সোমবার, ১১ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

নির্বাচনে একবারের জন্য আমাদের ক্ষমতায় এনে পরীক্ষা করুন,যদি ফেল করি আর কোনোদিন হলে আসব না : ফয়জুল করীম

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম বলেছেন, ৫৩ বছরে নৌকা, ধানের শীষ ও নাঙ্গলকে পরীক্ষা করেছেন। ওদেরকে বারবার পরীক্ষা করেছেন, বারবার ফেল করেছে। জিয়াউর রহমানকে, সত্তার সাহেবকে, খালেদা জিয়াকে পরীক্ষা করেছেন। ফেল করেছে। আপনাদের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারেনি। একটা বার আপনারা আমাদের পরীক্ষা করেন। ইনশাআল্লাহ আপনাদের জানমাল রক্ষা করতে […]

নির্বাচনে একবারের জন্য আমাদের ক্ষমতায় এনে পরীক্ষা করুন,যদি ফেল করি আর কোনোদিন হলে আসব না : ফয়জুল করীম

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৫:১৬

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম বলেছেন, ৫৩ বছরে নৌকা, ধানের শীষ ও নাঙ্গলকে পরীক্ষা করেছেন। ওদেরকে বারবার পরীক্ষা করেছেন, বারবার ফেল করেছে। জিয়াউর রহমানকে, সত্তার সাহেবকে, খালেদা জিয়াকে পরীক্ষা করেছেন। ফেল করেছে।

আপনাদের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারেনি। একটা বার আপনারা আমাদের পরীক্ষা করেন। ইনশাআল্লাহ আপনাদের জানমাল রক্ষা করতে সক্ষম হব।

তিনি বলেন, ‘আমরা পরীক্ষায় পাস করব। আর যদি ফেল করি আর কোনোদিন পরীক্ষার হলে আসব না। আর আগামীতে সম্মিলিত ইসলামী জোটগুলোর পক্ষ থেকে যদি ঐক্যবদ্ধভাবে একটি ভোট বাক্স দিতে পারি তাহলে শিয়ালরা এদেশ থেকে পালাতে বাধ্য হবে।’

আগামীতে ইসলামী শক্তিকে ক্ষমতায় আনার জন্য সবাইকে কাজ করার অনুরোধ করেন এই নেতা। শবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাগেরহাট শহরের রেলরোড চত্বরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনী সীমানা নিয়ে চলমান আন্দোলন ও বাগেরহাটবাসীর দাবির প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করব। আপনি যেভাবে ভাগ করেছেন, এই অঞ্চলের জনগণ এইভাবে ভাগ চায় না।আপনি ভাগ করেছেন জনগণের স্বার্থের জন্য, যেখানে জনগণের স্বার্থ বিপন্ন হবে সেই ভাগ কোনোভাবে ঠিক হবে না। কাজেই জনগণ যেইভাবে চায়, সেভাবে ভাগ করতে হবে।’

এ সময় চারটি আসন ফিরিয়ে দেয়ার অনুরোধ করেন তিনি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাগেরহাট জেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা মো. মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে গণসমাবেশে আরও বক্তব্য দেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) মুফতি মোস্তফা কামাল, ইসলামী আইনজীবী

পরিষদের সভাপতি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শেখ আতিয়ার রহমান, জেলা জামায়েতের আমির মাও, রেজাউল রকিম, নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট আব্দুল ওয়াদুদ, খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা আমিরুল ইসলাম সিদ্দিকি, হেফাজত ইসলামের সভাপতি মাওলানা আব্দুল মাবুত, কেন্দ্রীয় যুবনেতা মাওলানা আবু বকর, ইসলামী

আন্দোলনের জেলা সহ-সভাপতি ফকির শহিদুল ইসলাম, মাও. ফারুক হোসাইন, সেক্রেটারি হাফেজ মাওলানা মোশাররফ হোসাইন, জয়েন্ট সেক্রেটারি মুফতি নূরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ইউসুফ ইকবাল, ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ এর জেলা সভাপতি মাও. শাহজালাল সিরাজী, শিক্ষক ফোরামের সভাপতি মাওলানা আবু মুসা গাজী, যুবনেতা মুফতী তরিকুল ইসলাম প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে দলটির অন্যতম শীর্ষ নেতা মুফতি মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম বাগেরহাটের চারটি আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন।

প্রার্থীরা হলেন, বাগেরহাট-১ আসনে মোল্লা মুজিবর রহমান শামীম, বাগেরহাট-২ আসনে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শেখ আতিয়ার রহমান, বাগেরহাট-৩ আসনে অধ্যক্ষ শেখ জিলুর রহমান ও চার আসনে মাওলানা ওমর ফারুক নূরী।

ইসলামী আন্দোলনের এ গণসমাবেশে দলটির বিভিন্ন স্তরের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। দুপুরেই রেল রোড চত্বর নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে কানায় কানায় কানায় ভরে যায়। সমাবেশে দলটির নেতাকর্মী ছাড়াও জামায়েতে ইসলামী বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, হেফাজতে ইসলাম, এনসিপিসহ সমমনা ইসলামী দলগুলোর জেলা কমিটির শীর্ষ নেতারা অংশগ্রহণ করেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮০

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮০

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৪

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮০