সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

সোজাসাপ্টা কথা বিএনপি একটি আনকালচার্ড দল :আসিফ আকবর

বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও সংস্কৃতি অঙ্গনের সুপরিচিত মুখ আসিফ আকবর সম্প্রতি একটি আলোচিত টকশোতে দেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, জুলাই বিপ্লবের তাৎপর্য এবং শিল্প-সংস্কৃতি জগতের নানা সংকট নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন। তার বিশ্লেষণমূলক বক্তব্যে স্পষ্ট উঠে এসেছে রাজনৈতিক সংস্কারের অপরিহার্যতা, সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার সংকট এবং বিএনপির সাংগঠনিক দুর্বলতা। আসিফ আকবর তার বক্তব্যে জুলাই বিপ্লবকে একটি “যুগান্তকারী ঘটনা” […]

সোজাসাপ্টা কথা বিএনপি একটি আনকালচার্ড দল :আসিফ আকবর

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ এপ্রিল ২০২৫, ১১:৩১

বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও সংস্কৃতি অঙ্গনের সুপরিচিত মুখ আসিফ আকবর সম্প্রতি একটি আলোচিত টকশোতে দেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, জুলাই বিপ্লবের তাৎপর্য এবং শিল্প-সংস্কৃতি জগতের নানা সংকট নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন। তার বিশ্লেষণমূলক বক্তব্যে স্পষ্ট উঠে এসেছে রাজনৈতিক সংস্কারের অপরিহার্যতা, সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার সংকট এবং বিএনপির সাংগঠনিক দুর্বলতা।

আসিফ আকবর তার বক্তব্যে জুলাই বিপ্লবকে একটি “যুগান্তকারী ঘটনা” হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, এই বিপ্লব ছিল ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের সোচ্চার প্রতিবাদ, যার মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছিল। তার মতে, “এই বিপ্লবের পর দেশের মানুষের প্রত্যাশা ছিল, একটি বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠবে—যেখানে প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও তরুণ প্রজন্ম একত্রে দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।” তবে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে আবারও রাজনৈতিক সংঘাত, বিভাজন ও প্রতিহিংসার ধারায় ফিরে যাওয়ার প্রবণতা স্পষ্ট, যা দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার জন্য বিপদসংকেত।

প্রাক্তন বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে আসিফ আকবর বলেন, তিনি বর্তমানে দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় না থাকলেও একজন সমর্থক হিসেবে বিএনপির সঙ্গে আবেগগত সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। দলের অভ্যন্তরীণ সংস্কার এবং আত্মসমালোচনার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, “দল ভুল করতেই পারে, কিন্তু গঠনমূলক সমালোচনার মধ্য দিয়েই সংশোধনের পথ তৈরি হয়।” খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার শেষ সাক্ষাতের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বেগম জিয়া আমাকে পরামর্শ দিয়েছেন যেন আমি আমার সাংস্কৃতিক কাজের মাধ্যমে দেশসেবায় নিয়োজিত থাকি। আমি সরাসরি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে না থাকলেও, তার দেখানো পথেই আছি।”

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশনের প্রকৃত স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা জরুরি। সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে গণভোটের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে আসিফ আকবর বলেন, “যদি আমেরিকা বা ব্রিটেনের মতো দেশগুলো সংবিধানকে বাস্তবতার আলোকে নমনীয় করে তোলে, তবে বাংলাদেশেও একই ধরনের সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার।”

শিল্প ও সংস্কৃতি প্রসঙ্গে এসে আসিফ আকবর তীব্র ভাষায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের সমালোচনা করেন। তার বক্তব্য, “প্রতিবার ক্ষমতা পরিবর্তনের পর কিছু শিল্পীকে কালো তালিকাভুক্ত করার অপসংস্কৃতি এই জাতির জন্য একধরনের সাংস্কৃতিক আত্মঘাত। একটি শিল্পী কেবলমাত্র তার রাজনৈতিক চিন্তাধারার জন্য বঞ্চিত হবেন, এটি একটি অসভ্য চিন্তাধারা।”

তিনি সোজাসাপ্টা ভাষায় বলেন, “বিএনপি একটি আনকালচার্ড দল।” এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি বিএনপির সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গির অভাব ও সাংগঠনিক অবহেলার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত জাসাস (জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা)-এর পুনরুজ্জীবনের আহ্বান জানান, এবং মনে করিয়ে দেন যে বিএনপির যদি সাংগঠনিকভাবে টিকে থাকতে হয়, তবে সংস্কৃতি জগতে তাদের সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

সমগ্র আলোচনায় আসিফ আকবর একজন দায়িত্বশীল শিল্পী হিসেবে কেবল রাজনীতি নয়, বরং দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও জাতীয় ঐক্যের জন্য একটি সুস্থ সাংস্কৃতিক ভিত্তি গড়ে তোলার পক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৯৫

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৯৫
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৭৬

রাজনীতি

বিএনপি থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আজ (সোমবার) বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ মার্চ ২০২৬, ২০:১৮

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আজ (সোমবার) বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার কারণে আপনি বগুড়া জেলাধীন শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। নির্দেশক্রমে আপনার পদত্যাগপত্র গৃহীত হলো।

একই সঙ্গে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি জনাব এস এম তাজুল ইসলামকে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করেছে দল।

দলীয় সূত্র বলছে, বর্তমানে তিনি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োজিত থাকায় রাষ্ট্রীয় কাজে পূর্ণ মনোযোগ দিতেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৯৫