসদীয় কার্যক্রমকে আরও প্রাণবন্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

২০০১ সালের পর এবারই প্রথম বিএনপি একক শক্তিতে সরকার গঠন করলেও জাতীয় ঐক্যের স্বার্থে তারা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রশাসন উপহার দিতে বদ্ধপরিকর। বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের শপথ বাক্য পাঠ করানোর মধ্য দিয়েই তিন দশক পর বাংলাদেশ পেতে যাচ্ছে নতুন প্রধানমন্ত্রী এবং একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম এক নতুন সরকার।

সূত্র: মানবজমিন

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৭