শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

বিএনপির ১৬ বছরের আন্দোলনে হাসিনা পালিয়েছে, ৩৬ দিনের আন্দোলনে নয় : রুমিন ফারহানা

“কোনো অভ্যুত্থান, কোনো বিপ্লব, কোনো পরিবর্তন কিংবা যুদ্ধ এক মাস বা ৩৬ দিনে হয় না। যুগের পর যুগ মানুষের আত্মত্যাগ, লড়াই আর রক্তের বিনিময়ে এসব অর্জিত হয়”—গাইবান্ধায় আয়োজিত এক কর্মশালায় একথা বলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) সকালে গাইবান্ধা জেলা স্টেডিয়াম মিলনায়তনে বিএনপির “রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা” বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তব্য […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:১৫

“কোনো অভ্যুত্থান, কোনো বিপ্লব, কোনো পরিবর্তন কিংবা যুদ্ধ এক মাস বা ৩৬ দিনে হয় না। যুগের পর যুগ মানুষের আত্মত্যাগ, লড়াই আর রক্তের বিনিময়ে এসব অর্জিত হয়”—গাইবান্ধায় আয়োজিত এক কর্মশালায় একথা বলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) সকালে গাইবান্ধা জেলা স্টেডিয়াম মিলনায়তনে বিএনপির “রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা” বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তব্য দেন তিনি। কর্মশালায় স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে তিনি বলেন,

“কেউ যদি মনে করেন, কয়েক দিনের আন্দোলনে শেখ হাসিনাকে দেশ ছাড়া করা গেছে, তাহলে তারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। শেখ হাসিনার পালানো বিএনপির টানা ১৬ বছরের আন্দোলন, প্রতিরোধ ও ত্যাগের ফসল।”

তিনি বলেন,

“এই দেশের মাটি থেকে, মানুষের হৃদয় থেকে শেখ হাসিনার সরকারকে সরাতে বিএনপি ও দেশের মানুষ দীর্ঘদিন সংগ্রাম করেছে। এই আন্দোলন এক দিনে হয়নি। এটি গণআন্দোলনের বিস্ফোরণ ছিল—যার চাপে শেখ হাসিনাকে দেশত্যাগ করতে হয়েছে।”

রুমিন ফারহানা আরও বলেন,

“আওয়ামী লীগ গত ১৫ বছরে এই দেশে যা করেছে, তা শুধু রাজনৈতিক অন্যায় নয়, তা ছিল রাষ্ট্র ও জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। তাদের বিরুদ্ধে আগামী ১০০ বছর বিচার চলবে। কারণ এই পাপের মাত্রা সীমাহীন।”

বিএনপির আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন,

“আমরা গত ১৫ বছর মাটি ছাড়িনি, আর আগামীতেও এক চুল জমি ছাড়ব না। এই রাষ্ট্র মেরামতের যে ৩১ দফা ঘোষণা করা হয়েছে, সেটিই আগামী বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রূপরেখা। সেই ভিত্তিতে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ব, যেখানে কারও মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করা হবে না, বিচার বিভাগ থাকবে স্বাধীন, এবং সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক হবে।”

কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জেলা ও থানা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা, যাদের মধ্যে ছিল দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের সহযোদ্ধারাও।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বক্তব্য বিএনপির দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের দিক নির্দেশনা এবং দলের নেতাকর্মীদের মনোবল ধরে রাখার চেষ্টা। বর্তমান অন্তর্বর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপি যে রাষ্ট্র সংস্কারের দিকে মনোযোগী, এই ধরনের কর্মশালার মাধ্যমে তারই সাংগঠনিক বিস্তার চালানো হচ্ছে।

এদিকে, ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগকে ঘিরে বিএনপির অবস্থান যে কঠোর এবং রাজনৈতিক বিচারের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে—এই বার্তাও এ বক্তব্যের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

গাইবান্ধার কর্মশালাটি বিএনপির চলমান সাংগঠনিক কর্মসূচির অংশ, যেখানে দেশের বিভিন্ন জেলায় ৩১ দফা রূপরেখা নিয়ে রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। দলটি বলছে, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হচ্ছে “নতুন প্রজন্মকে আগামী রাষ্ট্রব্যবস্থার লক্ষ্য ও কাঠামো সম্পর্কে অবহিত করা” এবং আওয়ামী লীগ শাসনামলের বিরুদ্ধে একটি জনমত গড়ে তোলা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৭

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৭

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৫

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৭