বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

নিজেদের ধর্ষণ-চাঁদাবাজি ঢাকতে ‘দায় চাপানোর রাজনীতি’ করছে ছাত্রদল : শিবির নেতা ফরহাদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের জিএস (সাধারণ সম্পাদক) প্রার্থী এসএম ফরহাদ অভিযোগ করেছেন, সারা দেশে ধর্ষণ, চাঁদাবাজি ও অন্তঃর্কোন্দলের মতো ঘটনাগুলো আড়াল করতে ছাত্রদল এখন ‘দায় চাপানোর রাজনীতি’ করছে। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তাদের প্যানেলের ভিপি প্রার্থী […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৪:৪৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের জিএস (সাধারণ সম্পাদক) প্রার্থী এসএম ফরহাদ অভিযোগ করেছেন, সারা দেশে ধর্ষণ, চাঁদাবাজি ও অন্তঃর্কোন্দলের মতো ঘটনাগুলো আড়াল করতে ছাত্রদল এখন ‘দায় চাপানোর রাজনীতি’ করছে।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তাদের প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবু সাদিক, এজিএস প্রার্থী মহিউদ্দিন খানসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ফরহাদ বলেন, “ছাত্রদল এখন ‘শিবির ধর, ধইরা ধইরা জবাই কর’ ধরনের স্লোগান দিচ্ছে, যা একসময় ছাত্রলীগ দিত। এ ধরনের নৃশংস রাজনীতি ছাত্রদল আবার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে।”

তিনি দাবি করেন, “ছাত্রলীগের যেসব বৈশিষ্ট্য ছিল— ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, কোন্দল, অন্তর্দ্বন্দ্ব— সেগুলোর দায় এখন ছাত্রদল এড়িয়ে যেতে পারছে না। তাই তারা শিবিরকে টার্গেট করে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে।”

ফরহাদের দাবি, গত এক বছরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সারাদেশে অন্তত ৩০টি ধর্ষণ মামলার বিচার চলছে। তিনি বলেন, “যারা শিক্ষার্থীদের জন্য ভয় ও আতঙ্কের উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে, তাদের অপকর্মের দায় অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায় ছাত্রদল।”

সম্প্রতি ডাকসু নির্বাচনে এক নারী প্রার্থীকে ‘গণধর্ষণের হুমকি’ দেওয়ার অভিযোগে আলোচনায় আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আলী হুসেন-কে নিয়ে জিএস প্রার্থী ফরহাদ বলেন, “তাকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে শিবির নেতা বানিয়ে প্রচার চালানো হচ্ছে, অথচ তিনি আমাদের কেউ নন।” তিনি বলেন, “আলী হুসেনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমরা নিজেরাই প্রক্টর অফিসে লিখিত অভিযোগ করেছি। বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছি প্রশাসনকে।”

আলী হুসেন কোনোভাবেই ইসলামী ছাত্রশিবির বা তাদের প্যানেলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। বরং, তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ছাত্রদলের বিভিন্ন পোস্ট ও সমর্থনের প্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেন ফরহাদ।

ডাকসু ও হল সংসদের প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস থেকে দুটি আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিযুক্ত আলী হুসেনকে ঘিরে বিভিন্ন দাবির প্রেক্ষিতে বিষয়টি এখন প্রশাসনিক তদন্তাধীন।

ডাকসুতে এসএম ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন এক প্রার্থী। এ প্রসঙ্গে ফরহাদ বলেন, “আমি তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছি। কোর্টের রায় যাই হোক, আমরা তা মেনে নেব।”

তিনি বলেন, “যদি ব্যক্তিগত প্রতিশোধ নিতেই হুমকি দিত আলী হুসেন, তাহলে তা রিট দায়েরের আগেই করতেন। ফলে স্পষ্ট, এটি আমাদের প্যানেলকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানোর রাজনৈতিক কৌশল।”

সারা দেশে ছাত্রদলের সহিংস কর্মকাণ্ডের উদাহরণ দিয়ে ফরহাদ বলেন: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপি নেতাদের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাকসু ভবন) ভাঙচুর, বাকৃবিতে (বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়) উত্তেজনা সৃষ্টি।

এসব ঘটনার মাধ্যমে, তার ভাষায়, “ছাত্রদল এখন রাজনৈতিক ব্যর্থতা ঢাকতে শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের পথ নিচ্ছে।”

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৭০

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৫৭
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৫৭

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৭০