শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

নগরভবনে কারা তালা মেরেছে জানি না : ইশরাক হোসেন

নগরভবনে কে বা কারা তালা মেরেছে তা জানেন না বলে জানিয়েছেন বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। বৃহস্পতিবার গুলশানে তার নিজ বাসভবনে কয়েকটি সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক বলেন, আদালতের রায়ের পর নির্বাচন কমিশন গেজেট করে তাকে মেয়র ঘোষণা করেছেন। শপথ পড়াতে আইনি কোনো বাধা ছিল না। কিন্তু অন্তর্বর্তী […]

নিউজ ডেস্ক

২০ জুন ২০২৫, ১২:০৯

নগরভবনে কে বা কারা তালা মেরেছে তা জানেন না বলে জানিয়েছেন বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। বৃহস্পতিবার গুলশানে তার নিজ বাসভবনে কয়েকটি সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক বলেন, আদালতের রায়ের পর নির্বাচন কমিশন গেজেট করে তাকে মেয়র ঘোষণা করেছেন। শপথ পড়াতে আইনি কোনো বাধা ছিল না। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার তা আমলে নেয়নি। এখানে সংবিধান ও উচ্চ আদালতের রায় উপেক্ষা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বর্তমান সরকার নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার তাকে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে দেখে নগরবাসী ফুঁসে ওঠে।

তারা স্বেচ্ছায় রাজপথে নেমে আসে। ওই আন্দোলনে যুক্ত হন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও। তবে কাউকে নগর ভবনে তালা মারতে বা কর্মকর্তাদের সেবা বন্ধ করতে বলা হয়নি। স্থানীয় সরকার বিভাগ ইচ্ছাকৃতভাবে কর্মকর্তাদের অফিসে যেতে নিষেধ করেছেন। সেবা বিঘ্ন করতেও গোপনে ষড়যন্ত্র করেছেন।

সেবা বিঘ্নিত করে তার (ইশরাক) সুনাম নষ্ট করতে চেয়েছেন। তিনি জানান, ডিএসসিসি’র প্রশাসক রয়েছেন। অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী রয়েছেন; তারা ইচ্ছাকৃতভাবে নগরভবনে যাচ্ছেন না। তাদের তো কখনো নগর সেবা কাজে বাধা দেওয়া হয়নি। আন্দোলনরত নগরবাসী শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করছে। এটা সারা বছর চলবে-এমন তো নয়। মেয়রের চেয়ারে বসা তার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না; মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল এই সরকারের ভুলগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখানো।

কেননা, এই সরকার বিশেষ একটি দলের প্রতি নমনীয়তা প্রদর্শন করে চলেছে। সেই সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন কতটা সুষ্ঠু হবে তা দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই আন্দোলন সফল হয়েছে। কেননা, ওই সময়ে সরকারের মনোভাব যা ছিল, তাতে নির্বাচন নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল। এরপর বিএনপির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আলোচনা চলমান রয়েছে। বৃহৎ স্বার্থে সংগঠিত আন্দোলন সফল হয়েছে।

নগর ভবনের তালা খুলে দেওয়া হবে কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে ইশরাক হোসেন বলেন, তার সমর্থকরা নগর ভবনের গেটে তালা মেরেছে তা তিনি বিশ্বাস করেন না। নগর ভবন সচল রাখা যাদের দায়িত্ব, তাদের উচিত নগর ভবনের তালা খুলে দেওয়া।

সেবা বিঘ্নিত করতে স্থানীয় সরকার বিভাগ ষড়যন্ত্র করছে। এজন্য প্রতীকী প্রতিবাদ হিসাবে কয়েকদিন সেবা কার্যক্রম তদারকি করা হয়েছে। তবে এতেও যদি কোনো অপরাধ হয়ে থাকে, সে বিষয়ে সরকার মামলা করুক, ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।

মেয়রের দায়িত্ব বুঝে পাওয়ার আন্দোলনে দলীয় সমর্থন ছিল কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে ইশরাক বলেন, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে তিনি কখনো কিছু করেননি, করছেন না এবং ভবিষ্যতেও করবেন না। বৃহৎ অর্থে এই আন্দোলন গণতন্ত্রের উত্তোরণ প্রক্রিয়া সহজতর করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে।

আইন ভেঙে ডিএসসিসির কর্মচারীরা আন্দোলন করেছেন-এতে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তি হতে পারে। সেক্ষেত্রে তারাতো ক্ষতিগ্রস্ত হবেন-এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, ডিএসসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ন্যায্য বিষয়ে সহমত পোষণ করেছেন। এখানে দোষের কিছু নেই। এরপরও কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর ওপর যদি কোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, তাহলে পুনরায় তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৯০

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১৯

রাজনীতি

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য […]

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৮

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশের গণহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে জানিয়ে সারজিস বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইভাবে হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদেরও ফিরিয়ে দিতে হবে।

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং প্রধানের আকস্মিক সফর এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এখনই ভারতে যেতে হবে পরে গেলে ক্ষতি হবে-এ ধরনের বক্তব্য কোনো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতি মর্যাদাপূর্ণ আচরণের প্রকাশ নয়।

এটা ভারতের ‘আধিপত্যবাদের স্টেটমেন্ট’ বলে মনে হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি যে দুটি শক্ত অবস্থানসম্পন্ন বিবৃতি দিয়েছে, তা সাধুবাদ জানাই। তবে, এসব অবস্থান শুধু বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

এসময় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সুজা উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা রিফাত রশিদ, আবু বাকের মজুমদারসহ এনসিপির কক্সবাজারের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১৯

রাজনীতি

‘নির্বাচনের আগে ইসলামী ব্যাংক থেকে আমার স্ত্রী ঋণ নিয়েছে ফ্ল্যাট কেনার জন্যে’: ড. শফিকুল ইসলাম

নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে একটি দলকে ইসলামী ব্যাংকের একটি প্রকল্প থেকে ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার (১৬ জুন) একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। সাক্ষাৎকারে নির্বাচনের আগে বিনা জামানতে আপনার […]

নিউজ ডেস্ক

২০ জুন ২০২৬, ১৪:৪৪

নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে একটি দলকে ইসলামী ব্যাংকের একটি প্রকল্প থেকে ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

সাক্ষাৎকারে নির্বাচনের আগে বিনা জামানতে আপনার স্ত্রী ইসলামী ব্যাংক থেকে ২ কোটি ৫২ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন, আসলেই কি বিষয়টা এমন- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, হ্যাঁ ঋণ নিয়েছেন। আমার স্ত্রী একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ।

অত্যন্ত নিয়ম মেনেই তিনি এই হোম লোন নিয়েছেন। একটা ব্যাংক থেকে একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ, তার এই দুই কোটি টাকার লোন নেওয়াটা তো আলোচনার মধ্যে আসার বিষয়ই না।

এদিকে নির্বাচনের আগে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ তার স্ত্রীর নামে ইসলামী ব্যাংক থেকে বিনা জামানতে ২ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন লিখেন, জামায়াতের নেতারা নিজের নামে নয় বরং আত্মীয়-স্বজন কিংবা বন্ধু বান্ধব বা দলের সাধারণ কর্মীদের নামে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করে।

এজন্য তাদেরকে ঋণগ্রস্ত বা ঋণখেলাপী দেখানোর কোন সুযোগ নেই। আবার তাদের ক্ষমতা দেখেন, বিনা জামানতে তারা কোটি কোটি টাকা ঋণ পায়, কিন্তু আমি আপনি কি পাবো?

মাসুদ দাবি করেন, সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা থেকে তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনা হয়েছে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৯০